রাজনীতি

  • নড়িয়ায় শামীমের পক্ষে ও নৌকার   সমর্থনে হিন্দু সম্প্রদায়ের কর্মী সভা

    নড়িয়ায় শামীমের পক্ষে ও নৌকার সমর্থনে হিন্দু সম্প্রদায়ের কর্মী সভা

  • বহু নাটকীয়তার পরে ঐক্যফ্রন্ট ছেড়ে যাচ্ছেন অলি !

    বহু নাটকীয়তার পরে ঐক্যফ্রন্ট ছেড়ে যাচ্ছেন অলি !

  • তারেকের বিরুদ্ধে ইসি কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় দেশবাসী বিস্মিত

    তারেকের বিরুদ্ধে ইসি কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় দেশবাসী বিস্মিত

  • মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন অধ্যক্ষ গোপাল

    মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন অধ্যক্ষ গোপাল

  • জনমতের প্রতি আস্থাহীন বিএনপির যুক্তরাষ্ট্রে লবিস্ট নিয়োগ

    জনমতের প্রতি আস্থাহীন বিএনপির যুক্তরাষ্ট্রে লবিস্ট নিয়োগ

কোন পথে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ ? পর্ব- ১

প্রকাশ: ১০ জুন ২০১৮     আপডেট: ১০ জুন ২০১৮

কামরুজ্জামান রনি, ব্যুরো প্রধান, চট্টগ্রাম।

স্বাধীনতার আগে ও পরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে চট্টগ্রামের একটি গৌরব উজ্জ্বল ইতিহাস রয়েছে। সেই বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনে মাস্টারদা সূর্য্যসেন আর প্রীতিলতার চট্টগ্রামকে বলা হয় বীরচট্টলা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবেুর রহমানের উপস্থিতিতে চট্টগ্রামের বীর জনতাই ৬ দফার পক্ষে লালদিঘী মাঠে প্রকাশ্য জনমত গঠন শুরু করে। এই চট্টগ্রামের মাটি থেকেই স্বাধীনতা ঘোষনা পাঠ করা হয়েছিলো। স্বাধীনতার পর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে এই চট্টগ্রাম অগ্রনী ভূমিকা পালন করেছে।

এই সকল লড়াই সংগ্রামে চট্টগ্রামের ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা বরাবরই ছিলো সামনের কাতারে। জহুর আহম্মেদ চৌধুরী, এমএ হান্নান, এমএ আজিজ, এম এ মান্নান, এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর মতন প্রয়াত নেতাদের রাজনীতির হাতে খড়ি এই ছাত্রলীগের হাত ধরেই। বর্তমানে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ পদে থাকা মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, খোরশেদ আলম সুজন, সিটি মেয়র আ,জ,ম নাছির উদ্দিন, শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধূরী, মশিউর রহমানের মতন নেতারা স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে চট্টগ্রাম মহানগর ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের তুখোড় ছাত্রনেতা ছিলেন। বলা হয় যেখানে নেতা বেশী সেখানে বিভক্তির সংখ্যাও বেশী। যেমনটা এখন চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের মাঝে দেখা যাচ্ছে। চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ সুস্পষ্টত দুটি ধারায় বিভক্ত। একটি সদ্য প্রয়াত এবিএম মহিউদ্দিন চৌধূরীর অনুসারী আর অপরটি সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারিরা নিয়ন্ত্রন করে। এসব গ্রুপ গুলোর মধ্যে একাধিক উপ দলীয় গ্রুপও রয়েছে। ফলে কথায় কথায় ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা বিবাদে জড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। এমন বিবাদ আর সংঘর্ষের বলি হয়েছে অনেক ছাত্রলীগের নেতা কর্মী । সেই সাথে শীর্ষ পদের বেশ ক'জন ছাত্রলীগ নেতার কিছু অনাকাংখিত কর্মকান্ডের খবর শিরোনাম হয়েছে। এসবের পরো অসাম্প্রদায়িক ও স্বাধীনতা স্বপক্ষের শক্তি হিসেবে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ এখনো বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের সবচেয়ে বৃহৎ ছাত্র সংগঠন। চলতি রমজান মাসে মহানগর ছাত্রলীগের দোয়া ও ইফতার অনুষ্ঠানে প্রথম বারের মতন প্রয়াত মহিউদ্দিন ও নাছির উদ্দিনের অনুসারিদের একত্রে অংশ নিতে দেখা গেছে। এতে করে অনেকের মতে সাংগঠনিক ভাবে ঐক্যবদ্ধ ভাবে আরো শক্তিশালী হচ্ছে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ। তবে এসবের মাঝেও বিভিন্ন ইস্যুতে কাঁদা ছোড়াছুড়িও থেমে নেই। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে বর্তমান সিটি মেয়রকে ইংগিত করে নানান তীর্যক স্টাটাস যেমন দেখা যাচ্ছে তেমন বাদ পড়ছে না প্রয়াত বর্ষিয়ান নেতা মহিউদ্দিনের নামের কুৎসা রটনা। আর এসবের মাঝেই আর মাত্র কয়েক মাস পরেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় নির্বাচন।

