রাজনীতি

  • অধ্যাপক মোজাফফরের প্রথম জানাজা জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায়

    অধ্যাপক মোজাফফরের প্রথম জানাজা জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায়

  • দুই পক্ষের সংঘর্ষে যুবলীগকর্মী নাইমুল ইসলাম পল্টু (৩৫) নিহত

    দুই পক্ষের সংঘর্ষে যুবলীগকর্মী নাইমুল ইসলাম পল্টু (৩৫) নিহত

  • আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব শুন্য করার জন্য বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করা হয়

    আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব শুন্য করার জন্য বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করা হয়

  • ফেসবুক স্ট্যাটাস নিয়ে ছাত্রলীগ-শিবির সংঘর্ষ, আহত ৪

    ফেসবুক স্ট্যাটাস নিয়ে ছাত্রলীগ-শিবির সংঘর্ষ, আহত ৪

  • বীরউত্তম সিরাজ হত্যাকাণ্ডঃ আ’লীগ নেতার নামে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা

    বীরউত্তম সিরাজ হত্যাকাণ্ডঃ আ’লীগ নেতার নামে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা

সংলাপে খালেদা মুক্তির দায়সারা দাবি এবং নতুন বিএনপি

প্রকাশ: ০৮ নভেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলাদেশ প্রেস

গত ১ নভেম্বর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাথে বিএনপি নেতারা বঙ্গভবনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে দেখা করে এসেছেন। সবার নেতৃত্বে ছিলেন ড. কামাল হোসেন। বিএনপির পক্ষে সেখানে গিয়েছিলেন ড. খন্দকার মোশারফ, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. আব্দুল মঈন খান, জমিরউদ্দিন সরকার প্রমুখ। সেখানে মূল আলোচ্য বিষয় ছিল নির্বাচন। খালেদা জিয়ার মুক্তির প্রসঙ্গ ছিল গৌণ।


বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বৈঠক; এরপর চলে রুদ্ধদ্বার আলোচনা। দুই পক্ষের ৪৩ জন নেতার আলোচনার মধ্যেই চলে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আপ্যায়ন। সাড়ে তিন ঘন্টার এই আলাপে মাত্র একবার উঠেছিল খালেদা জিয়ার মুক্তির কথা। একদিন আগেও বিএনপির যে নেতারা খালেদা জিয়া ছাড়া নির্বাচনে যেতে চাইতেন না, গণভবনে তারা প্রায় সবাই এ ব্যাপারে মুখে কুলুপ এঁটে বসেছিলেন।


খালেদাকে চাইছেন না বিএনপি হাইকমান্ড ?  


গত ২০ অক্টোবর মির্জা ফখরুল ঘোষণা দিয়েছিলেন খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া তারা কোন সংলাপে যাবেন না। দশ দিন পার হতে না হতেই মির্জা ফখরুল গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে নির্বাচনকেন্দ্রিক আলোচনার জন্য হাজির হলেন। সংলাপে খালেদার জিয়ার মুক্তির প্রসঙ্গ আসলেও বিএনপি নেতাদের এ ব্যাপারে যথেষ্ট আগ্রহ দেখা যায়নি।


বরং নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই বেশীরভাগ প্রশ্নোত্তর পর্ব চলেছিল বলে জানা যায়। এই প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের জানান, ‘খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের মুক্তি প্রসঙ্গ একটি দলীয় ইস্যু; জাতীয় আলোচনায় দলীয় ইস্যু উত্থাপনের সুযোগ সীমিত’।


কেঁচো খুড়তে সাপ বের হয়। সাপের সংখ্যা একাধিকও হতে পারে। খালেদা জিয়ার কারাদণ্ডের সঠিক কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে বিভিন্ন আইন বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলে জানা যায় যে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাক্ষী, প্রমাণ এবং অভিযোগের ভিত্তি দুর্বল ছিল। যার কারণে খুব সহজেই খালেদা জিয়ার কারাদণ্ড এড়ানোর সুযোগ ছিলো। কিন্তু খালেদা জিয়ার নিয়োগকৃত দলীয় আইনজীবীদের সন্দেহজনক অতিউ‌ৎসাহে মামলার রায় শেষ পর্যন্ত খালেদা জিয়ার বিপক্ষে চলে যায়।


