শিশুর ত্বকের ক্ষতি করতে পারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২০ |

লাইফস্টাইল ডেস্ক, বাংলাদেশ প্রেস

এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাসের কোনো টিকা বা নির্দিষ্ট কোনো ওষুধ আবিষ্কার হয়নি। তাই পরীক্ষামূলক বিকল্প চিকিত্সা পদ্ধতি, আগাম সতর্কতা আর পরিচ্ছন্নতার উপরেই ভরসা রাখছেন সবাই।


করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে আগাম সতর্কতা আর পরিচ্ছন্নতাই অন্যতম উপায়। এজন্য বিশেষজ্ঞরা বারবার ভাল করে সাবান দিয়ে হাত ধুতে বলছেন। হাতের কাছে পানি না থাকলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ভাল করে জীবানুমুক্ত করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।



একারণে করোনার কারণে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবহার কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে। জীবানুমুক্ত করতে অ্যালকোহল সমৃদ্ধ হ্যান্ড স্যানিটাইজারই বেশি কাযর্কর বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।


শিশুদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহারে সচেতন হতে হবে। কারণ রাসায়নিক বা অ্যালকোহল যুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার শিশুদের কোমল ত্বকের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর বলে জানিয়েছেন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞরা।


তারা বলছেন, অ্যালকোহলযুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৬০ শতাংম বা তারও বেশি পরিমাণে অ্যালকোহল থাকে। বারবার হ্যান্ড স্যানিটাইজার হাতে মাখলে ত্বক তার স্বাভাবিক আর্দ্রতা হারিয়ে রুক্ষ হয়ে যায়। শিশুর ত্বকের ক্ষেত্রে তা আরও ক্ষতি করতে পারে।


মার্কিন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের দাবি, স্যানিটাইজারের আরেকটি ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান হল ট্রাইক্লোসেন। এই ট্রাইক্লোসেন ব্যাক্টেরিয়া বা ফাঙ্গাস ঘটিত সংক্রমণ ঠেকাতে সক্ষম। এই উপাদানটিকে শরীরের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে দেওয়ার জন্য দায়ি করেছেন বিশেষজ্ঞরা। শিশুকে সুরক্ষিত রাখতে তাই ট্রাইক্লোসেন-যুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার বাতিল করা জরুরি।


এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হল প্রাকৃতিক স্যানিটাইজারের ব্যবহার। নীম পাতা, অ্যালোয়ভেরার মতো প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি স্যানিটাইজারের ব্যবহার করা যেতে পারে। সাবান দিয়েও শিশুদের ত্বক জীবানুমুক্ত করা যেতে পারে।