রাজনীতি

  • দোষ স্বীকার করায় রিজভীকে তেড়ে গেলেন নেতারা

    দোষ স্বীকার করায় রিজভীকে তেড়ে গেলেন নেতারা

  • সিলেটে ছাত্রদলের মিছিলে হামলার ঘটনায়

    সিলেটে ছাত্রদলের মিছিলে হামলার ঘটনায়

  • ‘জনপ্রিয়তা-তৃণমূলের মূল্যায়ন বিবেচনায় মনোনয়ন’

    ‘জনপ্রিয়তা-তৃণমূলের মূল্যায়ন বিবেচনায় মনোনয়ন’

  • আজও পলাশীর পদধ্বনী শোনা যাচ্ছে : মোস্তফা

    আজও পলাশীর পদধ্বনী শোনা যাচ্ছে : মোস্তফা

  • মোংলায় আওয়ামী লীগের ৬৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত

    মোংলায় আওয়ামী লীগের ৬৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত

কোন পথে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ ? পর্ব-২

প্রকাশ: ১১ জুন ২০১৮     আপডেট: ১১ জুন ২০১৮

কামরুজ্জামান রনি, ব্যুরো প্রধান, চট্টগ্রাম

আগামী সংসদ নির্বাচনে জনমত নৌকার পক্ষে টানতে চট্টগ্রাম মহানগরের ছাত্রলীগের কর্মীরা কতটুকু প্রস্তুত ? এই সময়ে কোন পথে চলছে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ ? ঐক্য নাকি বিভাজন ? এমন কিছু বিষয় নিয়ে চট্টগ্রামের সাবেক ও বর্তমান ছাত্রনেতার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ প্রেস। খুঁজে বের করতে চেষ্ঠা করেছে বর্তমান চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের গতিপথ। চিহ্নিত করতে চেয়েছে সমস্যার মূল কারণ। আজ প্রকাশিত হলো প্রকাশিত হলো এর দ্বিতীয় পর্ব।



