• বিশ্বজিৎ দাস কে মনে আছে বাংলাদেশ?

    বিশ্বজিৎ দাস কে মনে আছে বাংলাদেশ?

  • বাসযোগ্য দেশের স্বপ্ন ও প্রতিরোধের আগুন

    বাসযোগ্য দেশের স্বপ্ন ও প্রতিরোধের আগুন

  • ওয়াজে নারীবিদ্বেষী মন্তব্যে বেড়েছে ধর্ষণ

    ওয়াজে নারীবিদ্বেষী মন্তব্যে বেড়েছে ধর্ষণ

  • যেভাবে জন বোল্টনের বুকে বিধল ইরানের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র!

    যেভাবে জন বোল্টনের বুকে বিধল ইরানের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র!

  • দেশে দেশে জাদুঘর

    দেশে দেশে জাদুঘর

শেখ হাসিনার বিকল্প কে?

প্রকাশ: ০৩ ডিসেম্বর ২০১৮

ইসতিয়াক আহমেদ শালীন

বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালিকে এনে দিয়েছিলেন রাজনৈতিক মুক্তি। তাঁর কন্যা বঙ্গতনয়া দেশরত্ন শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক মুক্তিদানের জন্য নিরন্তর লড়াই করে যাচ্ছেন। ৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে সংগঠিত নির্মম রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডে পরিবারের সকল সদস্যকে হারানোর পর তিনি স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেছিলেন ১৯৮১ সালের ১৭ মে। দেশে ফেরার মাধ্যমে যে দুর্গম পথ বঙ্গতনয়া বেছে  নিয়েছিলেন, আজো তিনি সেই পথের নিরন্তর সারথী। ঘাতকের বিষাক্ত বাণকে বারবার পরাজিত করে করে তিনি আবির্ভূত হয়েছেন বাঙালী জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার ফিনিক্স পাখি হিসেবে। সমস্ত প্রতিকূলতাকে পায়ে ঠেলে হয়ে উঠেছেন নিপীড়িত মানুষের আশার বাতিঘর। মানবিক বিশ্বের প্রধান নেতা হিসেবে বাংলাদেশকে পরিণত করেছেন বিশ্বের বুকে উন্নয়নের এক বিষ্ময়কর উদাহরণ। বাংলাদেশের  নেতা হিসাবে বাংলাদেশের অধিকার আদায়ে তিনি বরাবরই আপোষহীন একজন জননেত্রী। 

শেখ হাসিনাকে আমরা যেমন দেখেছি বন্যাদুর্গত অসহায় মানুষের জন্য নিজের হাতে রুটি বানাতে, আবার তাকে দেখেছি অগ্নিসন্ত্রাসের হাত থেকে স্বদেশকে রক্ষার জন্য রুদ্রমূর্তি ধারণ করতে। তিনি যেমন প্রধানমন্ত্রী রূপের বাইরে এসে সমস্ত প্রটোকল ভেঙ্গে বিমানে অসুস্থ যাত্রীর সেবা করেন, আবার তিনি একজন মানবিক রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে স্বদেশ কর্তৃক নির্মমভাবে বিতারিত রোহিঙ্গা জাতিকে পরম মমতায় বুকে তুলে নেন। আমরা আবার একজন ব্যক্তি শেখ হাসিনাকে দেখেছি চপলা কিশোরীর মত সমুদ্রের নোনা জলে পা ভেজাতে বা তুষার আবৃত পর্বতে একমাত্র বোন শেখ রেহানার সাথে বরফ নিয়ে খেলায় মেতে উঠতে। সাধারণ বেশভূষার ভিতরেই আমরা দেখতে পাই একজন অসাধারণ পরিপাটি রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনাকে। 

১৯৮১ সালে বাংলাদেশে ফিরে এসে শেখ হাসিনা অবতীর্ণ হন সাধারণ জনগণের ভাত ও ভোটের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে। তিনি সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালি  জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন। ১৯৮২ সালের ২৬ মার্চ নিজের নিরাপত্তার কথা চিন্তা না করে শেখ হাসিনাই প্রথম সামরিক শাসনবিরোধী স্লোগান দেন জাতীয় স্মৃতিসৌধে। ৮৩ এর জানুয়ারিতে তাঁর নেতৃত্বে গঠিত হয় সামরিক শাসনবিরোধী ১৫ দলীয় ঐক্যজোট। যার পরিক্রমায় পরবর্তীতে স্বৈরশাসনের পতন ঘটে এবং বাংলাদেশের জনগণের মৌলিক ভোটাধিকার নিশ্চিত হয়।

