রাজনীতি

কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করতে হবে ,৪ ডিসেম্বর রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবেঃকাদের

প্রকাশ: ০৮ নভেম্বর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিনিধি ■ বাংলাদেশ প্রেস

রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দকে ঢাকায় তলব করে ৪ ডিসেম্বর সম্মেলনের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। শুক্রবার রাজশাহীর নেতৃবৃন্দকে নিয়ে বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় নেতারা। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদের বিরোধ দীর্ঘদিনের। সেটি মেটাতে ঢাকায় এই বৈঠক। দ্বন্দ্ব না মিটলেও আগামী ৪ ডিসেম্বর রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

শুক্রবার ঢাকায় দলের প্রধান কার্যালয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে এই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। আর জেলার নেতাদের সহযোগিতা করবেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, ডা. দীপু মনি, আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, উপ-দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়–য়া, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, নুরুল ইসলাম ঠান্ডু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কয়েকদিন আগে আমরা প্রতিনিধি সম্মেলনে গিয়েছিলাম। তারপরও পত্রপত্রিকা রাজশাহীর খারাপ খবরে ভরে গেল। এটি আমাদের জন্য দুঃখজনক। সম্মেলনকে সামনে রেখে সব তিক্ততার অবসান ঘটবে বলে আমি আশা করি।

তিনি বলেন, কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করতে হবে। আমাদের মধ্যে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা থাকবে। কিন্তু সেই প্রতিযোগিতা হবে সুস্থ। অসুস্থ প্রতিযোগিতা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। আমি এটা নেত্রীর পক্ষ থেকে পরিষ্কারভাবে সবাইকে জানিয়ে দিতে চাই।

উল্লেখ্য, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই দ্বন্দ্ব চলে আসছে। সম্প্রতি এই দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে রূপ নেয়। দলীয় একটি সভায় সাধারণ সম্পাদক আসাদ সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরীকে ‘রাজাকারের সন্তান’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বক্তব্য দেন।

এরপর গত ১৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের রাজশাহী বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হয়। রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত এ সভায় কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নেন। সেখানে বিভাগের সব জেলার সভাপতি-সম্পাদক বক্তব্য দিলেও কোন্দলের কারণে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে বক্তব্য দিতে দেওয়া হয়নি। সেদিন জেলার এ দুই নেতাকে কেন্দ্রে তলব করে নিয়ে যান কেন্দ্রীয় নেতারা।