ইয়াসির আরাফাত : চট্টগ্রামের সন্তান এই ছাত্রনেতার ছাত্র রাজনীতি চট্টগ্রাম মহানগরের মাটিতে। তবে ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদকের দ্বায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা আছে তার সাফল্যের ঝুলিতে। শুরু থেকেই চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ জ ম নাছিরের অনুসারি এই ছাত্রনেতা চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের মেয়র পন্থি নেতা কর্মীদের সংগঠিত করে নানান কর্মকান্ড কান্ডের মাধ্যমে নিজের একটি ইমেজ তৈরী করে নিতে সক্ষম হয়েছেন। তার কাছে জানতে চাওয়া হলো চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের বর্তমান সাংগঠনিক অবস্থা কেমন বলে মনে করছেন ? জবাবে ইয়াছির আরাফাত জানালেন, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সংগঠনিক অবস্থা নিকট অতীতের চেয়ে অনেকটা ভালোর পথে। নিকট অতীতের চেয়ে ভালো পথে বলতে কি বোঝাতে চেয়েছেন আর এখন ভালোর পথে হলে আগে কোন পথে ছিলো ?  আসলে আপনারা সবই জানেন। ইতিপূর্বে চট্টগ্রাম মহানগরে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা কোন কর্মসূচী ঐক্যবদ্ধ করতে পারিনি। কিন্তু সাম্প্রতি এই পবিত্র রজমান মাসে আমরা ঐক্যবদ্ধ ভাবে দোয়া ও ইফতার মাহফিল করতে পেরেছি। এটা অবশ্যই চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সাফল্য। তাই আমার মনে হচ্ছে এই ধারা অব্যহত থাকলে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ অবশ্যই একটি শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে। আমরা জানি আপনারা যারা মেয়র নাছির উদ্দিনের অনুসারি তাদের সাথে বর্তমান নগর ছাত্রলীগের কমিটির মূল ধারার মাঝে একটা দ্বন্দ কাজ আছে সেটার কারন কি ?  এই প্রশ্নের উত্তরে ইয়াছির আরাফাত বলেন, আ জ ম নাছির উদ্দিন কেবল আমাদের নেতা নন। তিনি চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আওয়ামী পরিবারের সকল অঙ্গ সংগঠনেরই অভিভাবক। এখন কেউ যদি তাঁকে অবমাননা করে, শিষ্ঠাচার বহির্ভূত ভাবে নানান আপত্তিজনক অপপ্রচার চালায় তাহলে কি তা মেনে নেয়া যায় ? চট্টগ্রাম মহানগর কমিটিতে বিভিন্ন পদে আমাদের যেসকল ভাইয়েরা আছে ইতিপূর্বে তাদেরকে সেভাবে কর্মসূচী গুলোতে ডাকা হতো না। এমনকি সংগঠনের নিয়ম রিতি না মেনে যেমন খুশী কর্মসূচী ঘোষনা করা হতো। ফলে বাধ্য হয়ে আমাদেরো আলাদা সূচী পালন করতে হতো। এবং নগরির প্রতিটি ওয়ার্ড থেকেই আমাদের ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদেরো তেমন দাবী থাকে। শিষ্ঠাচার বহির্ভূত কর্মকান্ড কিংবা শীর্ষ আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে আপনারাও তো বিভিন্ন সময় অপপ্রচার কিংবা পালটা তীর্যক মন্তব্য করেছেন। দেখুন আমাদের নেতা কর্মীরা কখনোই পারত পক্ষে কারো সাথে অন্যায় তর্কে জড়াতেও চায় না। এখন যেমন ধরুন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে কেউ যদি একের পর এক অপপ্রচার চালিয়ে যায় তখন কেউ কেউ যদি এতে প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং সেটা পরিস্থিতির কারণেই সৃষ্ট। এখন দেখার বিষয় বিবাদ বা কলহের উৎপত্তিটা কোথাই ? কে বা কারা দল ও সরকারের ভাবমুর্তিকে বারবার ক্ষুন্ন করতে অপপ্রচার চালাচ্ছে সেটা নগরবাসি যেমন জানে আপনারাও জানেন। এই কাঁদা ছুড়াছুড়ি বন্ধ করা যায় কিভাবে এসবের মূল কারণ কি বলে আপনি মনে করেন ? প্রথমত আমি যেকোন প্রকার বিভক্তি ও বিবাদকে সমর্থন করি না। আমার তো মনে হয় সাম্প্রতি একটি ক্ষুদ্র অংশ কোন ব্যক্তি বিশেষের হয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে অপপ্রচারে লিপ্ত আছে। আর যারা এসব করছে তাদের বিষয়ে কেন্দ্রে বরাবরই জানানো হয়েছে। আমাদের চট্টগ্রামের কেন্দ্রীয় নেতারা এসব বিষয় বিভিন্ন সময় তুলেও ধরেছে। এবং ইতিমধ্যে কেন্দ্র থেকে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্নের সাথে যেই জড়িত থাক তার বিরুদ্ধে কঠোর স্বিদ্ধান্ত নেয়ার শুরু করে দিয়েছে। কারো ব্যাক্তিগত কর্মকান্ডের দায় সংগঠন আর বহন করতে পারে না। আর আমি মনে করি যে বা যারাই ছাত্রলীগের সাথে জড়িত হবে তাদের প্রত্যেককে অবশ্যই দলীয় শৃংখলা ও আনুগত্য মেনে চলতে হবে। এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগ যেহেতু একটি আদী সংগঠন এই সংগঠনের কিছু রিতি রেওয়াজ আছে যেগুলো আমাদের পূর্বে যারা ছিলেন তারাও মান্য করেছেন এবং আগামীতে যারাই ছাত্রলীগের সাথে কাজ করবে তারাও মেনে চলবে। আর সব চেয়ে প্রয়োজন হলো সম্মিলিত ভাবে সৌহাদ্যপূর্ণ মনোভাব নিয়ে সংগঠনে কাজ করা। দিন শেষে যেনো আমাদের একটাই পরিচয় থাকে আমরা চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ। আপনি কি মনে করেন  এখানে ব্যক্তি কেন্দ্রীক ছাত্রলীগ পরিচালনার সুযোগ আছে ? দেখুন ব্যক্তি উদ্যেগে বিভিন্ন কর্মসূচী পালন হতেই পারে। কিন্তু আমি যখন সংগঠনের নীতি নির্ধারনী কোন দ্বায়িত্বে থাকবো তখন অবশ্যই আমাকে দ্বায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। ব্যক্তি তার একক স্বিদ্ধান্তে পুরো সংগঠনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে না। তাই আমি মনে করি আমরা একই শহরের, একই আদর্শের মানুষ। আমাদের মধ্যে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দিতা থাকবে কিন্তু প্রতিহিংসা কেন থাকবে ? আমার ব্যক্তিগত ভাবে কাউকে অপছন্দ থাকতেই পারে কিন্তু সেটার জন্যে আমি সংগঠনের অন্যান নেতা কর্মীদের বিভ্রান্ত করতে পারিনা। এসব বিভ্রান্তি আর দূরত্বের কারণে আমরা অনেক পিছিয়ে ছিলাম। আশাকরি আগামীতে সকল ভেদাভেদ ভুলে উদার মানসিকতা নিয়ে কাজ করলে এমন পরিস্থিতি আর থাকবে না। আগামী জাতীয় নির্বাচনে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ কতোটা ভূমিকা রাখতে পারবে বলে আপনি মনে করেন ?  আমার বিশ্বাস যারা সত্যিকার অর্থে ছাত্রলীগ করে তারা সকলেই সংগঠনের নিবেদিত প্রাণ। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ ভাবে নৌকার পক্ষে কাজে নামি তাহলে পুরো চট্টগ্রামে গন জোয়ার সৃষ্টি করা অবশ্যই সম্ভব এবং ইতিমধ্যে জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মে নগরির চিত্র পালটে গেছে। এতো উন্নয়ন নগর বাসী অতীতে কখনো দেখেছি। তাই আমার বিশ্বাস নগরবাসি নৌকার ওপর আস্থা রাখেন। যার ফল ব্যালটের দ্বারাই প্রমান হবে। আমাদের সময় দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। এমন গুরুত্বপূর্ন এবং সময় উপযোগী বিষয় তুলে ধরায় বাংলাদেশ প্রেস এবং আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।  