১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ নির্বাচনে জয় লাভের মাধ্যমে সরকার গঠন করে। প্রথমবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেই তিনি কুখ্যাত “ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ“ বাতিল করার মাধ্যমে জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার বিচারের পথ সুগম করেন। এতে করে বাঙালি জাতির দীর্ঘদিনের অবহেলিত স্বপ্ন বাস্তব রূপ লাভ করে। তিনি আবার ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে ক্ষমতা গ্রহণ করে এই বিচারের রায় কার্যকর করে পিতা হত্যার দায় থেকে জাতিকে মুক্ত করেন।

প্রথম দফায় প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন সময়ই শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক পার্বত্য শান্তি চুক্তি সম্পাদন করেন। যার ফলশ্রুতিতে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা সবুজ পাহাড়ের ভিতর রক্তের হোলি খেলা বন্ধ হয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। এই অসামান্য কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ ইউনেস্কো ১৯৯৮ সালে তাঁকে “ফেলিক্স হুপে বইনি” পদকে সম্মানিত করে।

১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মানুষকে দিয়েছিলেন তিনবেলা খাবারের নিশ্চয়তা, শুরু করেছিলেন জাতি গঠণমূলকবিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড। কিন্তু ২০০১ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা গ্রহণ করে বিএনপি-জামাত জোট সরকার বাংলাদেশকে টেনে নিয়ে নিয়ে যায় মধ্যযুগীয় অন্ধকার যুগে। দেশে তৈরি হয় এক অরাজক অবস্থা। দেশ পরিণত হয় দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে, মৌলবাদের অভয়ারণ্যে। বাংলাদেশের মানুষ তখন দেখেছে যুদ্ধপরাধীর গাড়িতে জাতীয় পতাকাকে ধর্ষিত হতে। বাংলাদেশের মানুষ দেখেছে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির বোমাবাজি, গ্রেনেড হামলা এবং সংখ্যালঘু, সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের মহাউৎসব। শুধুমাত্র হিন্দু ধর্মাবলম্বী হওয়ার কারণে সারাদেশে অগণিত কিশোরী-মহিলাকে ধর্ষিত হতে হয় বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাসীদের হাতে। এই জোট সরকারের আমলে বাংলাদেশ একটানা পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবার খেতাব অর্জন করে। অপরদিকে বাংলাদেশের প্যারালাল সরকার হাওয়া ভবনের প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়ার প্রত্যক্ষ মদদে বাংলাদেশ পরিণত হয় বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার আশ্রয়স্থল ও অস্ত্র পাচারের নিরাপদ রুট হিসেবে। বাংলাদেশ হয়ে উঠেছিল জঙ্গিবাদ রফতানিতে শীর্ষস্থানীয় একটি দেশ।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নবম জাতীয় সংসদ  নির্বাচনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পক্ষে তরুণ সমাজের বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আবার সরকার গঠন করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মৌলবাদের চোখ রাঙানোকে উপেক্ষা করে ১৬ কোটি বাঙালি  বিশেষত তরুণ সমাজের প্রাণের দাবী ১৯৭১ এর যুদ্ধপরাধীদের বিচার শুরু করেন। স্বাধীনতাবিরোধী যুদ্ধপরাধীদের সর্বোচচ শাস্তির দাবিতে জেগে উঠে সমস্ত বাংলাদেশ। এই ঘৃণ্য যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে তুরস্ক, সৌদি আরবসহ বিশ্বের বিভিন্ন  প্রভাবশালী দেশ প্রকাশ্যে বাংলাদেশ সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে। যুদ্ধপরাধীদের প্রধান দোসর বিএনপিও নানাভাবে এই বিচার বানচাল করার জন্য সমস্যা সৃষ্টি করতে থাকে। কিন্তু লৌহমানবী শেখ হাসিনা দৃপ্ত সাহসী পদক্ষেপে সমস্ত হুমকি-ষড়যন্ত্রকে নস্যাৎ করে দেন। যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের মাধ্যমে সমগ্র বিশ্বকে মনে করিয়ে দেন বাংলাদেশ ত্রিশ লাখ শহীদের রক্তে রঞ্জিত একটি স্বাধীন-স্বার্বভৌম রাষ্ট্র।

