শিরোনাম:

Wed 06 December 2017 - 09:11am

মুক্তিযুদ্ধের দ্বিতীয় ফ্রন্ট- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র

Published by: নিউজ রুম এডিটর, বাংলাদেশ প্রেস

0266e70694276614f220e6b9b69eef7f.jpg

বাংলাদেশপ্রেস: স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র ছিল একাত্তরে বাঙালির আত্মত্যাগের প্রেরণা। সে সময়ে বেতার কেন্দ্রের অনুষ্ঠান শুনবার জন্য কোটি কোটি মুক্তিকামী মানুষ কান পেতে অপেক্ষা করতো। শব্দ সৈনিকরা বেতারের মাধ্যমে গান-সুর-কথিকায় অনুপ্রাণিত করতো রণাঙ্গনে যোদ্ধাদের। এভাবেই মুক্তিযুদ্ধের দ্বিতীয় ফ্রন্টে পরিণত হয় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র।

কণ্ঠই তখন অস্ত্র। বিধ্বংসী শক্তি। বাঙালির জীবনে পরম আনন্দ-বেদনার কালে সুরে সুরে ভাসিয়ে, নতুন প্রত্যয়ে যুদ্ধ জয়ের সাহস দিয়েছিল স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র। গানতো ছিলই, এর পাশাপাশি রম্য কথিকা, সংবাদ, সাহিত্য পুরো নয়মাস আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে হয়ে উঠেছিল বেতার কেন্দ্র। তবে সহজ ছিলনা পথচলা। পাকিস্তানী বাহিনীর রোষানল এড়াতে পারেনি বেতার কেন্দ্র।

কামাল লোহানী জানান, 'স্বাধীন বাংলা বেতারের যে প্রচার। এপ্রচারের কারণে বাংলার মধ্যে যে এক্য, মানুষের মধ্যে যে সাহস সঞ্চয় হয়েছিল তা ছিল অসাধারণ। স্বাধীন বাংলা বেতার শুনে উজ্জীবিত হত এবং আমরা জয়ী হবো সেই মানুষিক বল তাদের মধ্যে তৈরি হতো।'

এরপরও ঘুরে দাঁড়ায় বেতার। যুদ্ধের নয়মাসই বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণ প্রচার করা হয়। এই ভাষণ স্বাধীনতাকামী মানুষকে দৃঢ় প্রত্যয় ধরে রাখতে শক্তি যুগিয়েছে।

লায়লা হাসান জানান, 'সবাই স্বাধীন বাংলার বেতার শোনার জন্য উদগ্রীব হয়ে থাকতেন। বেতার বাংলার গান, কবিতা, রম্য শুনে নতুনভাবে উজ্জীবিত হয়েছে সংগ্রামীরা।'

আজও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের গান প্রেরণার অনন্ত উৎস ও ভালবাসার ঝরনাধারা, স্বদেশ প্রেমের উজ্জ্বল দীপশিখা।


Facebook

মন্ত্যব্য করুন