রাজনীতি

আজ রবিবার, যুবলীগ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিনিধি ■ বাংলাদেশ প্রেস

দুর্নীতিমুক্ত নেতৃত্ব চায় যুবলীগের নেতাকর্মীরা। স্বচ্ছ ভাবমূর্তির যে কাউকেই নেতা মেনে নিতে রাজি তারা। একইসঙ্গে যুবলীগ নেতাদেরও বয়স নির্ধারণের পক্ষে তারা।

সম্প্রতি ক্যাসিনো কাণ্ডে লন্ডভন্ড যুবলীগের নেতৃত্ব। এমনকি সমালোচনার মুখে সংগঠনটির চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীও।

আগামী ২৩শে নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে যুবলীগের সম্মেলন। নতুন কমিটিতে কারা আসছে নেতৃত্বে তা নিয়ে চলছে আলোচনা। বেশ কয়েকদিন ধরেই বঙ্গবন্ধু এভিনিউ কার্যালয়ে পদ প্রত্যাশীদের বেড়েছে তৎপরতা।

আজ রবিবার, যুবলীগ নেতাদের নিয়ে গণভবনে জরুরি বৈঠকে ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠকে চলমান সংকটের সমাধান চান নেতাকর্মীরা।

তৃণমূল যুবলীগের নেতাকর্মীরা বলছেন, শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকেই দুর্নীতিবাজদের কমিটিতে না রাখার সিদ্ধান্ত চান তারা। এছাড়া, ছাত্রলীগের মত যুবলীগ নেতাদেরও বয়সসীমা ঠিক করে দেয়ার দাবিও তাদের।

প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে যুবলীগের ভাবমূতি উজ্জ্বল হবে, আবারও ফিরবে সুদিন, বিশ্বাস নেতকর্মীদের।

যুবলীগের চেয়ারম্যান পদে থাকবে বড় ধরনের চমক। সাধারণ সম্পাদক পদেও হবে তাই। শুধ্ এ দুটি পদই নয়, গুরুত্বপূর্ণ সব পদে পরিবর্তন আসবে। ঢেলে সাজানো হবে প্রেসিডিয়াম। যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদেও নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আসা হবে। নিষ্কলুষ ভাবচ্ছবির সাবেক ছাত্রলীগ নেতারাই থাকবেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। বিতর্কিতরা ইতিমধ্যেই ছিটকে পড়েছেন দৌড় থেকে।

জানা যায়, নেতৃত্ব নির্বাচনে বয়সসীমাও বেঁধে দিতে পারেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে আগামীকাল যুবলীগের বৈঠকে। সে ক্ষেত্রে অনূর্ধ্ব-৪৫ বছরের মধ্যেই বয়সসীমা রাখা হতে পারে বলে আলোচনা হচ্ছে সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামে। বয়সসীমা বেঁধে দেওয়া হলে নেতৃত্বের কাঠামো হবে এক ধরনের। বয়সসীমা না থাকলে সে ক্ষেত্রে হতে পারে অন্যরকম। যুবলীগের নেতৃত্বের ক্ষেত্রে ছাত্রলীগ ও পারিবারিক ‘ব্যাকগ্রাউন্ড’কেই গুরুত্ব দেওয়া হবে। উড়ে এসে জুড়ে বসাদের ঠাঁই হবে না। এবার নেতৃত্বে ঠাঁই পাবে না ‘বিতর্কিত’ ও ‘ভাই লীগ’।