আগামী সংসদ নির্বাচনে জনমত নৌকার পক্ষে টানতে ছাত্রলীগের কর্মীরা কতটুকু প্রস্তুত ? এই সময়ে কোন পথে চলছে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ ? ঐক্য নাকি বিভাজন ? এমন কিছু বিষয়ে চট্টগ্রামের সাবেক ও বর্তমান ছাত্রনেতার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ প্রেস। খুঁজে বের করতে চেষ্ঠা করেছে বর্তমান চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের গতিপথ। চিহ্নিত করতে চেয়েছে সমস্যার মূল কারণ। আজ প্রকাশিত হলো প্রকাশিত হলো এর প্রথম পর্ব।

হাসান মনসুর : স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে অংশ নেয়া সাবেক ছাত্রলীগ নেতা। আন্দোলন করতে গিয়ে একাধিকবার করেছেন কারাবরণ। রাজনীতির মাঠে দুই যুগ পেরোনো এই সাবেক ছাত্রনেতা নগরির কোতোয়ালী থানা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দ্বায়িত্ব পালন করেছে । সদ্য প্রয়াত এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ঘরানার মানুষ হিসেবে আজো নিয়মিত কাজ করে চলেছেন। সবর আছেন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে। ইতিমধ্যে অনলাইন এক্টিভিস্টদের নিয়ে গড়ে তুলেছেন অনলাইন ফোরাম। তার কাছে জানতে চাওয়া হলো চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের বর্তমান সাংগঠনিক অবস্থা কেমন বলে তিনি মনে করছেন ?  জবাবে হাসান মনসুর জানালেন, চট্টগ্রাম মহানগর ঐতিহ্যগত ভাবে ছাত্রলীগের একটি দূর্জয় ঘাঁটি। বর্তমানেও চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সংগঠনিক অবস্থা নিসন্দেহে অনেক ভালো এবং শক্তিশালী বলেই আমি মনে করি। কেন এমনটা মনে করছেন ? জানতে চাইলে হাসান মনসুর জানান, বর্তমান চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের কমিটি ইমু-রনি'র নেতৃত্বে ছাত্র বান্ধব যে সকল আন্দোলন পরিচালিত হয়েছে তা কেবল চট্টগ্রাম মহানগরিতেই নয় সারাদেশ ব্যাপি আলোড়ন তুলতে পেরেছে। এমনটা আগে কখনো হয়েছিলো কিনা আমার জানা নেই। রনি তো এখন অব্যহতি নিয়েছে, তার অবর্তমানে কি সেই ধারা অব্যহত আছে কিনা ? চাইলে হাসান মনসুর বলেন, "রাজনীতি একটি চলমান প্রক্রিয়া। রনি জামাত শিবিরের নীলনক্সার ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে সংগঠনের ভাবমূর্তির স্বার্থে স্বেচ্ছায় সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে অব্যহতি নিয়েছে। এটাও চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের ইতিহাসে একটি বিরল ঘটনা। আর রনির পরবর্তিতে যে এখন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দ্বায়িত্বে এসেছে সেও কিন্তু এই কমিটিরই পরিক্ষিত নেতা। ফলে হয়তো রনি দলীয় পদে নেই তবে সংগঠন তার নিজ গতিতেই এগিয়ে যাচ্ছে এবং যাবে। মহানগর ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা কতটুকু সুশৃংখল, তারা কি শিষ্ঠাচার মেনে চলছে বলে আপনি মনে করেন ?  অবশ্যই তারা সুশৃংখলা এবং সুসংগঠিত। এই কমিটির আমলেই সকল নির্বাচনে কমিটির নেতা কর্মীরা মহানগরের প্রতিটি জনপদে দলের প্রার্থীর পক্ষে নিরলস কাজ করেছে যা কেউ অস্বিকার করতে পারবে না। সর্বশেষ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মহানগর ছাত্রলীগের সকল নেতা কর্মীরা কেমন পরিশ্রম করেছে সেটা আপনারা গনমাধ্যম কর্মীরা নিজেরাও দেখেছে। আর শিষ্ঠাচার বিষয়টা অনেক ধরনের। এখন যারা ছাত্রলীগ করছে তারা আওয়ামী পরিবারেরই সন্তান। আওয়ামী লীগ নেতারা হচ্ছেন ছাত্রলীগের অভিভাবক। এখন পিতা পুত্রের মাঝে মান অভিমান থাকতেই পারে এটাকে শিষ্ঠাচারের লংঘন বলবো