• এখন প্রশ্ন হলো জাতীয় বীর কারা

    এখন প্রশ্ন হলো জাতীয় বীর কারা

  • বাংলাদেশ এমন জায়গায় পৌঁছে গেছে যেখানে যেতে পাকিস্তানের ১০-১২ বছর লাগবে

    বাংলাদেশ এমন জায়গায় পৌঁছে গেছে যেখানে যেতে পাকিস্তানের ১০-১২ বছর লাগবে

  • বিএনপির কফিনে শেষ পেরেক ঠোকা হচ্ছে

    বিএনপির কফিনে শেষ পেরেক ঠোকা হচ্ছে

  • দেশ বিকিয়ে দেয়া হয়েছে উনি তা ফেরত আনার ঠিকাদারী নিয়েছেন

    দেশ বিকিয়ে দেয়া হয়েছে উনি তা ফেরত আনার ঠিকাদারী নিয়েছেন

  • ঐক্যফ্রন্ট + মহাজোট = ক্ষমতা

    ঐক্যফ্রন্ট + মহাজোট = ক্ষমতা

মুক্তিকামী মানুষের আজন্ম প্রেরনার উৎস মৃত্যূঞ্জয়ী বিপ্লবী বীর 'চে গুয়েভার' জন্মবার্ষিকীকে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলী

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০১৮

নাছির ধ্রুবতারা , বাংলাদেশ প্রেস

আফ্রিকায় -কিনশাসা ও বলিভিয়াতে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা এবং সেখানকার মানুষের মুক্তির  লড়াই করার জন্য অস্ত্র তুলে নেয়া চিকিৎসক, আর্জেন্টিনীয় তাত্ত্বিক মার্ক্সবাদী ও বিপ্লবী, লেখক, চিত্রগ্রাহক, বুদ্ধিজীবী, গেরিলা নেতা, কূটনীতিক, সামরিক তত্ত্ববিদ কিউবার এবং পরবর্তী সময়ে সমগ্র ল্যাটিন আমেরিকার বিপ্লবের প্রধান ব্যক্তিত্ব আর্নেস্তো গুয়েভারা দেলা সের্না চেরং 

যিনি চে গুয়েভারা নামে পরিচিত তাঁঁর

র্আজ ৯০ তম জন্মবার্ষিকী। যিনি পৃথিবীর মুক্তির সংগ্রামে এক অনন্য অসাধারন নাম বিপ্লবী চে গুয়েভারা স্থান করে নিয়েছেন শোষিত মুক্তিকামী প্রতিটি মানুষের মানসপটে। ১৯২৮ সালের ১৪ জুন আর্জেন্টিনায় জন্ম গ্রহণ করেন চে গুয়েভারা । তাঁর প্রকৃত নাম আর্নেস্তো গুয়েভারা দেলা সের্না । সারা বিশ্বে তিনি চে গুয়েভারা  নামেই পরিচিত। যিনি একজন আর্জেন্টিনীয় তাত্ত্বিক মার্ক্সবাদী ও বিপ্লবী, লেখক, চিত্রগ্রাহক, বুদ্ধিজীবী, গেরিলা নেতা, কূটনীতিক, সামরিক তত্ত্ববিদ ও কিউবার এবং পরবর্তী সময়ে সমগ্র ল্যাটিন আমেরিকার বিপ্লবের প্রধান ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেন। তরুণ বয়সে চিকিৎসা বিজ্ঞানে পড়ার সময় চে দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন অঞ্চল ভ্রমণ করেন। সেখানে দেখতে পান মানুষে মানুষে কী বৈষম্য। শোষণ-পীড়নের যাঁতাকলে মানুষ কত অসহায়। যা তাকে অসহায় মানুষের দুঃখ কষ্ট অনুধাবন করার সুযোগ এনে দেয়। চে বুঝতে পারেন ধনী-গরিবের এই ব্যবধান ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য বিপ্লব ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।  বিপ্লব অনিবার্য—এই বোধে পৌঁছাতে চে দীক্ষা নিয়েছিলেন মার্ক্সবাদে। গুয়াতেমালায় গিয়ে টিকে থাকার ব্যর্থ চেষ্টার পর চলে গিয়েছিলেন মেক্সিকোয়, নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে। সেখানেও একই দৃশ্য। লাতিন আমেরিকাজুড়ে চলমান সিআইএর হিংস্র তাণ্ডবলীলা। সবখানেই শ্রেণি-বৈষম্য আর শ্রেণিশোষণ। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসন। চে বিপ্লবের জন্য অস্থির হয়ে ওঠেন। মুক্তি চাই তাঁর এই শোষণের নরক থেকে।  ১৯৫৫ সালের জুলাইয়ে ফিদেল কাস্ত্রোর সঙ্গে দেখা হলো তাঁর। কাস্ত্রো তখন কিউবার স্বৈরশাসক বাতিস্তার বিরুদ্ধে লড়ছেন।  তাঁর গেরিলা দলে যোগ দিলেন চে। ১৯৫৬ সালের ২৫ নভেম্বর কিউবার উদ্দেশে যাত্রা করে কাস্ত্রোর গেরিলা দলের যুদ্ধজাহাজ গ্র্যানমা। ১৯৫৭ সালে কাস্ত্রোর গেরিলা বাহিনীর কমান্ডার নির্বাচিত হলেন। ১৯৫৮ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে সান্তা ক্লারার যুদ্ধে তাঁর সফল নেতৃত্ব যুদ্ধের নিয়তি নির্ধারণ করে দিল। কিউবার স্বৈরশাসক বাতিস্তা সদলবলে পালালেন কিউবা ছেড়ে। সফল বিপ্লব হলো কিউবায় পতন হলো 

