শিরোনাম:

Thu 07 December 2017 - 08:19am

আজ ৭ই ডিসেম্বর নোয়াখালী হানাদার মুক্ত দিবস

Published by: নিউজ রুম এডিটর, বাংলাদেশ প্রেস

aedb8721a16037305b3572f9f8079ce6.png

নাছির ধ্রুবতারা:  আজ ৭ই ডিসেম্বর  নোয়াখালী মুক্ত দিবস। ১৯৭১ এই দিনে  মুক্তিসেনারা জেলা শহরের  পি.টি.আই. স্কুলে রাজাকারদের প্রধান ঘাঁটির পতন ঘটিয়ে নোয়াখালীর মাটিতে রা উড়িয়েছিল স্বাধীনতার বিজয় নিশান আমাদের  জাতীয়  পতাকা।  

পি.টি.আই. স্কুল ছিল পাক বাহিনীর মূল ঘাঁটি আর পি.টি.আই.  এর হোস্টেলটি ছিল পাকবাহিনীর টর্চার সেল । ২৫ই  মার্চের পর মুক্তিযোদ্ধারা ২২ শে এপ্রিল পর্যন্ত নোয়াখালীকে মুক্ত রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন। এরপর প্রতি পদে-পদে বাঁধা পেয়ে বহুকষ্টে পাকিস্তানী সেনারা ২৩ এপ্রিল নোয়াখালী দখল করে নেয় এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা সুবেদার লুৎফুর রহমানের নেতৃত্বে গড়ে উঠা মুক্তি ফৌজের গ্রুপটি পাকসেনাদের সংগে টিকতে না পেরে জেলা ছেড়ে সীমান্তের ওপারে নিরাপদে সরে যান। দখলদার বাহিনী জেলা শহরের শ্রীপুরে ১৯৭১ সালের ১৫ই জুন নির্মম পৈশাচিক ও বর্বোরোচিত হত্যাকান্ড চালায় । তাদের এই পৈশাচিক গনহত্যায়  ৬৮জন নির্মমভাবে শহীদ হন । 

অপমান ও লাচ্ছিত করা হয় বহু মা-বোনকে, গানপাউডার দিয়ে জ্বালিয়ে দেয় বাড়ি-ঘর দোকানপাঠ । এটি এই সবচেয়ে নিষ্ঠুরতম ভয়াল গনহত্যা ও নির্যাতনের ঘটনা । তাই ১৪ ই ডিসেম্বার ১৯৯৩ সালে শ্রীপুর গ্রামের আহমদিয়া স্কুল সংলগ্ন এই ভয়াল দিনটির স্মরনে এবং শহীদ ও নির্যাতিতদের প্রতি সন্মান জানাতে একটি স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করা হয় যাতে শ্রীপুর গনহত্যায় শহীদদের নাম খোদাই করে লেখা হয় । এছাড়া নোয়াখালী জেলা  সদরের রামহরিতালুক, গুপ্তাংক , বেগমগঞ্জের কুরিপাড়া, গোপালপুর ও আমিশ্যাপাড়ায় নির্বিচারে হত্যা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায় পাকসেনাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার-আলবদর-আলশামস এর সহায়তায় পাকসেনারা । এ স্থান গুলিতে ও পাক হায়নাদাররা গুলি করে ও পুড়িয়ে হত্যা করে দেড় শতাধিক নারী-পুরুষ ও শিশুকে। গান পাউডার দিয়ে জ্বালিয়ে দেয় ঘরবাড়ি, দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। নোয়াখালী পতনের পর  দেশের অভ্যন্তরে ও ভারত থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে আবার অস্ত্র হাতে মাঠে নামে মুক্তিযোদ্ধারা।  কোম্পনীগঞ্জের বামনী, তালমাহমুদের হাট, ১২ নং সুইস গেইট, সদরের ওদারহাট, করমবক্স, বেগমগঞ্জের ফেনাকাটা পুল, রাজগঞ্জ, বগাদিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় হানাদার বাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে শহীদ হন অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধা। নোয়াখালীকে হানাদার মুক্ত করার লক্ষ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রস্তুতি যখন প্রায় চুড়ান্ত, ঠিক তখনই ৫ ই ডিসেম্বার মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর প্রবল আক্রমনে মুখে ফেনীতে পাকহানাদার বাহিনী টিকতে না পেরে  কুমিল্লা সেনানিবাসের উদ্দেশ্যে পালিয়ে যেতে থাকে পাকিস্তানী মিলিটারিরা ও মিলিশিয়ারা। ৫ই ডিসেম্বার চৌমুহনীর টেকনিক্যালে একদিকে লুৎফুর রহমানের দল , একদিকে রুহুল আমিনের দল, মুজিববাহিনী, ন্যাপ, কমিউনিস্ট পার্টি ছাত্র ইউনিয়নের গেরিলা দল সব মিলে প্রায় হাজার পাঁচেক সৈন্য টেকনিক্যাল আক্রমন করেন । এই যুদ্ধ প্রায় আট ঘন্টা স্থায়ী হয় । এই যুদ্ধে মোহাম্মদ, হাবিলদার হামিদসহ আর ৫/৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন । 

