রাজনীতি

  • বড় জয় পাবে আওয়ামী লীগ

    বড় জয় পাবে আওয়ামী লীগ

  • ভোট দিয়ে সরকার পতন করবে জনগণ : মির্জা ফখরুল

    ভোট দিয়ে সরকার পতন করবে জনগণ : মির্জা ফখরুল

  • ‘ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা মনোনয়ন বাণিজ্যের বহিঃপ্রকাশ’

    ‘ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা মনোনয়ন বাণিজ্যের বহিঃপ্রকাশ’

  • নৌকার বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না : নাসিম

    নৌকার বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না : নাসিম

  • দেশের ১৮ কোটি মানুষকে সোচ্চার হতে হবে: ড. কামাল

    দেশের ১৮ কোটি মানুষকে সোচ্চার হতে হবে: ড. কামাল

কোন পথে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ ? পর্ব-৩

প্রকাশ: ১২ জুন ২০১৮     আপডেট: ১২ জুন ২০১৮

কামরুজ্জামান রনি, ব্যুরো প্রধান, চট্টগ্রাম।

আগামী সংসদ নির্বাচনে জনমত নৌকার পক্ষে টানতে চট্টগ্রাম মহানগরের ছাত্রলীগের কর্মীরা কতটুকু প্রস্তুত ? এই সময়ে কোন পথে চলছে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ ? ঐক্য নাকি বিভাজন ? এমন কিছু বিষয় নিয়ে চট্টগ্রামের সাবেক ও বর্তমান ছাত্রনেতার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ প্রেস। খুঁজে বের করতে চেষ্ঠা করেছে বর্তমান চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের গতিপথ। চিহ্নিত করতে চেয়েছে সমস্যার মূল কারণ। আজ প্রকাশিত হলো এর তৃতীয় পর্ব।