স্বৈরশাসনের। ১৯৬১ থেকে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত চে কিউবার শিল্পবিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন। এ সময় তিনি কিউবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় কিউবান নোটগুলোতে তাঁর স্বাক্ষরে শুধু ‘চে’ লেখা থাকত।  । আর্জেন্টিনার দুঃসাহসী এই তরুণ চিকিৎসকের কিউবার শিল্পবিষয়ক মন্ত্রীর কাজে মন বসেনি । আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকায় বিপ্লব ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি পদত্যাগ করে কিউবা ছেড়ে যান। বলিভিয়া গণ-অভ্যুত্থান ঘটানোই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। সেখানেই তাঁর জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটে। ১৯৬৭ সালের ৮ অক্টোবর চে গুয়েভারা ধরা পড়েন। সেখান থেকে চার মাইল দূরে বলিভিয়ার ল্যা হিগুয়েরা শহরের এক কক্ষবিশিষ্ট একটি বিদ্যালয়ে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়। নিজেকে বলিভীয় সৈন্য হিসেবে পরিচয় দেওয়া ফেলিস্ক রদ্রিগেজে নামক জনৈক সিআইএ কর্মকর্তা পরের দিন ওই বিদ্যালয়ে ময়লার স্তূপে তাঁকে দেখতে পান। তাঁর পোশাক ছিল ছেঁড়া ও ময়লায় ভরা এবং হাত-পা ছিল বাঁধা। আমেরিকার সরকার তাঁকে জীবিত অবস্থায় জিজ্ঞাসাবাদ করতে চেয়েছিল। কিন্তু বলিভীয় নেতৃবৃন্দ তাঁকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয়। প্রকাশ্যে বিচার হলে তাঁর প্রতি সাধারণ মানুষের সমবেদনা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। সরকারি ভাষ্য ছিল, তিনি যুদ্ধকালে মৃত্যুবরণ করেছেন। এ ব্যাপারে রদ্রিগেজের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ছিল। পরে সাক্ষাৎকারের সময় রদ্রিগেজ স্বীকার করেন, চে গুয়েভারা তাঁর স্বদেশে বহু মানুষকে হত্যা করেছিলেন। কিন্তু তারপরও গুয়েভারার জন্য রদ্রিগেজের মন খারাপ হয়। কয়েক বছর পর রদ্রিগেজে যুক্তরাষ্ট্রের ‘৬০ মিনিটস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্মৃতি রোমন্থন করে বলেন, ‘আমি সরাসরি তাঁর চেহারার দিকে তাকালাম। তিনিও সরাসরি আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, “এটাই ভালো। আমি কখনোই ভাবিনি, আমি জীবিত অবস্থায় ধরা পড়ব।” দুজনেই করমর্দন করলেন। রদ্রিগেজে জানান, তিনি আমার সঙ্গে আলিঙ্গন করলেন। আমিও তাঁর সঙ্গে আলিঙ্গন করলাম। কিন্তু আসার সময় জনৈক সৈন্যকে চে গুয়েভারার ঘাড়ের নিচে গুলি করার জন্য নির্দেশ দিয়ে চলে আসেন তিনি।

