আন্তর্জাতিক

২ দশকে সবচেয়ে বেশি তুষারপাত কানাডায়

প্রকাশ: ২০ জানুয়ারী ২০২০ |

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ■ বাংলাদেশ প্রেস

প্রবল তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। কানাডার নিউফাউন্ডল্যান্ডে কয়েক ফুট উঁচু তুষার জমে যাওয়ায় জরুরি সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া বিভাগ। বৈরী আবহাওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে বিমান চলাচল। ১৯৯৯ সালের পর দেশটিতে এমন তুষারপাত হয়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। এদিকে, কনকনে ঠাণ্ডায় জবুথবু যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা, নর্থ ডাকোটাসহ মধ্যপশ্চিমাঞ্চলের জনজীবন। এছাড়া তুষারঝড়ের কবলে পড়ে স্পেনে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

কানাডার নিউফাউন্ডল্যান্ডে দৃশ্য। দেখে মনে হতে পারে রাত নেমে এসেছে। সোমবারের ভয়াবহ প্রবল তুষারঝড়ে সব কিছুই আবছা হয়ে আসে।প্রবল তুষারপাতে ঢেকে গেছে পথ-ঘাট ও ঘর-বাড়ি। ঝড়ো বাতাসে ঘর থেকে বেরুতে পারছেন না বাসিন্দারা। অনেকে ঘুম থেকে উঠে দেখেন তুষার জমে ঘরের দরজা বন্ধ হয়ে গেছে। এসটি জন'স আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ৭৭ সেন্টিমিটার পর্যন্ত তুষার জমে, ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক কার্যক্রম। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নিউফাউন্ডল্যান্ডে ১৯৯৯ সালের পর সর্বোচ্চ তুষারপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

সড়কগুলোতে তুষারের পুরু আস্তরণ জমে থাকায় যান চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। খারাপ আবহাওয়া জরুরি সতর্কতা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। এরই মধ্যে উদ্ধার কাজে নেমেছেন সেনাবাহিনীর শতাধিক সদস্য।

কানাডার এসটি জনসের মেয়র ডেনি ব্রেন বলেন, আমাদের কাছে সবার আগে জনগণের নিরাপত্তা। তুষারঝড়ের কারণে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে, পথ-ঘাট জমে থাকা তুষার অপসারণে আমাদের জরুরি বিভাগের কর্মীরা কাজ করে যাচ্ছেন। আশা করি, পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরিয়ে আনতে পারবো।

আগামী কয়েকদিনে কানাডার ম্যানিটোবাসহ কয়েকটি প্রদেশের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের ১৮ থেকে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামার পূর্বাভাস রয়েছে। ভারী তুষারপাতে বাড়বে ভোগান্তি। দেশটির প্রশাসন জানিয়েছে, বৈরী আবহাওয়ায় সতর্কতা মূলক নির্দেশনা মেনে না চললে, প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে, কনকনে ঠাণ্ডায় জবুথবু যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপশ্চিমাঞ্চলের জনজীবন। ভারী তুষারপাতে নর্থ ডাকোটা, মিনিসোটাসহ কয়েকটি প্রদেশে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এতে ভোগান্তি বাড়িয়েছে বাসিন্দাদের। একই অবস্থায়, স্পেনের পূর্বাঞ্চলে। 'গ্লোরিয়া' নামক তুষার ঝড়ের আঘাতে হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।