ধর্ম

নড়াইলে বিশিংক্ষলা ছাড়াই দূর্গার বিসর্জন বিষাদের সুরে চোখে জল

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০১৯

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল ■ বাংলাদেশ প্রেস

নড়াইল শারদীয় দূর্গাপূজার শেষ দিন ছিল। এ দিনে দূর্গা দেবী বাবার বাড়ি থেকে কৈলাসে তার শ্বশুরবাড়িতে চলে যাবে। দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাতে ম-পে ম-পে চলে বিসর্জনের আয়োজন। করতে ঢাক-ঢোল বাজিয়ে ম-প প্রদক্ষিণ করে সুতা কাটার মাধ্যমে দশভূজা দুর্গাকে এক বছরের জন্য সেষ বিদায়। বিসর্জন আগে মন্দিরের সামনে জড় হতে থাকে নড়াইল জমিদার বাবুদের রেখে যায়া বিশাল বাধা চরের ঘাট আরো অনেক ঘাটে। প্রতিমা ভাসানোর জন্য মন্দিরের সামনে প্রায় ম-পের প্রতিমা বহনকারী পরিবহন সিরিয়ালে অনুযায়ী দাঁড়ায়। তারপর বিকেল চারটায় সেখান থেকে রওনা হয় ঘাটের উদ্দেশ্যে। মন্দির মোড় হয়ে নির্বিঘ্ন করতে মন্দির থেকে ঘাট পর্যন্ত জত টুক চোখে পরে কড়া পুলিশি পাহারাসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্ক অবস্থান।

বিসর্জনের পরে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা সিদুর বা রঙ খেলে দিনটি উদযাপন করেন। ভাসান শেষে মিষ্টিমুখ করে তারা ঘরে ফেরেন আগামী দুর্গাপূজার অপেক্ষায়। আমাদের মা দুর্গা বিদায় নিয়েছেন এই মর্ত্য থেকে। বিদায় লগ্নে একটু খারাপ লাগলেও আমরা এই বিদায় ক্ষণটি উৎসবমুখর পরিবেশে পালন করি। আমরা সিদুর খেলে মিষ্টিমুখ করে দেবী মাকে বিদায় জানাই। কারণ বিদায় বেলায় মন খারাপ করতে নেই। অপরদিকে দূর্গাপূজা দেখতে ও পরিদর্শন করলেন খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ হাবিবুর রহমান (বিপিএম),এডমিন এন্ড ফিন্যান্স এসে পৌছান।

পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন পিপিএম (বার), ডিআইজি কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ ইমরান(সদর সার্কেল), সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ইলিয়াস হোসেন (পিপিএম) সহ নড়াইলের দূর্গাপূজা উদযাঁপন কমিটির সভাপতি এসময় নড়াইল শহরের বিভিন্ন দূর্গাপূজা পরিদর্শন করেন। খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ হাবিবুর রহমান(বিপিএম),এডমিন এন্ড ফিন্যান্স তার বক্তব্যে বলেন হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রানের উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে জেলা পুলিশের বিভিন্ন রকম নিরাপত্তা। এই উৎসব কে অবাধ ও সুষ্ঠ করতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্ততি গ্রহন করা হয়েছে। সাভাবিক ভাবে এবং উৎসব মুখর পরিবেশে যাতে করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা দূর্গাউৎসব পালন করতে পারে তার জন্য জেলার সকল মন্দিরে পর্যাপ্ত আইন সৃঙ্খলা বাহিনি মেতায়েন থাকবে। সেই সাথে নিরাপত্তার জন্য আনছার ও গ্রাম পুলিশ মোতায়েন থাকবে।