রাজনীতি

  • নির্বাচনে কারচুপি হলে কেন প্রতিহত করলেন না : বিএনপিকে নাসিম

    নির্বাচনে কারচুপি হলে কেন প্রতিহত করলেন না : বিএনপিকে নাসিম

  • যে কারণে জামায়াত ছাড়লেন ব্যারিস্টার রাজ্জাক

    যে কারণে জামায়াত ছাড়লেন ব্যারিস্টার রাজ্জাক

  • জামায়াত বিলুপ্তির পরামর্শ দিয়ে ব্যারিস্টার রাজ্জাকের পদত্যাগ

    জামায়াত বিলুপ্তির পরামর্শ দিয়ে ব্যারিস্টার রাজ্জাকের পদত্যাগ

  • ব্যক্তিগত চিকিৎসক দিয়ে চিকিৎসার আবেদন

    ব্যক্তিগত চিকিৎসক দিয়ে চিকিৎসার আবেদন

  • খালেদা জিয়ার মুক্তির দুই উপায় খোলা আছে: তথ্যমন্ত্রী

    খালেদা জিয়ার মুক্তির দুই উপায় খোলা আছে: তথ্যমন্ত্রী

উদ্দেশ্য খুঁজতে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য

প্রকাশ: ০৫ ডিসেম্বর ২০১৮

রাজনৈতিক বিশ্লেষক, বাংলাদেশ প্রেস

তারেককে অর্থ প্রদান করে ধানের শীষ প্রতীক লাভ করেছেন এমন ব্যক্তিদের তালিকার মধ্যে রয়েছেন দেশের কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী। এছাড়া এই তালিকায় দেশের নামকরা একটি টেলিভিশন চ্যানেলের পরিচলকেরও নাম উঠে এসেছে অনুসন্ধানে। তারেকের কাছে অর্থ প্রদান করে মনোনয়ন প্রাপ্ত একাধিক ব্যবসায়ী সহ অন্যান্যরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ নজরদারিতে রয়েছে বলে জানা গেছে।


পাশাপাশি এই মনোনয়ন বাণিজ্যের সাথে সম্পৃক্ত একাধিক হুন্ডি ব্যবসায়ীর নামও উঠে এসেছে অনুসন্ধানে। এসব হুন্ডি ব্যবসায়ী এবং হুন্ডি ব্যবসার সাথে সংশ্লিষ্টরাও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ নজরদারিতে রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি দায়িত্বশীল সূত্র।

তারেকের ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্র এবং বিএনপির মনোনয়ন সংশ্লিষ্ট সূত্র মারফত জানা গেছে, ৩০০ আসনের মধ্যে প্রায় ২৮০ আসনেই ধানের শীষ প্রতীক লাভের জন্য লন্ডনে অর্থ প্রেরণ করতে হয়েছে। উল্লেখিত আসন সমূহে মনোনয়ন বাণিজ্য করে প্রায় ২ হাজার ১০০ কোটি টাকা আয় হয়েছে তারেকের। শুরুতে এই অর্থ পুরোটাই দলীয় স্বার্থে ব্যয় করা হবে বলে দলের নেতাকর্মীদের তারেক আশ্বস্ত করলেও এবার শোনা যাচ্ছে ভিন্ন গল্প।


তারেকের এই মনোনয়ন বাণিজ্যের পেছনে মূল উদ্দেশ্য খুঁজতে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গেছে মনোনয়ন হতে প্রাপ্ত অর্থের ৩০ ভাগের কিছু বেশি অর্থাৎ প্রায় ৭০০ কোটি টাকা বাংলাদেশে বিএনপির দলীয় নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা কাজে ব্যয় করা হবে। বাকি অর্থের সিংহভাগ ব্যয় করা হবে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশে নাশকতা সৃষ্টির কাজে।


এদিকে মনোনয়ন বাণিজ্য হতে প্রাপ্ত অর্থে দলের স্বার্থে নির্বাচনী কাজে ব্যয় না করে দেশে নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে জঙ্গী কার্যক্রমে ব্যয় করাতে ভয়ঙ্কর রকমের চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে দলের তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত। একাধিক সিনিয়র নেতার মতে একই ভুলের পুনরাবৃত্তি করতে যাচ্ছেন তারেক। পূর্বে জেএমবির বাংলা ভাই, শায়খ আব্দুর রহমানের মতো জঙ্গী নেতাদের পৃষ্ঠপোষকতা করে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করে খাদের কিনারায় নিয়ে গেছেন তারেক। দলের নেতা-কর্মীরা যেখানে নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করে যাচ্ছেন, সেখানে তারেক আবারো জঙ্গীবাদে মদদ দেয়ার মাধ্যমে বিএনপিকে ধ্বংস করার খেলায় মেতেছেন।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে মনোনয়ন বাণিজ্য হতে প্রাপ্ত অর্থের ২০০ কোটি টাকার বিনিময়ে নিষিদ্ধ ধর্মীয় উগ্র গোষ্ঠী হিযবুত তাহরীর সাথে একটি চুক্তি সম্পাদন করেছেন তারেক জিয়া। ইতোমধ্যে চুক্তির অগ্রীম অর্থ হিসেবে ৭০ কোটি টাকা হিযবুত তাহরীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও তথ্য মিলেছে। চুক্তি মোতাবেক হিযবুত তাহরী নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে একাধিক জঙ্গী হামলা চালাবে। যাতে করে বর্তমান সরকারের উপর বহির্বিশ্ব একধরণের চাপ সৃষ্টি করে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে।


হিযবুত তাহরীর সাথে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র হতে জানা গেছে, তারেকের সাথে চুক্তি সম্পাদন হওয়ার পর থেকেই তারা নির্বাচন বানচাল সহ দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ শুরু করে দিয়েছে। ইতোমধ্যে তারা এই মিশন সফল করার লক্ষ্যে প্রচুর পরিমাণ জনশক্তি নিয়োগ দিয়েছে। হিযবুত তাহরীর এই নিয়োগকৃত জনশক্তির মধ্যে রয়েছে, আইটি বিশেষজ্ঞ, কেমিক্যাল এক্সপার্ট এবং যেকোনো অবস্থায় জঙ্গী হামলা চালাতে সক্ষম এমন মানুষ। দেশের বিভিন্ন জায়গায় জঙ্গী হামলা চালানোর পাশাপাশি দেশের সরকারি বিভিন্ন ওয়েবসাইটে সাইবার হামলার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানা গেছে। হিযবুত তাহরীর সাথে চুক্তি বাস্তবায়নে তারেককে সহযোগিতা করেছে আইএসআই সহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন জঙ্গী সংগঠন।


প্রসঙ্গত তারেক একাধিক মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামী হওয়ায় এবং বাংলাদেশের নাগরিকত্ব বর্জন করে যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয় গ্রহণ করায় নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী বাংলাদেশের কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।


হিযবুত তাহরীর সহায়তায় দেশে নাশকতা তৈরির তারেকের এমন ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা থেকে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠে দেশকে নাশকতার দিকে ঠেলে দিয়ে এবং মানুষের জীবনকে যারা ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করতে চায় তাদের হাতে কতটুক নিরাপদ এই বাংলাদেশ? দেশের মানুষ যেখানে আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে সেখানে বিএনপির মতো দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় একটি রাজনৈতিক দলের কর্ণধার দেশের মানুষের রক্ত নিয়ে হোলি খেলায় মেতে ওঠার স্বপ্নে বিভোর হয়ে আছেন।

আরও পড়ুন

দেশে ফিরে আসার শর্তে শিক্ষাবৃত্তি দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

দেশে ফিরে আসার শর্তে শিক্ষাবৃত্তি দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার “প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপ ২০১৯” ঘোষণা করেছে যার আওতায় ...

শিক্ষা ও মেধাকে প্রাধান্য দিয়ে আমাদের এগোতে হবে : মোস্তাফা জব্বার

শিক্ষা ও মেধাকে প্রাধান্য দিয়ে আমাদের এগোতে হবে : মোস্তাফা জব্বার

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, অস্ত্র আর ...

নির্বাচনে কারচুপি হলে কেন প্রতিহত করলেন না : বিএনপিকে নাসিম

নির্বাচনে কারচুপি হলে কেন প্রতিহত করলেন না : বিএনপিকে নাসিম

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ করে বিএনপির প্রার্থীদের মামলা প্রসঙ্গে ...

অভিন্ন পদ্ধতিতে হবে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ

অভিন্ন পদ্ধতিতে হবে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারি শিক্ষকের আদলে অভিন্ন পদ্ধতিতে উপাধ্যক্ষ, অধ্যক্ষ ...

‘ভালোবাসা দিবসের ঠিক ৯ মাস পর কেন শিশু দিবস?’

‘ভালোবাসা দিবসের ঠিক ৯ মাস পর কেন শিশু দিবস?’

বিশ্ব ভালোবাসা দিবসের ঠিক ৯ মাস তিন দিন পর কেন ...

সবচেয়ে দ্রুত গতিসম্পন্ন ট্রেন এসে পৌঁছেছে দেশে

সবচেয়ে দ্রুত গতিসম্পন্ন ট্রেন এসে পৌঁছেছে দেশে

দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানা সৈয়দপুরে পৌঁছেছে ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করা ...

তিন দিনে ৪ মুসল্লির মৃত্যু বিশ্ব ইজতেমার মাঠে

তিন দিনে ৪ মুসল্লির মৃত্যু বিশ্ব ইজতেমার মাঠে

গেল তিন দিনে চার মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে টঙ্গীর তুরাগতীরে বিশ্ব ...

জামায়াত বিলুপ্তির পরামর্শ দিয়ে ব্যারিস্টার রাজ্জাকের পদত্যাগ

জামায়াত বিলুপ্তির পরামর্শ দিয়ে ব্যারিস্টার রাজ্জাকের পদত্যাগ

জামায়াত ইসলামিকে বিলুপ্ত ঘোষণা ও ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে অবস্থান ...