আগামী পর্ব গুলোতে পড়ুন : আজিজুর রহমান আজিজ, সাবেক উপ-প্রচার সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি। ইমরান আহমেদ ইমু, সভাপতি, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ। 


কোন পথে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ ? পর্ব- ১


আরও পড়ুন

নির্বাচন থেকে সরে যেতে পারেন হাসান উদ্দিন সরকার

নির্বাচন থেকে সরে যেতে পারেন হাসান উদ্দিন সরকার

অনেক প্রতীক্ষার অবসান শেষে আগামী ২৬ জুন সংগঠিত হতে যাচ্ছে ...

শেষ পর্যন্ত ম্যাচটা জার্মানি ২-১ গোলে  জিতেছে

শেষ পর্যন্ত ম্যাচটা জার্মানি ২-১ গোলে জিতেছে

সুইডেনের সঙ্গে প্রথমার্ধ শেষে পিঠ দেয়ালে ঠেকে আছে জার্মানির। সুইডেন ...

৯২৫  কিলোমিটার  অংশ খননরে উদ্যোগ নয়িছেে পানি উন্নয়ন র্বোড

৯২৫ কিলোমিটার অংশ খননরে উদ্যোগ নয়িছেে পানি উন্নয়ন র্বোড

সুনামগঞ্জের হাওরবাসীর সুবিধার স্বার্থে ১১টি উপেজলায় দুই হাজার কােটি টাকা ...

দোষ স্বীকার করায় রিজভীকে তেড়ে গেলেন নেতারা

দোষ স্বীকার করায় রিজভীকে তেড়ে গেলেন নেতারা

বিএনপি যে পরনির্ভরশীল দল তা নিজ মুখেই স্বীকার করে নিলেন ...

রাণীনগরে গৃহবধুকে হত্যার উদ্দেশ্যে বস্তাবন্দি করে পুকুরে নিক্ষেপ

রাণীনগরে গৃহবধুকে হত্যার উদ্দেশ্যে বস্তাবন্দি করে পুকুরে নিক্ষেপ

নওগাঁর রাণীনগরে অন্তসত্তা গৃহবধুকে স্বামীর স্বজনরা বেধর মারপিট করে অচেতন ...

মিয়ানমারকে আল্টিমেটাম দিল হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত

মিয়ানমারকে আল্টিমেটাম দিল হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত

আইসিসি'র এই কৌসূলী প্রায় তিন মাস আগে আট লাখের বেশি ...

জনসভায় গ্রেনেড হামলার

জনসভায় গ্রেনেড হামলার

ইথিওপিয়ার নতুন সংস্কারপন্থী প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদের একটি জনসভায় গ্রেনেড হামলার ...

‘জনপ্রিয়তা-তৃণমূলের মূল্যায়ন বিবেচনায় মনোনয়ন’

‘জনপ্রিয়তা-তৃণমূলের মূল্যায়ন বিবেচনায় মনোনয়ন’

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণের ভোটের ...