না। সাম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বর্তমান সিটি মেয়রকে নিয়ে কিছু তরুন ছেলেদের আপত্তি জনক স্টাটাস ও প্রচারনাকে আপনি কিভাবে দেখছেন আর এটা কি গ্রুপিং এর কারণেই ঘটছে ? এর জবাবে হাসান মনসুন বেশ জোরালো ভাবেই বললেন, প্রথমত কোন সিনিয়র নেতাকে উদ্দেশ্য করে ছাত্রলীগের কোন নেতার আপত্তিজনক স্টাটাসকে আমি ব্যাক্তিগত ভাবে সমর্থন করি না। তবুও সাম্প্রতি এমন বেশ কিছু বিষয় বেশ আলোচিত সমালোচিত হয়েছে যা আমার চোখেও পড়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মতন একটি বৃহত সংগঠনে ভিন্নমতের নেতা থাকবে, নেতাদের অনুশারিও থাকতে পারে এটা দোষের কিছু না। বরং এটা গনতন্ত্রের আরেকটি রুপ। এখন কারা এসব করছে সেটা দেখার পাশাপাশি তারা কেন এমন স্টাটাস দিচ্ছে সেটা খুঁজে দেখা জরুরী। কেন ছেলেরা তাদের অভিভাবক তুল্য নেতাকে নিয়ে বিষদগার করছে সেটা খুঁজতে গেলে দেখা যাবে ছাত্রলীগের মাঝে হয়ত অভিমান ছিলো যা ক্ষোভে পরিণত হয়ে এমন স্টাটাস হিসেবে বহিঃ প্রকাশ ঘটাচ্ছে। কি ধরণের ক্ষোভ, কেন এমন ক্ষোভ ? দেখুন ছেলেরা অভিমান করবে কিন্তু তাই বলে মা বাবা সন্তানকে কখনোই ছুড়ে ফেলে দিতে পারে না। তাদের শাসন যেমন করা উচিত তেমন সোহাগ পাওয়ার অধিকারো তাদের আছে। এখন দেখা যাচ্ছে নেতা যদি তার কর্মীদের দূরেই ঠেলে দিতে থাকে তাহলে সেখানে বিভক্তি দেখা দিতেই পারে। নেতা তার পরিক্ষিত নিবেদিত কর্মীদের মূল্যায়ন না করে কেবল মাত্র ব্যবসায়িক স্বার্থে রাতারাতি কাউকে নেতা বানাতে মরিয়া হয়ে উঠলে এর বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়াটাই স্বাভাবিক। যাদেরকে কখনো রাজপথে দেখি নাই, যারা কখনো সংগঠনের মিটিং মিছিলে ছিলো আজ তারাই নেতার পাশে স্থান পাচ্ছে। আর যারা সংগঠনের হাল ধরে আছে তাদেরকে নেতা কখনোই কাছে তো ডাকেই না বরং দূরে ঠেলে দিচ্ছেন। তাহলে কি আপনি বলতে চাচ্ছেন হাইব্রিডদের স্থান দিতেই নিবেদিত নেতাদের বঞ্চিত করা হচ্ছে আর সেই বঞ্চনা থেকেই ক্ষোভের জন্ম ? যদি সত্যি বলি তাহলে হ্যা, এখন তো সেটাই দেখতে পাচ্ছি। তাহলে এ থেকে উত্তরণের পথ কি ? উত্তরণের পথ নেতাদের কাছেই আছে আর তা হলো কাছে টেনে নেয়া। সন্তান ভুল করলে উনারা শুধরে নেবেন কিন্তু তাই বলে কাউকে নিশ্চিহ্ন করবেন কেন ? আর একত্রে বসতে দোষ কোথাই সেটাই তো বুঝতে পারছি না। যতোই দূরে ঠেলে দেয়া হবে ছেলেরা ততই বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠবে। আমার বিশ্বাস আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা খোলা মন নিয়ে এই ছাত্রলীগের ছেলেদের কাছে টেনে নিয়ে ঘরোয়া ভাবে বৈঠকে মিলিত হলে এসব ভুল বুঝাবুঝির অবসান ঘটানো কোন ব্যাপারই না। আর এর জন্য সর্বপ্রথমে নেতাদের পাশ পাশে থাকা হাইব্রিডদের আগাছা পরিষ্কার করতে হবে। কারণ এদের কারণে নেতারা বিভ্রান্ত হচ্ছেন এবং হাইব্রিডরা নিজেদের স্থান করে নিতেই ছাত্রলীগ থেকে শুরু করে প্রতিটি সংগঠনের নিবেদিত নেতাদের রাজনীতি থেকে সরানোর খেলায় মেতে উঠেছে যার নজির কিছুদিন আগেই নগরবাসি দেখেছেন। এই মূহুর্তে কাল বিলম্ব না করে উদার মন নিয়ে ছেলেদের পাশে ডেকে নিয়ে সকল ভেদাভেদ ভূলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার খুবই জরুরী। শেখ হাসিনার সরকারকে আগামীতে সরকারে আনার জন্যে এই ঐক্য খুবই জরুরী এবং উদ্যোগটা মুরব্বিদেরই নিতে হবে। আর সন্তানতূল্য ছাত্রলীগের নেতাদেরো অভিভাবকদের ডাকে সাড়াদিয়ে মান অভিমান ভুলে কাজ করা উচিত। আমাদের সময় দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। বাংলাদেশ প্রেস এবং আপনাকেও আমার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ।  