হানাদার বাহিনী ৫ই ডিসেম্বার চৌমুহনীর টেকনিক্যালে ছেড়ে কুমিল্লা সেনানিবাসের উদ্দেশ্যে পালিয়ে যেতে  বাধ্য হয় । এ সময় বেগমগঞ্জ-লাকসাম সড়কের বগাদিয়া ব্রিজ অতিক্রম করতেই সুবেদার লুৎফুর রহমান ও শামসুল হকের নেতৃত্বাধীন মুক্তিবাহিনীর হামলায় অসংখ্য মিলিটারি সদস্য ও মিলিশিয়া নিহত হয়। নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন  রাজাকার ক্যাম্প থেকে অধিকাংশই মাইজদী পি.টি.আই. তে আশ্রয় গ্রহন  করে। ৬ই ডিসেম্বার ’সি’ জোন নেতৃবৃন্দ একত্রিত হয়ে মাইজদী আক্রমনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন এবং শহর আক্রমনের যাবতীয় পরিকল্পনা প্রনয়ন করেন । সুজাপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকউল্ল্য ও লক্ষীনারায়নপুরের  বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের তৎকালীন ডিসি  মজ্ঞুরুল করিমের সাথে টেলিফোনে যোগাযোগ করে বলেন আমরা সকালে শহরে আসব , আপনার বাহিনী যেন প্রতিবদ্ধকতা সৃষ্টি না করে। ডিসি সাহেব শুধূ জিজ্ঞেস করেন আপনারা কে ? উত্তরে তারা বলেন আমরা বাঙ্গালী । ৬ই ডিসেম্বার বেগমগজ্ঞের মান্নান ও শাহাজান তাদের বাহিনী নিয়ে মাইজদীতে আসেন , সেনবাগের নবীপুর ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের অস্থায়ী হেডকোয়ার্টার । সেখান থেকে মুক্তিযোদ্ধারা  কবিরহাট, চাপরাশিরহাট রাজাকার ক্যাম্প আক্রমন করেন । নোয়াখালী সদরের নাহার মঞ্জিলে মিলিশিয়া ও রাজাকারদের আক্রমন করেন । সেখান থেকে মাইজদী কোর্ট বাদ দিয়ে হরিনারায়নপুর ষ্টেশনের দক্ষিন দিকে পজিশন নিল মুক্তিযোদ্ধারা ।  সেখান থেকে গ্রেনেড চার্জ করে গোদার মসজিদে  উঠলো , লালবিহারী দোকানের ভেতর কয়েকজন রাজাকার ছিল । সেখান থেকে রাজাকাররা গুলি করে । মুক্তিযোদ্ধারা শুয়ে পড়লে কারো গায়েগুলি লাগেনি ।  

গুলিতে জাহাঙ্গীর আহত হয় । মুক্তিযোদ্ধারা তাদের পজিশন পরিবর্তন করেন ।  মাইজদী বাজার হতে সোনাপুর পর্যন্ত ১২টি পথে ২০০ জন মুক্তিযোদ্ধা রাত ৩টািয় আক্রমন শুরু করেন । মাইজদী ভোকেশনাল আক্রমন করলে টিকতে না পেরে রাজকাররা আত্নসমর্পন করে । সোনাপুর ও দত্তেরহাট ক্যাম্পের রাজাকাররা ত্রীব আক্রমনে টিকতে না পেরে আত্নসমর্পন করে । অপরদিকে মুজিববাহিনী বৃহত্তর নোয়াখালীর জেলা কমাান্ডার মাহামুদুর রহমান বেলায়েতের নির্দেশে মুজিববাহিনী পূর্ব দিক থেকে কোর্ট ষ্টেশন রাজাকার ক্যাম্প আক্রমন করে পতন ঘটায় এবং তারা পিটিআইর দিকে এগুতে থাকে । ডিজোনের রফিক কমান্ডার তার বাহিনী নিয়ে দত্তেরহাট ক্যাম্প আক্রমনে সি জোনের মুক্তিবাহিনীর সাথে একত্রিত হয়ে যৌথভাবে আক্রমন করে । দত্তেরহাট ক্যাম্পে এই আক্রমনে প্রায় ৮ থেকে ১০ জন রাজাকার নিহত হয় । এ সময় সোনাপুর থেকে মাইজদীবাজার পর্যন্ত শহরের এলাকা মুক্তিবাহিনী দখল করে । বেলা ১১টার সময় পুলিশবাহিনী আত্নসমর্পন করে এবংম্যাগজিনের সমস্ত গুলি, রাইফেল , অস্ত্রসস্ত্র ’সি’ জোনের হেডকোয়াটার ছয়ানীতে নিয়ে রাখা হয় ।  পি.টি.আই. এর রাজাকাররা দোতালা থেকে নেমে চর্তুদিকে গুলিবর্ষন করতে থাকে । মুক্তিবাহিনীর বীরমুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলে এলাহীর নেতৃত্বে চর্তুদিক ঘেরাও করে রাখে এবং পাল্টা গুলিবর্ষন অব্যাহত রাখে । 