আজিজুর রহমান আজিজ : চট্টগ্রামের এই মেধাবী ছাত্রনেতা কলেজ ক্যাম্পাস থেকে নিজ এলাকা ছাড়িয়ে আজ পুরো নগরিতে একটি জনপ্রিয় ছাত্রনেতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে । নগরির ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতির দ্বায়িত্ব লাভের পর নগর ছাত্রলীগের কমিটিতে শীর্ষ পদের আলোচনায় ছিলেন আজিজুর রহমান আজিজ। পরে সিরিয়র ছাত্র নেতা হিসেবে ডাক আসে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে। কেন্দ্রীয় কমিটিতে উপ-প্রচার সম্পাদকের দ্বায়িত্ব পালন করা এই সাবেক ছাত্রনেতা বরাবরই প্রয়াত এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর খুব কাছের প্রিয় ভাজনদের মধ্যে অন্যতম। মহিউদ্দিন চৌধুরীর স্নেহধন্য এই ছাত্রনেতা যে কোন আন্দোলন সংগ্রাম কিংবা কর্মসূচীতে বিশাল বিশাল জনসমাগম ঘটিয়ে বেশ নজর কাটতে সক্ষম হয়েছে।  ইতিমধ্যে তাকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বেসরকারী কারা পরিদর্শকের গুরুত্বপূর্ন দ্বায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এই সাবেক ছাত্রনেতা এখন পর্যন্ত তার ক্লিন ম্যান ইমেজকে ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। সেই সাথে প্রয়াত নেতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর একনিষ্ঠ অনুশারী হিসেবে পুরো নগরি জুড়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে তিনি ইতিমধ্যে আগামী দিনের সম্ভাবনাময় তরুন রাজনীতিবিদের স্থান অর্জন করে নিতে পেরেছেন। তার কাছে জানতে চাওয়া হলো চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের বর্তমান সাংগঠনিক অবস্থা কেমন বলে মনে করছেন ? জবাবে আজিজুর রহমান আজিজ জানালেন, চট্টগ্রাম মহানগরিতে ছাত্রলীগের সংগঠনিক অবস্থা শুধু ভালোই বলবো না, আমার মতে দেশের যে কোন শহরের চেয়ে বেশ সুসংগঠিত এবং সুদৃঢ় । তাদের সাংগঠনিক উল্লেখ যোগ্য কোন দিক বিবেচনা করে আপনি এমনটা মনে করছেন ? রাজধানী ঢাকার পর এই চট্টগ্রাম নগরি হলো রাজনীতির অন্যতম গুরুত্ব পূর্ণ কেন্দ্রস্থল। আপনারা যদি খেয়াল করে দেখেন, বিএনপি জামাতের পেট্রোল বোমা সন্ত্রাসে যখন সারাদেশ জুড়ে যখন জ্বালাও পোড়াও অরাজক অবস্থা। তখন চট্টগ্রাম মহানগর ছিলো তুলনা মূলক অনেক নিরাপদ নগরি। যার অন্যতম কারণ এই মহানগর ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা। তারা সুসংগঠিত ছিলো বলেই পুরো নগরি জুড়ে দিনরাত্রী জনগনের জান মালের নিরাপত্তা দিতে পাহারা দিয়েছে। নগরির শিবিরের মিনি ক্যান্টনমেন্ট খ্যাত চট্টগ্রাম কলেজ ও মহসিন কলেজে আজ শিক্ষা শান্তি প্রগতির পতাকা উড়ছে। শিক্ষার্থীদের দাবী আদায়ে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ ভূমিকা রাখছে। এসবকে বিবেচনায় আনলে বর্তমান সাংগঠনিক অবস্থাকে ভালো না বলার কারণ অন্তত আমি দেখি না। বেশ কিছু বিতর্কিত কর্মকান্ডের সাথে কিন্তু নগর ছাত্রলীগের অনেক নেতার নাম উঠে এসেছে, এসবকে কিভাবে দেখবেন ? দেখতে হবে অভিযোগ গুলো কতোটা সাংগঠনিক আর কতটা ব্যক্তিগত। কারো কারো ব্যাক্তিগত ভুল থাকতে পারে, আবার কাউকে ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে ভুল ভাবে উপস্থাপন করা হতে পারে সেক্ষেত্রে পুরো সংগঠনকে কালিমা লেপন করাটা ঠিক হবে না। অতীতে আমরা দেখেছি অনেক শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের ব্যানারে পুরো নগরিতে ত্রাসের রাজত্ব চালানো হতো। এখন কিন্তু সেই অভিযোগ নেই। কিন্তু সাম্প্রতিক বেশ কিছু অনুষ্ঠানে আমরা ছাত্রলীগের নিজেদের মধ্যে মারামারির ঘটনা দেখেছি, এসব কেন ঘটছে ? দু'একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা অবশ্যই ঘটেছে কিন্তু তার চেয়ে বেশী সফল জনক অনুষ্ঠানো আয়োজিত হয়েছে। আমি তাই বলে বলছিনা দু'একটি ঘটনা ঘটলে ক্ষতি নেই। আমার মতে ছাত্রলীগের মূল নীতির একটিই হলো "শান্তি"। যেখানে শান্তির কথা বলা আছে সেখানে অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি হওয়াটা কাম্য নয়। যে কয়েকটি বিছিন্ন ঘটনার কথা বলছেন সেগুলো মূলত নিজেদের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝি থেকে সৃষ্ট। এটি একটি পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও ঘটে। কিন্তু বেশ কিছু হত্যাকান্ডের পেছনে নগর ছাত্রলীগের অভ্যন্তরিন কোন্দলকে দায়ী করা হয় কেন? যে সকল হত্যাকান্ডকে ছাত্রলীগের অভ্যন্তরিন কোন্দল বলা হচ্ছে সেগুলোতে জড়িতরা আসলে কতটুকু প্রকৃত ছাত্রলীগ সেই বিষয়ে আমার সন্দেহ আছে। সেই সকল হত্যায় যারা আটক হয়েছে কিংবা অভিযুক্ত তারা সম্ভবত কেউই ছাত্রলীগের কোন পর্যায়ের নেতা ছিলো না। তবে হ্যা কিছু নব্য ছাত্রলীগের নাম ভাঙ্গানো কিছু তরুন ছেলের নাম এসেছে যাদের সুনির্দ্দিষ্ট কোন সাংগঠনিক প্লাট ফর্ম নেই। হয়তো কোন ব্যাক্তি বা গোষ্ঠির নিয়ন্ত্রনে তারা ছাত্রলীগের নাম পরিচয় বহন করে কিন্তু খোঁজ নিলে দেখা যাবে তারা সাম্প্রতিক