জেলা সংবাদ

বর্ষার শুরুতেই যমুনার পূর্বপাড়ে তীব্র ভাঙন, হুমকির মুখে যমুনা রক্ষা বাঁধ

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০১৯

মোঃ শরিফুল ইসলাম, টাঙ্গাইল ■ বাংলাদেশ প্রেস

বর্ষার শুরুতেই যমুনা নদীর পূর্বপাড়ের টাঙ্গাইল অংশের বেশ কয়েকটি উপজেলায় দেখা দিয়েছে তীব্র ভাঙন। ভাঙনের ফলে শতশত বাড়ী-ঘর ও ফসলী জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে পড়েছে যমুনা রক্ষা বাঁধ। এদিকে জিও ব্যাগ সংকটের কারণে ভাঙন ঠেকাতে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে বিলম্ব হচ্ছে বলে দাবি টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের শীর্ষ কর্তারা। 

উজানের ঢলে প্রমত্তা রূপ ধারণ করেছে যমুনা। পানি বৃদ্ধির সাথে পাল্পা দিয়ে বাড়ছে পূর্ব পাড়ের ভাঙন। ভাঙনে জেলার ভূঞাপুর উপজেলার খানুরবাড়ী, কষ্টাপাড়া, ভালকুটিয়া, কুঠিবয়ড়া, তাড়াই এলাকার কয়েক শতাধিক বসতি ও ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়া সদর উপজেলার মামুদনগর ও নাগরপুর উপজেলার সলিমাবাদ ও চর সলিমাবাদ এলাকাতেও প্রতিদিনই যমুনা গ্রাস করে নিচ্ছে নদী পাড়ের মানুষের সহায় সম্বল। বসতভিটা হারিয়ে খোলা আকাশের নীচে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন অনেকেই। 

তাদের অভিযোগ, প্রশাসন ও রাজনীতির ছত্রছায়ায় একটি মহল গত কয়েক বছরে অবৈধ ও অপরিকল্পিত ভাবে বালু উত্তোলনের ফলেই যমুনার পূর্বপাড়ে ভাঙন তীব্র রূপ ধারণ করেছে। ত্রাণ নয়, ভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধান চান তারা। 

নদী থেকে অপরিকল্পিত বালু উত্তোলনের ফলে ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে স্বীকার করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, যমুনার পূর্ব তীর রক্ষায় বড় বড় প্রকল্পের কাজ চলমান আছে। আর জিও ব্যাগের সংকট থাকায় জরুরি ভাঙন ঠেকাতে বিলম্ব হচ্ছে। 

স্থানীয়দের দাবী বিশ বছরে তীব্র ভাঙনের ফলে যমুনা তার গতিপথ পাল্টে ৬ কি.মি পূর্ব দিক দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে হুমকির মুখে পড়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের যমুনা রক্ষা বাঁধটি।