চারদলীয় জোট সরকারের প্রত্যক্ষ মদদ ও সহযোগিতায় বাংলাদশে যে জঙ্গীগোষ্ঠীর সৃষ্টি হয়েছিল, সাম্প্রতিক বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদের ইন্ধনে তা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চায়। কিন্তু রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেন। তাঁর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান ও পৃষ্ঠপোষকতায় আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে উন্নত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বিশেষায়িত ইউনিট গঠন করে। এর ফলশ্রুতিতে আমরা দেখতে পেয়েছি বাংলাদেশে জঙ্গীবাদের মূলোৎপাটন ও জম্মি উদ্ধারের মত সফল কিছু অভিযান। শেখ হাসিনার দৃঢ়চেতা মনোভাবের কারণেই বাংলাদেশে বন্ধ হয়েছে বিএনপির  আগুন সন্ত্রাসের মত জঘন্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড।

তৃতীয়বারের মত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে শেখ হাসিনা দেখিয়েছেন কিভাবে একটি দরিদ্র দেশকে স্বল্প সময়ে উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরিত করা যায়। নারী ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে তিনি বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে শীর্ষস্থানে নিয়ে গেছেন। নোবেলজয়ী বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন বলেছেন, ’’আমার জানামতে বাংলাদেশ একমাত্র দেশ যেখানে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা বেশি স্কুলে যায়।‘’ শেখ হাসিনার বাংলাদেশে আজ আমরা দেখি যুদ্ধবিমান চালাচ্ছে বাঙালি মেয়েরা। নারী ও শিশু শিক্ষা ও উন্নয়নের জন্য তিনি ২০১৪ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক “শান্তিবৃক্ষ” পদক গ্রহণ করেন। এছাড়া নারী নেতৃত্বের সফলতার স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৮ সালে তিনি “গ্লোবাল উইমেনস লিডারশিপ পদক”, লিঙ্গসমতা ও নারীর ক্ষমতায়নে বিশেষ অবদানের জন্য ২০১৬ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক “প্লানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন” ও “এজেন্ট অফ চেইঞ্জ পদক” এ তিনি ভূষিত হন। 

শেখ হাসিনা তাঁর স্বকীয় গুণাবলিতে তৃতীয় বিশ্বের শোষিত মানুষের নেতা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। মানবিক বিশ্বের প্রধান পুরোধা হিসেবে রাষ্ট্র নিপীড়িত রোহিঙ্গা সম্প্রদায়কে আশ্রয় দিয়ে তিনি সমগ্র বিশ্ব কর্তৃক “মাদার অফ হিউম্যানিটি” হিসেবে স্বীকৃত হয়েছেন। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় তৃতীয় বিশ্বের নেতা হিসেবে তিনি ২০১৫ সালে জাতিসংঘের পরিবেশ নোবেল হিসেবে বিবেচিত  “চ্যাম্পিয়ন অফ দ্য আর্থ পুরস্কার” অর্জন করেন। খাদ্য নিরাপত্তা ও দারিদ্রতা বিমোচনে বিশেষ অবদানের জন্য জাতিসংঘ তাঁকে ২০১৩ সালে “সাউথ সাউথ পদক” প্রদান করে। এছাড়া তিনি দেশে বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৩ টি ডক্টরেট ডিগ্রী লাভ করেছেন। শেখ হাসিনার এসব অর্জন সমগ্র বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে একটি মর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন আজ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ফেকিটেমোয়েলা কাটোয়া ইউটোকামনো সম্প্রতি মন্তব্য করেছেন যে, শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে উন্নয়নের মহাকাব্যে পরিণত করেছেন। যেই আমেরিকা এক সময় বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি বলেছিল, সেই দেশের রাষ্ট্রদূত মার্শা স্টিফেনসন বার্নিকাট আজ বাংলাদেশ ত্যাগের সময় বলেন যে তিনি যেখানেই যাবেন সেখানেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের সফলতার কথা বলবেন। এ বছরেই সিঙ্গাপুর ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান “দ্য স্ট্যাটিসটিকস ইন্টারন্যাশনাল” এর জরিপে শেখ হাসিনাকে বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা প্রধানমন্ত্রী বলা হয়েছে। বিশ্বখ্যাত “টাইম ম্যাগাজিন” এ বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন বঙ্গতনয়া।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ যখন আজ উন্নয়নের এক সাহসী অভিযাত্রার নাম, তখন বাংলাদেশের সামনে সময়ের এক ক্রান্তিলগ্ন এসে উপস্থিত হয়েছে। সামনেই অনুষ্ঠিত হবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। বাংলাদেশের জনগণ সিদ্ধান্ত নিবেন কে হবেন আগামী পাঁচ বছরের জন্য এই বঙ্গীয় জনপদের মশাল বাহক। বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে যদি নৌকা মার্কার জয়ের মাধ্যমে শেখ হাসিনা পুণরায় প্রধানমন্ত্রী হন। আর ঐক্যফ্রন্টের মোড়কে বিএনপি ও তার দোসর স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি ক্ষমতায় আসলে বাংলাদেশ আবার পরিণত হবে ২০০১-০৬ সালের মত অন্ধকার জনপদে। এখন দায়িত্ব জনগণের হাতে।  তারাই সিদ্ধান্ত দিবে বাংলাদেশ কি শেখ হাসিনার নৌকায় ভর করে উন্নত দেশে রূপারন্তরিত  হবে নাকি বিএনপি জোট সরকারের জঙ্গীবাদী শাসনামলে ফিরে যাবে। তবে যখন বাংলাদেশের স্বার্বভৌমত্বের কথা আসে, সাধারণ মানুষের মৌলিক  অধিকারের কথা আসে, দেশের উন্নয়নের ব্যাপকতার কথা আসে তখন একটি প্রশ্ন এসেই যায়। দেশরত্ন শেখ হাসিনার বিকল্প কে? 

লেখকঃ সাবেক কার্যকরী সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ। 


পরবর্তী খবর পড়ুন : স্বাস্থ্যকর দেশের তালিকায় ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ


আরও পড়ুন

পথশিশুদের টাকা,খাবার দেওয়া নিষিদ্ধ করে আইন পাশ উগান্ডায়

পথশিশুদের টাকা,খাবার দেওয়া নিষিদ্ধ করে আইন পাশ উগান্ডায়

পথশিশুদের টাকা,খাবার দেওয়া নিষিদ্ধ করে আইন পাশ করা হল উগান্ডায়। ...

দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে আমেরিকাকে বেইজিং’র হুঁশিয়ারি

দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে আমেরিকাকে বেইজিং’র হুঁশিয়ারি

দক্ষিণ ও পূর্ব চীন সাগরে বেইজিং’র ‘বৈধ’ তৎপরতার কারণে দেশটির ...

২৫ জেলায় চলছে প্রাথমিকের প্রথম ধাপের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

২৫ জেলায় চলছে প্রাথমিকের প্রথম ধাপের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

২৫ জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপের ...

লিবিয়া থেকে ইতালিঃ  প্রাণে বেঁচে যাওয়া আরো তিন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন

লিবিয়া থেকে ইতালিঃ প্রাণে বেঁচে যাওয়া আরো তিন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন

লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি থেকে প্রাণে বেঁচে ...

নবগঙ্গা নদীতে অবৈধ বালি উত্তোলনকালে দু’টি মেশিন পুড়িয়েছে

নবগঙ্গা নদীতে অবৈধ বালি উত্তোলনকালে দু’টি মেশিন পুড়িয়েছে

নড়াইলের মাউলি ইউনিয়নের চান্দেরচর এলাকায় নবগঙ্গা নদীতে অবৈধ ভাবে বালি ...

পীরের বাড়ি থেকে ফেরার পথে ২ ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যা

পীরের বাড়ি থেকে ফেরার পথে ২ ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যা

ঢাকার নবাবগঞ্জে মোটরসাইকেল আরোহী দুই ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যা করেছে ...

কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে সরাসরি কেনা শুরু

কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে সরাসরি কেনা শুরু

ধানের জেলা দিনাজপুরসহ বিভিন্ন জায়গায় কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে ধান ...

মেঘনা ও গোমতী দ্বিতীয় সেতু উদ্বোধন কাল

মেঘনা ও গোমতী দ্বিতীয় সেতু উদ্বোধন কাল

নির্ধারিত ব্যয়ের চেয়ে ৫ থেকে ৬শ’ কোটি টাকা কম খরচে ...