মুক্তিযোদ্ধাদের নিকট বিকট বিল্ডিং বিধ্বংসী অস্ত্র না থাকায় ফেনী থেকে ২ ইঞ্চির মর্টারগান  এনে আনুমানিক সদ্ধ্যা ৬টার দিকে মাইজদী স্টেডিয়ামের উত্তর পশ্চিম কর্নার থেকে পি.টি.আই. রাজাকার হেডকোয়ার্টার উপর মর্টার ও অনান্য অস্ত্রশস্ত্রের সাহায্যে প্রচন্ড আক্রমন করলে কয়েকজন রাজাকার মারা যায় ও বাকীরা সেখান থেকে পালিয়ে যাবার চেষ্টা করলে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে ধরা পড়ে।  এমনিভাবে নোয়াখালী মাইজদী শহর ৭ ডিসেম্বার ১৯৭১ সালে হানাদার মুক্ত হয় । মুক্ত দিবসের  প্রাক্কালে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান আবেগপ্রবন হয়ে পড়েন এবং বলেন  ৭ই ডিসেম্বর ভোররাত থেকে মুক্তিযোদ্ধারা নোয়াখালীকে শত্রুমুক্ত করার চুড়ান্ত অপারেশন শুরু করেন। সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে সকল মুক্তিযোদ্ধারা একযোগে চতুর্দিক থেকে আক্রমন চালিয়ে বেগমগঞ্জ চৌরাস্তা সংলগ্ন টেকনিক্যাল হাইস্কুল অবস্থিত রাজাকার ক্যাম্প মুক্ত করে। একই দিন জেলা শহরের মাইজদি কোর্ট ষ্টেশন, জিলা স্কুল, দত্তেরহাট নাহার মঞ্জিল মুক্ত করে অকুতভয় বীর মুক্তিযোদ্ধারা। তারপর পাকআর্মি ও রাজাকারদের প্রধান ঘাঁটি মাইজদি পিটিআই ভোর থেকে মুক্তিযোদ্ধারা চতুর্দিক ঘিরে ফেলে।

 মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থান টের পেয়ে পিটিআই ক্যাম্পের ভেতরে অবস্থানরত রাজাকাররা এলোপাতাড়ি গুলি বর্ষণ করতে থাকে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে পার্শ্ববর্তী সরকারি আবাসিক এলাকার এক ব্যক্তি মারা যান। পাল্টা গুলি চালায় মুক্তিযোদ্ধারাও। গুলির শব্দে কেঁপে উঠে পুরো শহর। সন্ধ্যা ঘনিয়ে অন্ধকার নেমে আসার সাথে সাথে ক্যাম্প ছেড়ে পালাতে থাকে রাজাকাররা। বিপরীত দিক থেকে গুলি বন্ধ হলে মুক্তিযোদ্ধারা ক্যাম্পের ভেতরে গিয়ে দেখতে পান সেখানে ১০-১২ জন রাজাকারের লাশ পড়ে আছে। আরো কয়েকজন রাজাকার ধরা পড়ে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে। এভাবে ৭ ডিসেম্বর মুক্ত হয় নোয়াখালী জেলা ।  

বিশেষ করে মাইজদি পিটিআই হানাদারদের ক্যাম্পে অত্যাচার ও গুলি করে মুক্তিযোদ্ধা এবং স্বাধীনতাকামীদের হত্যার পর জেনারেল হাসপাতালের পিছনে গর্ত করে পুতে ফেলে, তাদের কবরগুলি আজো সংরক্ষিত হয়নি। বেগমগঞ্জ কালাপুলের নীচে দিয়ে যে খাল বয়ে চলেছে  সেই খালের দুপাশে রয়েছে অসংখ্য গনকবর । নাজেরপুর চৌরাস্তায়র গনকবরে ঠাঁই পেয়েছে অসংখ্য মুক্তিকামী বাঙ্গালি । কালাপুলের দুপাশের গনকবরে ঠাঁই পাওয়া শহীদদের মধ্যে যাদের নাম জানা গেছে তাঁরা হলেন আবু তাহের (ইউনিয়ন -বেগমগঞ্জ), রুহুল আমিন (আমিন বাজার ) আব্দুল আজিজ (মিরওয়ারিশপুর), ফরিদ টিটির ছেলে (তার নাম  জানা যায়নি ), কতালাপুলের উত্তরে কয়েকজন শহীদের একটি কবর, কিন্তু আজ সেই গনকবরের অস্তিত্ব নেই বললেই চলে । কবরটি মাটির সংগে মিশে গেছে । এই গনকবরে শায়িত যে দুজন শহীদের  নাম জানা গেছে তাঁরা হলেন  মাইজদী কোর্টের মোস্তফা এবং তাজুল ইসলাম । পলিটেকনিক্যাল হাইস্কুল মাঠের উল্টোপাশের একটি ছোট গাছতলায় আর একটি গনকবর রয়েছে , আর এই গনকবরে চারজন নির্যাতিত মহিলা শহীদের লাশ পাওয়া যায়। তখনকার এই ঘটনার প্রতক্ষদর্শী সোলেয়মান জানান আগষ্টের শেষ সপ্তাহ হবে ভেতর থেকে পচা গদ্ধ আসছে । পাক আর্মিরা তখন ছিলনা । ভিতরে গিয়েদেখি চারজন মহিলার লাশ পড়ে আছে । আমরা তাড়াতাড়ি গাছতলায় গর্তকরে ঐ চারজনকে একসাথে মাটি চাপা দিলাম । তাঁদের পরনে শাড়ি ছিল আর দুজনের সিথিতে ছিল সিঁদুর । তাদের নাম ঠিকানা জানতে পারিনি ।  

এরকম অসংখ্য শহীদদের গনকবর ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন আয়গায় ।  জোবাইদা নাসরিন কর্তৃক লিখেত ” মুক্তিযুদ্ধে নোয়াখালী” – নামক প্রকাশিত বইটিতে ১২০ পৃষ্ঠা হতে ১২২ পৃষ্ঠা পর্যন্ত গনকবর ও বধ্যভূমি শীর্ষক লেখায় উল্লেখ আছে এরকম আরো অনেক বীর শহীদদের গনকবর ও বধ্যভূমি কথা । যা আজো সংরক্ষিত হয়নি , এমনকি অনেকস্থানের  শহীদদের গনকবর ও বধ্যভূমিকে চিহিৃত করে সরকারি ভাবে ঘোষনা পর্যন্ত দেয়া হয়নি । তাই আগামী প্রজন্মের জন্য হলে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের এই মহান বিজয় গাঁথা যাদের আত্নত্যাগে এই জেলায়  রচিত হয়েছে সেই স্থানগুলি স্বাধীনতার ৪৬ বছরে পর হলে ও যার ডাকে ১৯৭১ সালে বাঙ্গালি জাতি স্বাাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন সেই  হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবদ্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী  দেশরত্ন শেখ হাসিনার কাছে নোয়াখালী মুক্ত দিবসে সকল জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধা,  শহীদ পরিবারের জীবিত সদস্যগন  ও ৭১ এর চেতনায় বিশ্বাসী সকল মানুষের আজ একটাই চাওয়া।  

নানা কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে মুক্ত দিবসটি পালন করবে জেলা প্রশাসন, আওয়ামী লীগ ও এর অংগসহযোগী সংগঠন সমূহ , জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, নোয়াখালী বিজয়মেলা কমিটি ,নোয়াখালী সম্মিলিত সাংষ্কৃতিক জোট সহ স্বাধীনতার স্বপক্ষের সকল রাজনৈতিক দল । এ উপলক্ষ্যে মাইজদী পি.টি.আই. সংলগ্ন মুক্ত মঞ্চে আলোচনা সভা, মুক্তিযুদ্ধের গান ও বিজয় র‌্যালী  অনুষ্ঠিত হবে । 

আরও পড়তে এইখানে ক্লিক করুন।

আরও পড়ুনঃ 

Facebook

মন্ত্যব্য করুন