সময়ে দলে ভিড়েছে। নগরির ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের মধ্যে কতটুকু ঐক্য আছে বলে আপনি মনে করেন ? যদি সাংগঠনিক ঐক্যের কথা বলি তাহলে এখানে অনৈক্যের সুযোগ নেই। কিন্তু আমরা তো আলাদা ব্যানারে পৃথক আয়োজন দেখতে পাই, এটা কেন হচ্ছে ? বাংলাদেশ ছাত্রলীগ একটি বিশাল সংগঠন, এখানে সবার মতের মিল হবে তা কিন্তু নয়। আর আয়োজনের ব্যাপারে বললে এলাকা ভিত্তিক সাংগঠনিক কর্মসূচী অনেকেই পালন করতে চায় এবং সেটা কর্মীদের উদজীবিত করার সার্থে করা হয়। সেক্ষেত্রে কারো কারো মতের মিল না হওয়ায় হয়তো আলদা কর্মসূচী পালিত হয়। আপনি যেহেতু একটি কলেজের সর্বশেষ কমিটির সভাপতি, তা নগরির কলেজ গুলোতে ছাত্রলীগের কমিটি কেন হচ্ছে না ? আমি যদি আমার ইসলামিয়া কলেজের কথা বলি তাহলে বলবো কেন্দ্র থেকে যদি নির্দেশ দেয় আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন সেখানে সম্ভব। আপনারা জানেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে কলেজ কমিটি গঠনের ক্ষেত্রেও কিছু নির্দেশনা দেয়া হয়েছিলো। ফলে আমরা চাইলেও সম্মেলন করতে পারছিনা। তবে কমিটি নেই বলে কিন্তু সাংগঠনিক কর্মকান্ড কোথাও থেমে নেই। বরং বর্তমানে ক্যাম্পাস গুলোতে ছাত্রলীগের নেতৃত্বে বেশ ঘটা করেই নানান দিবস ও উপলক্ষ্যে কর্মসূচী পালিত হয়। তবে হ্যা, প্রতিটি নেতা কর্মীদের একটি স্বপ্ন থাকে ছাত্রলীগের মতন গৌরব উজ্জ্বল একটি সংগঠনের নেতৃত্ব দেয়ার। সেই জন্য আমি ব্যাক্তিগত ভাবে চাই দ্রুত সকল কলেজ গুলোতে ছাত্রলীগ ও ছাত্র সংসদ নির্বাচন হোক। নতুন নেতৃত্ব উঠে আসুক, ছেলেরা নিজ যোগ্যতা প্রমানের সুযোগ পাক। বলা হয় চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ বিভিন্ন গ্রুপ, উপ গ্রুপে বিভক্ত, এসবের মাঝে কমিটি গঠন কিভাবে সম্ভব ? আমি বিশ্বাস করি ছাত্রলীগের আদর্শ একজন, তিনি জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু। আর যারা প্রকৃত অর্থে ছাত্রলীগ করে তারা সংগঠনের চেইন অব কমান্ড মানতে বাধ্য। হয়তো সবাইকে তো আর পদ দেয়া সম্ভব না। সেক্ষেত্রে সংগঠনের সার্থে কিছুটা ছাড় তো দিতেই হবে। আমার একান্ত বিশ্বাস গ্রুপিং বা তেমন কিছু কমিটি গঠনে বিঘ্ন ঘটাবে না। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে নগর ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা কেমন ভূমিকা রাখবে বলে আপনি মনে করেন ? যদি ভোটের হিসেবে আসি তাহলে ভোটারের পরিসংখ্যান বলছে এবার নির্বাচনেও নবীন ভোটারেরা একটি উইনিং ফেক্টর হতে পারে। আর বর্তমান প্রজন্মের মাঝে স্বাধীনতার স্বপক্ষে গনজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে যা এই বাণিজ্যিক রাজধানীতেও দেখা যাবে। বিগত দিনে আমরা নগর জুড়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে যে জনমত সৃষ্টি করেছিলাম তাতে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা অগ্রভাগেই ছিলো। ফলে আগামী নির্বাচনে সেই জনমতকে নৌকার পক্ষে আনার কাজটাতেও ছাত্রলীগ ভূমিকা রাখতে পারবে বলে আমি মনে করি। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে এখন থেকে কি পদক্ষেপ নেয়া উচিত ? জাতীয় নির্বাচন একটি টিম ওয়ার্কের ব্যাপার। সেখানে ছাত্রলীগ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অংগ সংগঠন হিসেবে সহযোগীর ভূমিকা রাখে। তাই আমার মতে নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে আবারো নির্বাচিত করার লক্ষ্যে আমাদের ছাত্রলীগের ভাই বোনদের প্রধানতম কাজটি করা উচিত তা হলো প্রতিটি ঘরে ঘরে বর্তমান সরকারের উন্নয়নের বার্তা পৌছে দেয়া। সেই সাথে জননেত্রী বাংলাদেশকে প্রকৃত সোনার বাংলায় পরিণত করতে যে রুপকল্প গ্রহণ করেছে সেই ভিশন গুলো উপস্থাপন করা। প্রতিটি ঘরে ঘরে যদি আমাদের কর্মী ভাই বোনেরা এই কাজটুকু এখন থেকে চলমান রাখে তাহলে আমার বিশ্বাস নির্বাচনকালীন প্রচারনার সময় তা কাজে আসবে। আর একটি বিষয়ের ওপর আমি জোর দিতে চাই তা হলো ছাত্রলীগের সকল পর্যায়ের নেতা কর্মীকে সকল ভেদাভেদ, মান অভিমান ভুলে জাতীর জনকের কন্যার বিশ্বস্থ ভ্যানগার্ডের ভূমিকা নিতে হবে। কারণ বিশ্বে তিনিই একমাত্র নারী নেত্রী যার ওপর সবচেয়ে বেশী আঘাত এসেছে। আমাদের প্রজম্ম ৭১ দেখেনি, ৭৫ এর ১৫ই আগষ্ট দেখেনি কিন্তু ২১ আগষ্টের তান্ডব আমরা কিছুটা দেখতে ও বুঝতে পেরেছি। তাই এই ছাত্রলীগই পারে আমাদের মহান নেত্রীর শক্তি হিসেবে মাঠে, ঘাটে কাজ করতে। এই তারুণ্যের শক্তিই পারবে সকল অপশক্তিকে দূর করে দেশকে এগিয়ে নিতে। আমার বিশ্বাস, চট্টগ্রামের ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা সেটা করে দেখানোর যোগ্যতা রাখে। আমাদের দীর্ঘক্ষন ধরে সময় দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে এবং বাংলাদেশ প্রেস পরিবারকে এমন সময় উপযোগী বিষয়ের ওপর আলোচনার ক্ষেত্র তৈরী করে দেয়ায় আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। 