খালেদা জিয়া বাইরে থাকাকালীন সময়েই ড.খন্দকার মোশারফ, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকার, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর,  ড. আব্দুল মঈন খান, রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, আব্দুল্লাহ আল নোমান, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, বরকত উল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান, শওকত মাহমুদ, ইনাম আহমেদ চৌধুরী, আহমেদ আজম খান, ব্যারিস্টার আমিনুল হক, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আতাউর রহমান ঢালী, জয়নাল আবেদীন, আব্দুল হাই শিকদার, গাজী মাজহারুল আনোয়ার, মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, এম এ কাইয়ুম, অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া, তাজমেরী এস ইসলাম, আ ন হ আক্তার হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হারুন রশিদসহ এক ডজন নেতার সাথে আলাদা আলাদা এবং সদলবলে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাথে একাধিক বৈঠকে বসার প্রমাণও পাওয়া যায়।


জানা যায়, মার্কিন রাষ্ট্রদূত বার্নিকাটের পরামর্শেরই বিএনপিতে জিয়া পরিবারকে মাইনাস করার কৌশল গ্রহণ করা হয়। তবে রাশিয়া এবং চীন থেকে সামরিক অস্ত্র ক্রয়ের কারণে মার্কিন প্রশাসন আওয়ামীলীগকেও ক্ষমতায় দেখতে চায় না।


তারেক ক্রমশ কোনঠাসা


মার্কিন প্রশাসনের আগ্রহে দলে ক্রমশ কোনঠাসা হয়ে পড়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান। খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর গত আগস্টে তারেক রহমানের প্রচণ্ড বিরোধীতার মুখেও দলে ফেরেন সংস্কারপন্থী ৪০০ জন নেতা-কর্মী। মির্জা ফখরুলের আগ্রহেই তারা দলে ফেরেন বলে একাধিক সূত্রে জানা যায়।


অন্যদিকে দলীয় হাইকমান্ডের একাংশের আগ্রহে চেয়ারম্যান পদে তারেক জিয়াকে সরিয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ড.খন্দকার মোশারফকে বসানোর দাবি উঠেছে। এই মুহূর্তে রুহুল কবীর রিজভী এবং গয়েশ্বর রায় চৌধুরী ছাড়া জিয়া পরিবারের পাশে কেউ নেই বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য নিশ্চিত করেছেন।

পরবর্তী খবর পড়ুন : নীলনকশা প্রস্তুত করছে ঐক্যফ্রন্ট


আরও পড়ুন

‘কাশ্মীর এখন কবরখানার মতো নীরব’

‘কাশ্মীর এখন কবরখানার মতো নীরব’

ভারতীয় মানবাধিকার আইনজীবী ভ্রিন্ডা গ্রোভার বলেছেন, কাশ্মীর এখন কবরখানার মতো ...

মুম্বাইয়ে ভেঙে পড়ল বহুতল ভবন; নিহত ২, নিখোঁজ অন্তত ১৫

মুম্বাইয়ে ভেঙে পড়ল বহুতল ভবন; নিহত ২, নিখোঁজ অন্তত ১৫

ভারতের মুম্বাই শহরতলির ভিওয়ান্ডিতে ভেঙে পড়েছে একটি বহুতল ভবন। শনিবার ...

জয়া এবার ভূত

জয়া এবার ভূত

ওপার বাংলার ছবিতে নানা ধরনের চরিত্র করেছেন জয়া আহসান। প্রসেনজিতের ...

টেকনাফে ওমর ফারুককে হত্যার পর রোহিঙ্গাবিরোধী বিক্ষোভ, ভাঙচুর

টেকনাফে ওমর ফারুককে হত্যার পর রোহিঙ্গাবিরোধী বিক্ষোভ, ভাঙচুর

রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা গত বৃহস্পতিবার রাতে টেকনাফে যুবলীগের এক নেতাকে নির্মমভাবে ...

ফিফায় বাংলাদেশের প্রথম দুই নারী রেফারি

ফিফায় বাংলাদেশের প্রথম দুই নারী রেফারি

বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে ফিফার রেফারি হলেন দুই সাবেক নারী ...

অধ্যাপক মোজাফফরের দাফন রবিবার কুমিল্লায়

অধ্যাপক মোজাফফরের দাফন রবিবার কুমিল্লায়

মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) ...

টেকনাফে যুবলীগ নেতা হত্যায় সন্দেহভাজন ২ রোহিঙ্গা ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

টেকনাফে যুবলীগ নেতা হত্যায় সন্দেহভাজন ২ রোহিঙ্গা ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

কক্সবাজারের টেকনাফে  যুবলীগ সভাপতি ওমর ফারুক হত্যায় অভিযুক্ত দুই রোহিঙ্গা ...

গ্রেনেড হামলার মূলপরিকল্পনাকারীরা সর্বোচ্চ শাস্তি পাবে: কাদের

গ্রেনেড হামলার মূলপরিকল্পনাকারীরা সর্বোচ্চ শাস্তি পাবে: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল ...