• পল্লী বিদ্যুৎঃ পরিবর্তন দরকার অনেক

    পল্লী বিদ্যুৎঃ পরিবর্তন দরকার অনেক

  • ঝুলে আছে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন : দিশেহারা স্থানীয়রা

    ঝুলে আছে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন : দিশেহারা স্থানীয়রা

  • “উইকিলিকসের নথিতে তারেকের নির্দেশে ২১ আগস্টে গ্রেনেড হামলা”

    “উইকিলিকসের নথিতে তারেকের নির্দেশে ২১ আগস্টে গ্রেনেড হামলা”

  • ১৫ই আগস্টঃ এ যেন শুধুই আনুষ্ঠানিকভাবে শোক পালনের একটা দিন !

    ১৫ই আগস্টঃ এ যেন শুধুই আনুষ্ঠানিকভাবে শোক পালনের একটা দিন !

  • সর্বকনিষ্ঠ বীরপ্রতীক

    সর্বকনিষ্ঠ বীরপ্রতীক

৭ নভেম্বরের অভ্যুত্থান

প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০১৮     আপডেট: ০৮ নভেম্বর ২০১৮

কাজী আরেফ আহমেদ

সিপাহী জনতার অভ্যুত্থান হয়েছিলো ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরে। ১৯৭৫  সালের ১৫ আগস্ট কতিপয় উচ্চাভিলাষী ক্ষমতালোভী মেজররা সাম্রাজ্যবাদী শক্তির সহায়তায় ও তাদের এজেন্টদের সক্রিয় সহযোগিতায় বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। খুনি মোশতাক ক্ষমতায় বসে। তারপর ৩ নভেম্বর সামরিক জান্তার অপর অংশের আর এক উচ্চাভিলাষী ক্ষমতালোভী সামরিক অফিসার খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে আবার অভুত্থান ঘটে। খালেদ ছিলো সেনাবাহিনীর রক্ষণশীল দলের নেতা। তিনি সামরিক বাহিনীর আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বকে ব্যবহার করে ক্ষমতা কুক্ষিগত করেন। ১৫ আগস্টের অভ্যুত্থানের ফলে মূলত সেনাবাহিনী দ্বিধাবিভক্ত হয়ে যায়। এক অংশ মেজর ফারুক রশিদের নেতৃত্বে প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোশতাকের ছত্রছায়ায় বঙ্গভবনে অবস্থান নেয়। অপর অংশ জিয়া, খালেদ, মীর শওকতের নেতৃতে সেনাছাউনিতে অবস্থান করে।


খালেদের এই অভ্যুত্থানের মূল কারণ ছিলো সেনাভবনের অভ্যন্তরে সেনাবাহিনীর তথাকথিত discipline ও chain of command রক্ষা করা। জিয়া সেনাবাহিনীর প্রধান হওয়া সত্ত্বেও এই দুই অংশকে এক করার উদ্যোগ না নেওয়ায় বা অপর অংশকে বিদ্রোহী হিসাবে ঘোষণা করে বিদ্রোহ দমনের চেষ্টা না করায় খালেদ বিদ্রোহী হয়। জিয়াকে গ্রেফতার করে নিজে সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করে। সেদিনের সেনাবাহিনীর দুই অংশের দ্বন্দ্ব সংঘাত ও জান্তার শক্তি পরীক্ষার লড়াই হিসাবে ৩ নভেম্বর খালেদের নেতৃত্বে অভ্যুত্থান সংগঠিত হয়। প্রতিটি অভ্যুত্থানে জান্তার নেতারা সেনাবাহিনীর সদস্যদের ব্যবহার করে। বারবার অভ্যুত্থান ও ক্ষমতা বদলের খেলায় জনগণও অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। এই বিক্ষুব্ধ সিপাহী ও জনতাকে সংগঠিত করার দায়িত্ব জাসদ তার কেন্দ্রীয় নেতা কর্ণেল তাহেরের উপর অর্পণ করেন। তাহেরের নেতৃত্বে বিক্ষুব্ধ সৈনিকরা ‘সৈনিক সংস্থা’ গঠন করে। সৈনিক সংস্থাই সিপাহীদের ঐতিহাসিক ১২ দফা প্রণয়ন করে। তাদের দাবী ছিলো, সামরিক বাহিনীর ব্যাটম্যন প্রথা বাতিল এবং উৎপাদনক্ষম গণমুখী সামরিক বাহিনী গঠনের। ৭ নভেম্বর জাসদের উদ্যেগে কর্ণেল তাহেরের নেতৃত্বে সংগঠিত অভ্যুত্থানটি কোন নিছক সামরিক জান্তার এক অংশকে তাড়িয়ে আরেক অংশের ক্ষমতা দখলের চেষ্টা ছিলো না। ছিলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনার লক্ষে বাংলাদেশের সমাজ ও রাষ্ট্রকাঠামো প্রতিষ্ঠা করা। ঘুণে ধরা সমাজ ব্যবস্থা ভেঙ্গে শোষণমুক্ত সমাজ ব্যবস্থা গঠন করা। আর একটা পদক্ষেপ ছিলো ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ গঠন করা। ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার মিলনের লক্ষই ছিলো ঔপনেবেশিক  সামরিক বাহিনীর কাঠামো বদলে গণমুখী উৎপাদনক্ষম সেনাবাহিনী গড়ে তোলা।


তাই ৭ নভেম্বরের সিপাহী গণবিপ্লবের ব্যপকতা ও গুরুত্ব বুঝেই কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে সকল প্রতিক্রিয়াশীল সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ও তার এদেশীয় এজেন্টরা ঐক্যবদ্ধ হয়। সে রাতের ঐক্যবদ্ধ প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি ও রক্ষণশীল সেনাবাহিনীর নেতা জিয়াউর রহমান নেতৃত্ব গ্রহণ করে প্রতিক্রিয়াশীলদের পাল্টা অভ্যুত্থান ঘটায়। সেদিন জাসদ গণবাহিনী ও সৈনিক সংস্থা ব্যর্থ হয়। প্রতিক্রিয়াশীলদের জয় হয়। ঔপনেবেশিক সামরিক বাহিনীর কাঠামোতে বিশ্বাসী জিয়া জয়লাভ করেও ক্ষমতা দখল করে। সে রাতের অন্ধকারে বেশ কয়েকটি দূতাবাসের তৎপরতা বেড়ে যায়। কিছু চিহ্নিত বুদ্ধিজীবি মুখোশধারী রাজনীতিককেও এই ব্যস্ততায় অংশগ্রহণ করতে দেখা গিয়েছিলো। তাই এত বড় ষড়যন্তের কাছে আমরা সেদিন হেরে গিয়েছিলাম। শঠতা ও ভণ্ডামিরই জয় হয়েছিলো সেদিন। জান্তার প্রতিক্রিয়াশীল নায়ক জিয়া ক্ষমতায় বসলেন। রক্ষণশীল মনের অধিকারী জিয়া ক্ষমতায় বসেই সেনাবাহিনীর chain of command  discipline ফিরিয়ে আনার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেন। বিভিন্ন ক্যন্টনমেন্ট গিয়েও যখন অধিকাংশ সৈনিকদের ব্যারাকে ঢুকাতে পারলেন না তখন বাধ্য হয়ে কর্ণেল তাহেরকে সঙ্গে নিয়ে জিয়া ক্যন্টনমেন্টের সৈনিকদের কাছে উপস্থিত হন।এতে সৈনিক সংস্থার নিয়ন্ত্রণে থাকা সৈনিকরা চিহ্নিত হয়ে যায় জিয়ার কাছে। ফলে সৈনিকরা ব্যরাকে ফেরার পর জিয়া তার চিহ্নিত শত্রুদের সেনাবাহিনী থেকে বের করে দেবার পরিকল্পনায় হাত দেয়। শঠ ও ভণ্ড জিয়া মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা চাপিয়ে দিয়ে মাত্র ১৭ দিনের মাথায় কর্ণেল তাহেরকে গ্রেফতার করে। বলা হলো, জিয়ার বিরুদ্ধে কর্ণেল তাহের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিলো। ওই মামলায় মুক্তিযুদ্ধের ৯নং সেক্টর কমান্ডার মেজর জলিল ও ১১নং সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল তাহেরসহ ৩৪ জনকে আসামী করে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অন্ধ প্রকোষ্ঠে লোকচক্ষুর অন্তরালে বিচারের নামে প্রহসন করে ১১ দিনের মধ্যে রায় দেওয়া হয়। রায়ে কর্ণেল তাহেরকে ফাঁসী, মেজর জলিল ও কর্ণেল তাহেরের বড় ভাই ১১ নং সেক্টরের অন্যতম মুক্তিযোদ্ধা আবু ইউসুফকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ মোট ১৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়। ওই ষড়যন্ত্র মামলায় ১৬ জন সাররিক বাহিনীর সদস্য ১৮ জন রাজনৈতিক নেতাকে আসামী করা হয়েছিলো। মামলার ৩৪ জন আসামীর মধ্যে সকলেই রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা ছিলো। রায়ে বলা হয় বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনা, হাঙ্গামার মাধ্যমে সরকার উৎখাত করে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের   বাংলাদেশের জনগণের ও গৌরবদীপ্ত বিপ্লবকে নষ্ট করার ষড়যন্ত্র করা হয়। ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনীকে ধ্বংস করে তথাকথিত গণবাহিনীতে স্থলাভিষিক্ত করার উদ্যেশ্যে কর্ণেল তাহের ও তার কতিপয় সহয়োগী সশস্রবাহিনীর সদস্যদের প্ররোচিত করেছিলেন। রাজনৈতিক ক্লাস, আপত্তিকর বইপত্র ও ইশতেহার এবং অর্থ সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে বিতরণ করতেন। নিয়মিত বাহিনীকে ধ্বংস করাই ষড়যন্ত্রকারীদের প্রধান লক্ষ্য ছিলো। এই রায়ে স্বীকার করা হয়েছিলো যে, নিছক ক্ষমতা দখলের কোন প্রচেষ্টা করেননি কর্ণেল তাহের। রায়ে বলা হয়, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ঐতিহাসিক পট পরিবর্তনের পর ষড়যন্ত্রকারীরা ক্ষমতা দখলের চেষ্টায় লিপ্ত ছিলো। অর্থাৎ সেনাবাহিনীর কতিপয় উচ্চাভিলাষী ষড়যন্ত্রকারী  মেজরদের দ্বারা দেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশের স্থাপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের হত্যাকাণ্ড ও ক্ষমতাচ্যুতিকে ঐতিহাসিক পটপরিবর্তন বলে উল্লেখ করে বাঙালীর জাতীয় রাষ্ট্র সৃষ্টির নেতাকে হেয়পতিপন্ন করা হয়। এবং বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডকে একটি প্রসংশনীয় পদক্ষেপ হিসাবে তুলে ধরা হয়। ইতিহাস অতি নির্মম। পরবর্তীকালে জিয়া ও এরশাদের নেতৃত্বে সামরিক জান্তার শাসন পরিচালিত হলেও জিয়াকে হত্যার মাধ্যমেই সামরিক জান্তার একটি অংশ ১৯৮২ সালে ক্ষমতা দখল করে। সামরিক জান্তার পরবর্তী শাসক জে. এরশাদকে ১৯৯০ এর গণআন্দোলনের গণরোষে উৎখাত হতে হয় শাসন ব্যবস্থা থেকে। ১৯৯১ সালে ও ১৯৯৬ সালে জনগণের কাঙ্ক্ষিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হলেও আজো বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার সম্পন্ন হয়নি।* কর্ণেল তাহের হত্যার বিচার এখনো হয় নি। বিচার হয়নি জেলহত্যার। বাংলার জনগণ এসব হত্যার বিচার চায়। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের রায় হওয়ার সম্ভাবনাকে বানচাল করার ষড়যন্ত্র চলছে। এ ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হলে সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তির বিরুদ্ধে প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক জনগণকে এক কাতারে দাঁড়াতে হবে। এবং জনগণের পক্ষের সরকারকে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করতে হবে। তবেই সকল রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের বিচার সম্ভব। গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব।অন্যথায় ষড়যন্ত্র-চক্রান্তকারীরা আবারো ষড়যন্ত্র চক্রান্তের মাধ্যমে জনগণের সকল আকাঙ্ক্ষাকে নস্যাৎ করতে সক্ষম হবে।


* লেখাটি সাত নভেম্বর ১৯৯৮ সালে দৈনিক আজকের কাগজে প্রকাশিত হয়। 


লেখক পরিচিতি -  কাজী আরেফ আহমেদ (জন্ম - ৮ এপ্রিল ১৯৪২ , মৃত্যু ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৯) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। ১৯৬২ সালে ছাত্রলীগের গোপন সংগঠন 'স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদের কেন্দ্রীয় নিউক্লিয়াসের সদস্য ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রূপকারদের মধ্যে অন্যতম। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদই বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স-বিএলএফ বা মুজিব বাহিনী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। তিনি ছিলেন ছাত্রলীগের সমন্বয়ক ও বিএলএফ’র গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান। স্বাধীনতার পর ১৯৭২-এ গঠিত জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা। তিনি জাসদের কৃষক ফ্রন্ট জাতীয় কৃষক লীগের সভাপতি ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের কার্যকরী সভাপতি ছিলেন।

পরবর্তী খবর পড়ুন : তফসিল ঘোষণার পর বিশৃঙ্খলা হলে ব্যবস্থা: ইসি সচিব


সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় চার বাংলাদেশি নিহত

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় চার বাংলাদেশি নিহত

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় চার বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এরা সবাই ...

'গ্রেনেড হামলার মাস্টার মাইন্ডদের দেশে ফিরিয়ে এনে সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়া হবে'

'গ্রেনেড হামলার মাস্টার মাইন্ডদের দেশে ফিরিয়ে এনে সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়া হবে'

একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মূল হোতাদের দেশে ফিরিয়ে এনে সর্বোচ্চ ...

‘কাশ্মীর এখন কবরখানার মতো নীরব’

‘কাশ্মীর এখন কবরখানার মতো নীরব’

ভারতীয় মানবাধিকার আইনজীবী ভ্রিন্ডা গ্রোভার বলেছেন, কাশ্মীর এখন কবরখানার মতো ...

মুম্বাইয়ে ভেঙে পড়ল বহুতল ভবন; নিহত ২, নিখোঁজ অন্তত ১৫

মুম্বাইয়ে ভেঙে পড়ল বহুতল ভবন; নিহত ২, নিখোঁজ অন্তত ১৫

ভারতের মুম্বাই শহরতলির ভিওয়ান্ডিতে ভেঙে পড়েছে একটি বহুতল ভবন। শনিবার ...

জয়া এবার ভূত

জয়া এবার ভূত

ওপার বাংলার ছবিতে নানা ধরনের চরিত্র করেছেন জয়া আহসান। প্রসেনজিতের ...

টেকনাফে ওমর ফারুককে হত্যার পর রোহিঙ্গাবিরোধী বিক্ষোভ, ভাঙচুর

টেকনাফে ওমর ফারুককে হত্যার পর রোহিঙ্গাবিরোধী বিক্ষোভ, ভাঙচুর

রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা গত বৃহস্পতিবার রাতে টেকনাফে যুবলীগের এক নেতাকে নির্মমভাবে ...

মোজাফফর আহমদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত, রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান

মোজাফফর আহমদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত, রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান

প্রয়াত বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের ...

ফিফায় বাংলাদেশের প্রথম দুই নারী রেফারি

ফিফায় বাংলাদেশের প্রথম দুই নারী রেফারি

বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে ফিফার রেফারি হলেন দুই সাবেক নারী ...