অন্যান্য

মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কাছে গোপালগঞ্জ বাসীর প্রানের দাবি হাবিবুর রহমানকে (ডিএম পি) কমিশনার দেওয়া হউক

প্রকাশ: ১৪ আগস্ট ২০১৯     আপডেট: ১৪ আগস্ট ২০১৯

মোঃ তৈয়্যবুর হরমান (তুহিন) চরফ্যাশন ভোলা

বাংলাদেশ পুলিশের উজ্জ্বল নক্ষত্র ডিআইজি হাবিবুর রহমান  শুধু তার ব্যক্তি সত্তাকেই নয় বরং পুরো বাহিনীর অবয়বকে একটি গ্রহণযোগ্য অবয়বে সমুন্নত করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন সব সময়। হাবিবুর রহমান বিপিএম (বার), পিপিএম। ঢাকা রেঞ্জ (ডি আই জি) একজন পেশাদার ও সফল পুলিশ কর্মকর্তা। পুলিশি গুরুদায়িত্ব পালনে সাফল্যের স্বীকৃতি ছাড়াও মানুষের জন্য কাজ করা ব্যতিক্রম ধর্মী চিন্তা ও অনবদ্য ভূমিকা তাকে দিয়েছে বিশেষ খ্যাতি। জনবান্ধব পুলিশের এক অনন্য পথিকৃৎ। জনমনে প্রশংসিত এক কিংবদন্তি। ডিআইজি হাবিবুর রহমান  পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছেন তার মানবিক মূল্যবোধ, প্রজ্ঞা ও সমাজ কল্যাণকর উদ্যোগের মাধ্যমে। তার উদ্যোগ মানব কল্যাণে অনন্য দৃষ্টান্ত রেখেছে। মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে গড়ে তুলেছেন উত্তরণ ফাউন্ডেশন।  অপরাধমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে পুলিশি দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হাবিবুর রহমান তার মেধা, মনন ও আন্তরিকতা দিয়ে সমাজ বিশ্লেষণ করেছেন। অপরাধ সীমান্তে বসবাসরত অনগ্রসর বিশেষ মহলের অন্ধকার জীবন ধারার সামনে সূচনা করেছেন আলোকিত পথ। তাদের করেছেন আলোর পথযাত্রী। নিজে হয়েছেন আলোকবর্তিকা। ডিআইজি ও উত্তরণ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমানের স্বকীয় প্রচেষ্টায় পুলিশ সম্পর্কে সমাজের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিকে পাল্টে দিয়েছেন।

প্রশংসিত করেছেন সমকালীন পুলিশের প্রবণতা ও উদ্যমকে। পুলিশের জনকল্যাণ ধর্মী ভূমিকার অন্যতম আইকন ডিআইজি হাবিবুর রহমান  হয়ে উঠেছেন রোল মডেল। ডিআইজি হাবিবুর রহমান ‘পুলিশ জনগণের বন্ধু’ এই প্রবাদের সার্থকতাকে তিনি শতভাগ প্রতিপন্ন করেছেন তার পুলিশি ভূমিকায়। যে ভূমিকার গল্প কিংবদন্তি হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে দেশজুড়ে। পুলিশ পারে, একথা উদাহরণসহ সত্য। সমাজ পরিবর্তনে, মানুষের কল্যাণে, মানবতার স্বার্থে পুলিশের কার্যকর ভূমিকায় ব্যতিক্রমধর্মী অবদান রেখে চলেছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা। বিভিন্ন গণমাধ্যমে উঠে এসেছে তার অনন্য সাফল্যগাঁথা। যে সব এলাকায়, যে জনগোষ্ঠীর মধ্যে তিনি পরশপাথর হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন, সেখানে তিনি রোল মডেল হিসেবে পেয়েছেন জনমানুষের আকাশছোঁয়া ভালোবাসা। জনপ্রিয়তা, খ্যাতি, আস্থায় ডিআইজি হাবিবুর রহমানের নাম ভূমিকা এখন পুলিশ বাহিনীরই গর্ব। যে সাফল্যের গল্প এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশে পুলিশের সমকালীন জনবান্ধব নীতির উপাখ্যান। যেখানে পুলিশের উদ্যমী ও উদ্ভাবনী ভূমিকায় পশ্চাদপদ বেদে জনগোষ্ঠীর জীবনধারা পাল্টে গেছে। বেদে পল্লিতে লেগেছে দিন বদলের ছোঁয়া। প্রমাণ হয়েছে, পুলিশ চাইলে বদলে দিতে পারে উন্নয়ন বঞ্চিত, অবহেলিত সমাজ বাস্তবতা। শুধু তাই নয়, অনগ্রসর সমাজের নারী উন্নয়নে তাদের আত্মবিশ্বাস বিকাশে, কর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে তোলার মতো মানব কল্যাণবাদী ভূমিকাকে পুলিশ কাজ করে দেখিয়েছে সমাজ পরিবর্তনেও পুলিশের অবদান অনুসরণীয়। বিশেষ করে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের জীবনবোধ ও জীবনমানের উন্নয়নে পুলিশ যে দৃষ্টান্ত রেখেছে তা পথিকৃতের। বর্তমানে পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি হাবিবুর রহমান তার বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে যে সাফল্য ধারার সূচনা করেছেন তা এক মাইল ফলক হিসেবে মূল্যায়িত হচ্ছে। যার সূত্রপাত হয়েছিল কয়েক বছর আগে। যখন তিনি ঢাকার পুলিশ সুপার (এসপি) এবং তারপর পুলিশ সদর দপ্তরে অতিরিক্ত ডিআইজি, পরে,পদোন্নতি পেয়ে পুলিশ সদর দপ্ততরে উপ মহাপরিদর্শক (প্রশাসন-ডিসিপ্লিন) হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি (উপ মহাপরিদর্শক) হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে দ্বায়ীত্বরত রয়েছেন।   

বর্তমানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়ার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে১৩ আগস্ট।

এরপর যাবেন অবসরে। খালি হবে ডিএমপি কমিশনারের পদ, তাই বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল ও পুলিশ প্রশাসন মনে করেন সাংগঠনিক দক্ষতার জন্য গোপালগঞ্জের  সন্তান বাংলাদেশ  পুলিশ বাহিনীর আইকন জনাব মোঃ হাবিবুর রহমানকে (ডি এম পি) কমিশনার দেওয়া হউক।