জেলা সংবাদ

  • নওগাঁর অভ্যন্তরীন রুটে বাস চলাচল বন্ধ

    নওগাঁর অভ্যন্তরীন রুটে বাস চলাচল বন্ধ

  • সোনারগাঁয়ে সরকারি জমিতে অবৈধ ভাবে বালু ভরাট, ২১ ড্রেজার শ্রমিককে ৬ মাসের কারাদন্ড

    সোনারগাঁয়ে সরকারি জমিতে অবৈধ ভাবে বালু ভরাট, ২১ ড্রেজার শ্রমিককে ৬ মাসের কারাদন্ড

  • চৌহালীর রেহাই পুখুরিয়া-সলিমাবাদ সড়ক  দীর্ঘ ২৫ বছরেও আলোর মুখ দেখেনি

    চৌহালীর রেহাই পুখুরিয়া-সলিমাবাদ সড়ক দীর্ঘ ২৫ বছরেও আলোর মুখ দেখেনি

  • ২২ বছর ধরে ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় বান্দরবানের রুমা বাজার সেতুটি

    ২২ বছর ধরে ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় বান্দরবানের রুমা বাজার সেতুটি

  • পুলিশের শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত চাঁই: নড়াইল পুলিশ সুপার

    পুলিশের শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত চাঁই: নড়াইল পুলিশ সুপার

‘বন্দুকযুদ্ধে’ ইয়াবা ডন সাইফুল নিহত : পৃষ্ঠপোষক ও সহযোগীদের মধ্যে আতঙ্ক

প্রকাশ: ৩১ মে ২০১৯

শাহীন মাহমুদ রাসেল, কক্সবাজার প্রতিনিধি ■ বাংলাদেশ প্রেস

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত দ্বিতীয় শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী হাজী সাইফুল করিম (৪০)। ছবি : সংগৃহীত

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় বৃহস্পতির (৩০ মে) দিবাগত রাত ১টার দিকে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সাথে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দেশের শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী হাজী সাইফুল করিম হয়েছে।

জানা গেছে, বন্দুকযুদ্ধে নিহত হাজী সাইফুল করিম (৪০) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত দ্বিতীয় শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী। বন্দুকযুদ্ধের পর ঘটনাস্থল থেকে ইয়াবা, আগ্নেয়াস্ত্র এবং গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।

২০১৮ সালের ৪ মে মাদক বিরোধী অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে ৩১মে পর্যন্ত র‍্যাব-বিজিবি-পুলিশের সঙ্গে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের ‘বন্দুকযুদ্ধ’ এবং ইয়াবা ব্যবসায়ীদের ‘অন্তর্কোন্দলের’ কারণে কক্সবাজার জেলায় ১শ জনের অধিক নিহত হয়েছে। এর মধ্যে টেকনাফে নিহত হয়েছে ৯০ জন।

এদিকে কক্সবাজারের ইয়াবা ডন সিআইপি সাইফুল করিমের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে ইয়াবা কারবারে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া প্রভাবশালীরা বিপাকে পড়েছেন। সাইফুল করিম দেশে ফিরে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে অনেকের নামই ফাঁস করে দিয়েছেন।

তার মাথায় ছায়া হয়ে থাকা এসব ব্যক্তির মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অসাধু কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাও রয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাইফুল করিম ইয়াঙ্গুন থেকে দেশে ফেরার পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পুলিশ সদর দপ্তরের একটি বিশেষ দল কক্সবাজার যায়। জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুল দিয়েছেন চাঞ্চল্যকর ইয়াবা কানেকশনের তথ্য।

এমন প্রেক্ষাপটে প্রভাবশালীদের একটি সিন্ডিকেট সাইফুল করিমের মুখ বন্ধে সম্ভাব্য প্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছেন। এ নিয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে এসব রাঘববোয়ালদের বাঁচানোর চেষ্টা করে সিন্ডিকেটটি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, টেকনাফে প্রথম দফায় ১০২ জন ইয়াবা কারবারি আত্মসমর্পণ করার পর থেকে সাইফুল করিম আত্মসমর্পণের জন্য যোগাযোগ করেন। দ্বিতীয় দফায় আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে সাইফুল করিমেরও নাম ছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবারের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সাইফুলের মৃত্যূ সে সুযোগ আর রইলনা। আর এর মাধ্যমে দেশের এক ইয়াবা সম্রাটেরও পতন হলো।

জানা যায়, গত শনিবার ইয়াঙ্গুন থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন সাইফুল। পরে একটি গাড়িতে করে বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।

পরে কঠোর গোপনীয়তায় তাকে বৃহস্পতিবার সড়কপথে কক্সবাজার নিয়ে যাওয়া হয়। এর পর তার পরিবার আত্মসমর্পণের জন্য কক্সবাজার পুলিশের হাতে তুলে দেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাইফুল করিমের ইয়াবা ব্যবসার বিস্তৃত নেটওয়ার্ক ছড়ানো ছিল টেকনাফ থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত।

ঘাটে ঘাটে মোটা অঙ্কের অর্থ দিতেন। বিনিময়ে তার সেইফ গার্ড হিসেবে কাজ করতেন ওইসব সুবিধাভোগী প্রভাবশালী। তবে কৌশলগত কারণে এ নিয়ে কথা বলতে চাইছেন না পুলিশ কর্মকর্তারা।

এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘সাইফুল করিম ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে আইনগত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারলে ইয়াবা পরিস্থিতির সত্যিকারের উন্নতি হবে।’ সাইফুল করিমের এক ভাগ্নে বলেন, ‘তার সঙ্গে (সাইফুল করিম) আমাদের দেখা হয়েছে।

তিনি ইয়াবা ব্যবসা করে ঘৃণ্য অপরাধ করেছেন। আইন অনুযায়ী তার বিচার ও কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত। তবে প্রভাবশালীদের বাঁচাতে ভিন্ন কিছু ঘটানো হলে সেটি ঠিক হবে না।’

কক্সবাজারের ইয়াবা ডন হিসেবে পরিচিত সাইফুল করিম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন তালিকায় এক-দুই নম্বরে থাকা শীর্ষ ইয়াবাকারবারি সাইফুল করিম টাকার বিনিময়ে ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির (সিআইপি) তকমাও বাগিয়ে নেন।

মালিক বনে গেছেন শত শত কোটি টাকার। বলা হয়ে থাকে, সাইফুলের হাত ধরে বাংলাদেশে ইয়াবার প্রবেশ ঘটে। সাইফুল করিমের গ্রামের বাড়ি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শিলবনিয়াপাড়ায়। ২০০৮ সাল থেকে তিনি ইয়াবা ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন।

প্রসঙ্গত গত বছর ১৬ মে দেশব্যাপী মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান শুরুর পর গা-ঢাকা দেন তিনি। আত্মগোপনের প্রায় ৯ মাস পর দেশে ফিরলেন সাইফুল করিম।

তার মাথায় ছায়া হয়ে থাকা এসব ব্যক্তির মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অসাধু কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাও রয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাইফুল করিম ইয়াঙ্গুন থেকে দেশে ফেরার পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পুলিশ সদর দপ্তরের একটি বিশেষ দল কক্সবাজার যায়। জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুল দিয়েছেন চাঞ্চল্যকর ইয়াবা কানেকশনের তথ্য।

এমন প্রেক্ষাপটে প্রভাবশালীদের একটি সিন্ডিকেট সাইফুল করিমের মুখ বন্ধে সম্ভাব্য প্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছেন। এ নিয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে এসব রাঘববোয়ালদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে সিন্ডিকেটটি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, টেকনাফে প্রথম দফায় ১০২ জন ইয়াবাকারবারি আত্মসমর্পণ করার পর থেকে সাইফুল করিম আত্মসমর্পণের জন্য যোগাযোগ করেন।

দ্বিতীয় দফায় আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে সাইফুল করিমেরও নাম ছিল।

জানা যায়,গত শনিবার ইয়াঙ্গুন থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন সাইফুল। পরে একটি গাড়িতে করে বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।

পরে কঠোর গোপনীয়তায় তাকে বৃহস্পতিবার সড়কপথে কক্সবাজার নিয়ে যাওয়া হয়। এর পর তার পরিবার আত্মসমর্পণের জন্য কক্সবাজার পুলিশের হাতে তুলে দেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাইফুল করিমের ইয়াবা ব্যবসার বিস্তৃত নেটওয়ার্ক ছড়ানো ছিল টেকনাফ থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত।

ঘাটে ঘাটে মোটা অঙ্কের অর্থ দিতেন। বিনিময়ে তার সেইফ গার্ড হিসেবে কাজ করতেন ওইসব সুবিধাভোগী প্রভাবশালী। তবে কৌশলগত কারণে এ নিয়ে কথা বলতে চাইছেন না পুলিশ কর্মকর্তারা।

এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘সাইফুল করিম ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে আইনগত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারলে ইয়াবা পরিস্থিতির সত্যিকারের উন্নতি হবে।’ সাইফুল করিমের এক ভাগ্নে আমাদের সময়কে বলেন, ‘তার সঙ্গে (সাইফুল করিম) আমাদের দেখা হয়েছে।

তিনি ইয়াবা ব্যবসা করে ঘৃণ্য অপরাধ করেছেন। আইন অনুযায়ী তার বিচার ও কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত। তবে প্রভাবশালীদের বাঁচাতে ভিন্ন কিছু ঘটানো হলে সেটি ঠিক হবে না।’

কক্সবাজারের ইয়াবা ডন হিসেবে পরিচিত সাইফুল করিম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন তালিকায় এক-দুই নম্বরে থাকা শীর্ষ ইয়াবাকারবারি সাইফুল করিম টাকার বিনিময়ে ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির (সিআইপি) তকমাও বাগিয়ে নেন।

মালিক বনে গেছেন শত শত কোটি টাকার। বলা হয়ে থাকে, সাইফুলের হাত ধরে বাংলাদেশে ইয়াবার প্রবেশ ঘটে। সাইফুল করিমের গ্রামের বাড়ি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শিলবনিয়াপাড়ায়। ২০০৮ সাল থেকে তিনি ইয়াবা ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন।

প্রসঙ্গত গত বছর ১৬ মে দেশব্যাপী মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান শুরুর পর গা-ঢাকা দেন তিনি। আত্মগোপনের প্রায় ৯ মাস পর দেশে ফিরেন সাইফুল করিম।


পরবর্তী খবর পড়ুন : ‘মিস করি তোমাকে’, কার জন্য বলছেন মিমি?


আরও পড়ুন

টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলো ইংল্যান্ড

টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলো ইংল্যান্ড

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ইংল্যান্ড-আফগানিস্তানের দেখা হয় না বললেই চলে। এখন পর্যন্ত ...

বিশ্বকাপ খেলায় মাশরাফিকে গালাগালি

বিশ্বকাপ খেলায় মাশরাফিকে গালাগালি

বাংলাদেশ ক্রিকেট টীমকে গালাগালি করা এক শ্রেণীর তথাকথিত বাংলাদেশী মানুষের ...

লোহার খনি আবিষ্কারঃ আজ মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেন জিএসবি

লোহার খনি আবিষ্কারঃ আজ মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেন জিএসবি

দেশে এই প্রথমবারের মতো উন্নত মানের লোহার আকরিকের (ম্যাগনেটাইট) খনি ...

খালেদা জিয়ার জামিন প্রমাণ করে বিচারবিভাগ স্বাধীন: কাদের

খালেদা জিয়ার জামিন প্রমাণ করে বিচারবিভাগ স্বাধীন: কাদের

বিচারবিভাগ যে স্বাধীন তা মানহানির দুই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা ...

দুই মামলায় খালেদা জিয়ার ৬ মাসের জামিন

দুই মামলায় খালেদা জিয়ার ৬ মাসের জামিন

মানহানি ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের দুই মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা ...

নড়াইলে বিকাশ এজেন্ট চন্ডি ঘোষকে কুপিয়ে লাখ টাকা ছিনতাই!

নড়াইলে বিকাশ এজেন্ট চন্ডি ঘোষকে কুপিয়ে লাখ টাকা ছিনতাই!

নড়াইলের মহাজন সোনালী ব্যাংক বাজার শাখা থেকে টাকা উত্তোলন করে ...

অন্যায় অনুযায়ী ওসি মোয়াজ্জেমের যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেওয়া হয়েছে

অন্যায় অনুযায়ী ওসি মোয়াজ্জেমের যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেওয়া হয়েছে

গ্রেপ্তার ফেনীর সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের অন্যায় অনুযায়ী ...

মহব্বত বাহিনীর অত্যাচারে দেশ ছেড়েছে  ৪০ হিন্দু পরিবারের, দেশ ছাড়ার পথে ৫০ পরিবার

মহব্বত বাহিনীর অত্যাচারে দেশ ছেড়েছে ৪০ হিন্দু পরিবারের, দেশ ছাড়ার পথে ৫০ পরিবার

আশাশুনি উপজেলার দক্ষিণ কাদাকাটি গ্রামের মামলাবাজ মহব্বত আলী সরদার ও ...