আগামী পর্ব গুলোতে পড়ুন : ইয়াছির আরাফাত, সাবেক সহ-সম্পাদক, ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি। ইমরান আহমেদ ইমু, সভাপতি, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ।  

পরবর্তী খবর পড়ুন : এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ


আরও পড়ুন

বিএনপি জামায়াতের আমলনামা-পূর্ণিমা রানীর কথা মনে কি পড়ে বাংলাদেশ!

বিএনপি জামায়াতের আমলনামা-পূর্ণিমা রানীর কথা মনে কি পড়ে বাংলাদেশ!

১৩ থেকে ১৪ বছরের দুরন্ত এক কিশোরী পূর্ণিমা রানী শীল। ...

তারেকের বিরুদ্ধে ইসি কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় দেশবাসী বিস্মিত

তারেকের বিরুদ্ধে ইসি কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় দেশবাসী বিস্মিত

দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি তারেক রহমান নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়ায় তার ...

ঐক্যের ঘরে তারেকের আঘাত - ভাংছে ঐক্যফ্রন্ট!

ঐক্যের ঘরে তারেকের আঘাত - ভাংছে ঐক্যফ্রন্ট!

আজব এক নাটক শুরু হয়েছে জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে।  পূর্বেকার ...

চট্টগ্রাম রাউজানে সুচিন্তার "জঙ্গীবাদ বিরোধী অালেম-ওলামা-শিক্ষার্থী সমাবেশ"

চট্টগ্রাম রাউজানে সুচিন্তার "জঙ্গীবাদ বিরোধী অালেম-ওলামা-শিক্ষার্থী সমাবেশ"

সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় পর্যায়ে অনুমোদিত সুচিন্তা বাংলাদেশ চট্টগ্রাম বিভাগীয় চ্যাপটারের ...

ভিডিও কনফারেন্সে তারেকের সাক্ষাৎকার নেয়া আচরণবিধি লঙ্ঘন নয়

ভিডিও কনফারেন্সে তারেকের সাক্ষাৎকার নেয়া আচরণবিধি লঙ্ঘন নয়

ভিডিও কনফারেন্সে তারেক রহমানের সাক্ষাৎকার নেয়া আচরণবিধি লঙ্ঘন নয়। এতে ...

স্কাইপেতে দলের সিনিয়র নেতাদের ধমকালেন তারেক!

স্কাইপেতে দলের সিনিয়র নেতাদের ধমকালেন তারেক!

স্কাইপেতে যুক্ত থেকে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত ...

নতুন করে আসছে মসলিন

নতুন করে আসছে মসলিন

প্রায় ৫০০ বছরের পুরোনো ঢাকার ঐতিহ্যের কথা আসলেই সবার আগে ...

সদা জাগ্রত দেশের সশস্ত্র বাহিনী

সদা জাগ্রত দেশের সশস্ত্র বাহিনী

একটি সার্বভৌম দেশের কাঠামোর অন্যতম অঙ্গ সেই দেশের সামরিক বাহিনী ...