জেলা সংবাদ

নরসিংদীর চরাঞ্চালে বিপুল পরিমাণ ককটেল ও পেট্রোল বোমা উদ্ধারের ঘটনায় তিনজন গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ |

নরসিংদী প্রতিনিধি ■ বাংলাদেশ প্রেস

নরসিংদীর চরাঞ্চালে বিপুল পরিমাণ ককটেল ও পেট্রোল বোমা উদ্ধারের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। নরসিংদীর চরাঞ্চল খোদাদিলা গ্রাম ও শহরের লঞ্চঘাট এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় এজাহারনামীয় আসামি জাকিরের দেয়া তথ্য মতে ১১০ টি ককটেল, ২০ টি পেট্রোল বোমা ও একটি একনলা বন্দুক উদ্ধার করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর কথা।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন নরসিংদী সদর উপজেলার আলোকবালি ইউনিয়নের খোদাদিয়া গ্রামের রমন মিয়ার ছেলে জাকির হোসেন (৪৫), একই গ্রামের মুন্নাফ মিয়ার ছেলে শাকিল মিয়া (২৬) ও হানিফ মিয়ার ছেলে শাকিল মিয়া (২৬)।

গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত মাসের শেষ সপ্তাহে পুলিশ খোদাদিয়া গ্রামে বিষেশ অভিযান চালায় ওই সময় আলাউদ্দিনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৮ টি বালতি থেকে ৬২ টি তাজা ককটেল, ১৪০ টি টেঁটা ও ৫ টি রামদা উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ৭ জনকে আসামি করে বিস্ফোরক আইনে নরসিংদী সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে গোয়েন্দা পুলিশের দুইটি বিষেশ দল খোদাদিলা গ্রামে অভিযান চালায়। এসময় বিস্ফোরক আইনে এজহার নামীয় আসামি জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্যমতে ণির্মানাধীন একটি ঘরের ভেতরে লুকানো একটি ব্যাগ থেকে একটি একনলা বন্দুক ও ঘরের মেঝের মাটি খুঁড়ে ১১০ টি ককটেল ও ২০ টি পেট্রোল বোমা উদ্ধার করা হয়। পরে রাতেই গোয়েন্দা পুলিশের অপর আরেকটি দল নরসিংদী লঞ্চঘাট এলাকা থেকে শাকিল ও আতিক নামে একই মামলার অপর দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে।

নরসিংদী গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক রুপম কুমার সরকার বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই বিস্ফোরক আইন মামলার এজহারনামীয় আসামি। নরসিংদী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা পুলিশের দায়ের করা বিস্ফোরক মামলার এজহারনামীয় আসামি। এরা চরাঞ্চলে টেটা যুদ্ধের নেতৃত্ব দেয়, অস্ত্র ও বোমা সরবরাহ করে থাকে। অস্ত্র ও বোমা উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নরসিংদী সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদেরকে মঙ্গলবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।