সাংবাদিক জন লি এন্ডারসনের আত্মজীবনী ‘'চে গুয়েভারা: আ রেভল্যুশনারি লাইফ’' নামক গ্রন্থে বলা হয়েছে, চে গুয়েভারাকে গুলি করার দায়িত্ব দেওয়া হয় জ্যাইমি টিরান নামক জনৈক সার্জেন্টকে।  নয়টি গুলি বিঁধে ছিল তার বুকে। শরীরকে বিদ্ধ করে ফেলা বুলেটের ক্ষত চিহ্নের পথ ধরে নেমে এলো রক্ত স্রোত...। এক আমৃত্যু বিপ্লবী মারা গেল। শোষণের ঘরে যিনি ছিলেন এক মহাতঙ্ক। মানুষটি মরে যাওয়ার আগে বন্দি অবস্থায় হ্যান্ডক্যাফ পরিহিত হাত মুষ্টিবদ্ধ করে বলেছিলেন-  ‘আমি জানি তোমরা আমাকে মারতে এসেছ। কাপুরুষ গুলি করো। তোমরা একজন মানুষকে হত্যা করছ মাত্র। বিপ্লবের মৃত্যু নেই।’ যাকে হত্যা করা হচ্ছে তার দেহটিই মারা যাচ্ছে মাত্র। কিন্তু যে আদর্শের স্ফুলিঙ্গ ছড়িয়ে দিলে তার মৃত্যু নেই। শেষ পর্যন্ত অমোঘ এই বাণী শুনে কেপে ওঠে মদ্যপ সৈনিকটি। চোখ বন্ধ করে গুলি করে। প্রথম গুলিটি লাগে হাতে। তারপর এলোপাতাড়ি গুলি তার শরীরকে বিদ্ধ করে ফেলে...। বুক থেকে যে রক্ত ছড়িয়ে পড়ে পৃথিবীর এই জমিনে সেই রক্ত হাজার হাজার মুক্তিকামী সেনা তৈরি করে দিল। যাদের প্রত্যেকের হৃদয়ে ধ্রুবতারা হয়ে জ্বলজ্বল করে জ্বলছে একটি নাম আর্নেস্তো চে গুয়েভা ‍। চের বয়স তখন মাত্র ৩৯ বছর। ডায়েরিতে লিখেছিলেন কমান্দান্তে চে, ‘আমি ভাবতে শুরু করি, মরে যাওয়ার শ্রেষ্ঠ পথ সেটাই, যখন মনে হবে সব শেষ হয়ে গেছে। জ্যাক লন্ডনের একটি পুরোনো গল্প মনে পড়ছে। তাতে গল্পের মূল চরিত্র একটা গাছের গুঁড়িতে হেলান দিয়ে গরিমার সঙ্গে নিজের জীবনের সমাপ্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে।’শত্রুসৈন্যদের সঙ্গে সারাটা বিকেল যুদ্ধ করার পর গুলি লেগেছিল চের পায়ে। আরেক গুলিতে ছিটকে যায় হাতের অস্ত্র।  চে গুয়েভারাকে গোপনে গণকবরে সমাহিত করার আগে বলিভীয় সৈন্যরা তাঁর হাড্ডিসার দেহ ভ্যালেগ্রেরান্ডি নামের একটি গ্রামে নিয়ে যায়। মরদেহটি একটি হাসপাতালের লন্ড্রির সিঙ্কে রাখা হয়। এ সময় ফটোগ্রাফাররা তাঁর যেসব ছবি তোলেন, তা পরে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। বলিভীয় সেনা অধিনায়ককে বলা হয় তাঁর দুটি হাত কেটে রাখতে। যাতে কর্তৃপক্ষ তাঁর আঙুলের ছাপ নিতে পারে এবং প্রমাণ হিসেবে ফিদেল কাস্ত্রোকে দেখাতে পারে যে তাঁর বন্ধু এখন মৃত।


