শিরোনাম:

Wed 06 December 2017 - 08:21pm

নওয়াজ শরিফের সঙ্গে যৌথ বিনিয়োগ জিয়া পরিবারের অবৈধ অর্থ

Published by: নিউজ রুম এডিটর, বাংলাদেশ প্রেস

65195b8b28612fb20163c231e13b24d0.png

কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরিয়েছে। সৌদি সরকারের তদন্তে দেখা গেছে, শুধু সৌদি আরব নয়, মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে জিয়া পরিবারের অবৈধ সম্পদ। মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত চারটি দেশে জিয়া পরিবারের অবৈধ সম্পদ ও বিনিয়োগের তথ্য পেয়েছে সৌদি দুর্নীতি বিরোধী কতৃপক্ষ। এই দেশগুলো হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার ও লেবানন। এর মধ্যে দুটি দেশে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের সঙ্গে যৌথ বিনিয়োগ রয়েছে বেগম জিয়ার। সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে দুর্নীতি বিরোধী অভিযানের তদন্তে এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

গত ৪ নভেম্বর থেকে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স দুর্নীতিবিরোধী অভিযান শুরু করেছেন। এই অভিযানে এ পর্যন্ত ১১ জন সৌদি প্রিন্স সহ মোট ২০১ জনকে আটক করা হয়েছে। আটক যুবরাজদের তথ্যের ভিত্তিতে ৩ জন বিদেশি রাজনীতিবিদের বিপুল অর্থ পাচারের চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। মূলত আটক সৌদি প্রিন্স আল-ওয়ালিদ বিন তালাতের জবানবন্দি থেকেই বেগম জিয়া ও তাঁর পরিবার, পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ ও তাঁর পরিবার এবং ইয়েমেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী সাদ আল হারিরি অর্থ পাচারের তথ্য বেরিয়ে আসে।

সৌদি আরব ছাড়াও বেগম জিয়া ও তাঁর পরিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করেছেন। দুবাইতে জিয়া পরিবারের নামে-বেনামে অ্যাপার্টমেন্ট, বিপণিবিতান, সুপারমার্কেট এবং বাণিজ্যিক প্লটে বিনিয়োগ আছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত কালো টাকার স্বর্গ হিসেবে বিবেচিত। তাই সৌদি আরব এই অবৈধ সম্পদের পরিমাণ জানতে পারলেও তা বাজেয়াপ্ত করতে পারবে না। সংযুক্ত আরব আমিরাত ছাড়াও কুয়েতে বেগম জিয়ার দুটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সন্ধান পাওয়া গেছে। ২০০৩ এবং ২০০৪ সালে এই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট দুটি করা হয়েছে। তবে কুয়েত বিদেশি নাগরিকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য গোপন রাখে। কাতারে বেগম জিয়ার শেয়ার মার্কেটে বাংলাদেশি টাকায় অন্তত ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। কাতারের একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানিতে তারেক জিয়ার বন্ধু গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের ১০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে। তবে ২০০৫ সালের এক লিখিত নির্দেশে ওই বিনিয়োগের লভ্যাংশ তারেক জিয়ার অ্যাকাউন্টে জমা হয়।

সৌদি দুর্নীতি অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ১৯৯১-৯৬ সালে সামান্য টাকা সৌদি আরবে পাচার দিয়ে বেগম জিয়ার কালো টাকার সাম্রাজ্যের সূচনা। ২০০১ থেকে এই অবৈধ অর্থ পাচার মহামারীর আকার ধারন করে। এই সময়ের মধ্যে শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই জিয়া পরিবার অন্তত এক হাজার কোটি টাকা পাচার করেছেন বলে সৌদি দুর্নীতি দমন কমিশন জানতে পেরেছে।



Last update: Thu 07 December 2017 - 09:52am

Facebook

মন্ত্যব্য করুন