আগামী পর্বে পড়ুন : ইমরান আহমেদ ইমু, সভাপতি, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ। 


কোন পথে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ ? পর্ব- ১ 


আরও পড়ুন

বগুড়ায় মির্জা ফখরুলের পক্ষে প্রচারণা শুরু

বগুড়ায় মির্জা ফখরুলের পক্ষে প্রচারণা শুরু

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে ...

চার নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থাকে চায় না আওয়ামী লীগ

চার নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থাকে চায় না আওয়ামী লীগ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে চার দেশীয় পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন ...

ভোট দিয়ে সরকার পতন করবে জনগণ : মির্জা ফখরুল

ভোট দিয়ে সরকার পতন করবে জনগণ : মির্জা ফখরুল

আওয়ামী লীগ ভোট চুরি করার চেষ্টা করতে পারে, তাই সকলকে ...

‘ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা মনোনয়ন বাণিজ্যের বহিঃপ্রকাশ’

‘ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা মনোনয়ন বাণিজ্যের বহিঃপ্রকাশ’

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়ি বহরে হামলার ঘটনা মনোনয়ন বাণিজ্যের ...

নৌকার বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না : নাসিম

নৌকার বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না : নাসিম

স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, এবারের নির্বাচনে নৌকার বিজয় কেউ ঠেকাতে ...

ময়মনসিংহ-৭; মাদানীকে সমর্থন দিলেন রওশন এরশাদ

ময়মনসিংহ-৭; মাদানীকে সমর্থন দিলেন রওশন এরশাদ

ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী রুহুল আমীন মাদানীকে সমর্থন ...

দেশের ১৮ কোটি মানুষকে সোচ্চার হতে হবে: ড. কামাল

দেশের ১৮ কোটি মানুষকে সোচ্চার হতে হবে: ড. কামাল

দেশের মালিকানা জনগণের কাছে ফিরিয়ে আনতে ঐক্যফ্রন্টকে বিজয়ী করতে হবে ...

‘সরকার বদলের অস্থিরতা থাকলে উন্নয়ন হয় না’

‘সরকার বদলের অস্থিরতা থাকলে উন্নয়ন হয় না’

সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেছেন,‘ধর্মের নামে মানুষকে বিভ্রান্ত করা একজন ধার্মিকের ...