নিশ্চিতভাবে বলা যায়, চে গুয়েভারার মৃত্যুর খবর সঙ্গে সঙ্গে নয়, কিছুদিন পর যুক্তরাষ্ট্রে আসে। প্রেসিডেন্ট জনসনের উপদেষ্টা ওয়াল্ট রোসটো ১৯৬৭ সালের ১৩ অক্টোবর একটি সংক্ষিপ্ত স্মারকপত্র লেখেন, ‘সব ধরনের সন্দেহ দূরীভূত করে বলা যায় যে চে গুয়েভারা মৃত।’ ১৯৬৭ সালের ১২ অক্টোবর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল: ‘'গুয়েভারা’স ডেথ, দ্য মিনিং অব ল্যাটিন আমেরিকা’'। এতে গুয়েভারাকে কিউবা বিপ্লবের সুদক্ষ রণকৌশলী ব্যক্তিত্ব ও বিপ্লবের আদর্শ হিসেবে প্রশংসা করা হয় এবং তিনি বীরোচিত মৃত্যুবরণ করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়। ১৯৬৭ সালের অক্টোবরে চের মৃত্যুসংবাদ পৃথিবী জানতে পারে। নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকা তখন লিখেছিল, ‘'একজন মানুষের সঙ্গে সঙ্গে একটি রূপকথাও চিরতরে বিশ্রামে চলে গেল।’' কথাটা সত্য হয়নি। কমরেডের মৃত্যুর পর কিউবায় লাখো জনতার সামনে আবেগঘন কণ্ঠে ফিদেল কাস্ত্রো বলেছিলেন, "যারা মনে করছে, চে গুয়েভারার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তাঁর আদর্শ বা তাঁর রণকৌশলের পরাজয় ঘটেছে, তারা ভুল করছে কিন্তু আদর্শের মৃত্যু হয় না। চে গুয়েভারা মুক্তির যে মহামন্ত্রধ্বনি উচ্চারণ করেছিলেন, তা আজও দেশে দেশে  দুঃশাসনের অন্ধকারে ধ্রুবতারা হয়ে জ্বলছে। মুক্তির লড়াইয়ে যে হয়ে ওঠেন প্রেরণা শক্তির একটি নাম।" চে গুয়েভারা  বলতেন, ‘আসতা লা ভিকতোরিয়া সিয়েম্প্রে’, মানে 'বিজয় না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাও'। তিনি আরো বলেছেন, '‘তুমি যদি প্রতিটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে জ্বলে ওঠ তাহলে তুমি আমার একজন সহযোদ্ধা।’' চের প্রতিকৃতি আজ হয়ে উঠেছে মুক্তিকামী মানুষের প্রেরণা। চে’র ছবি হয়ে উঠেছে যেন মুক্তির মিথ। কবিতায় গল্পে গানে স্লোগানে চে বেঁচে আছেন সারা বিশ্বে। বাংলা সাহিত্যেও চে কে নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে গান, কবিতা, নাটক, গল্প।


বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের কালজয়ী কবিতা চে গুয়েভারা-

"চে, তোমার মৃত্যু 

         আমাকে অপরাধী করে দেয়

                    আমার ঠোঁট শুকনো হয়ে আসে,

                           বুকের ভেতরটা ফাঁকা

                    আত্নার  ্অভিশ্রান্ত বৃষ্টিপতনের শব্দ শৈশব থেকে বিষণ্ন দীর্ঘশ্বাস

                     চে, তোমার মৃত্যু 

                          আমাকে অপরধী করে দেয়।"

   

চে গুয়েভারার মৃত্যুর ৯০ বছর পরও দেশে দেশে বিপ্লবীদের আজও প্রেরণার উৎস চে গুয়েভারা।


বাংলাদেশ প্রেস পরিবার  শোষিত মানুষের মুক্তির সংগ্রামে জীবন উৎসর্গকারী মৃত্যুঞ্জয়ী বিপ্লবী বীর চে গুয়েভার স্মৃতির প্রতি জানায় বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলী। 


"শোষিতের বিপ্লব দীর্ঘজীবি হোক"।

নির্বাচনের সময় চারদিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক

নির্বাচনের সময় চারদিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টানা চার দিনের ছুটির ...

সাংবাদিকদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বছর ২০১৮

সাংবাদিকদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বছর ২০১৮

২০১৮ সালকে সাংবাদিকতার সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বছর হিসেবে আখ্যা দিয়েছে সাংবাদিকদের ...

ভোটের দিন ইন্টারনেটের গতি কমতে পারে

ভোটের দিন ইন্টারনেটের গতি কমতে পারে

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন বিকাল ৫টা নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত ...

১৫ দফা নিয়ে জাসদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

১৫ দফা নিয়ে জাসদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

‘পরিবর্তনের ধারা সংহত করা ও এগিয়ে নেয়া’ শিরোনামে ১৫ দফা ...

নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর জন্য প্রাথমিক বরাদ্দ ৪০০ কোটি টাকা

নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর জন্য প্রাথমিক বরাদ্দ ৪০০ কোটি টাকা

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ...

৪০ হাজার শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

৪০ হাজার শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

দেশের বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৪০ হাজার ...

সৌদির ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট ঘোষণা

সৌদির ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট ঘোষণা

সৌদি আরবের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট ঘোষণা করেছেন দেশটির বাদশাহ ...

শেখ হাসিনা বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা প্রধানমন্ত্রী: দ্য স্ট্যটিসটিক্স

শেখ হাসিনা বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা প্রধানমন্ত্রী: দ্য স্ট্যটিসটিক্স

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেছে ...