শিরোনাম:

Sun 03 December 2017 - 10:26pm

শান্তি চুক্তি, শেখ হাসিনার সাহসী পদক্ষেপ।। আবদুল মালেক

Published by: নিউজ রুম এডিটর, বাংলাদেশ প্রেস

99eeec80f7aa156a376275db9d6592c8.png


আবদুল মালেক: কয়েক দশকের অশান্ত পাহাড়ে শান্তির পায়রা উড়িয়ে '৯৭ সালে নবযুগের সূচনা করেছেন শেখ হাসিনা। অস্ত্রের তান্ডব মিটিয়ে শান্তি চুক্তি, শেখ হাসিনার জন্য ছিল কঠিন চ্যালেঞ্জ, সে চ্যালেঞ্জ তিনি গ্রহন করেছেন। যুগান্তকারী সে চুক্তির আজ ২০ বছর, চুক্তির ধারা বাস্তবায়নে সচেতন সরকার। ভূমি সংক্রান্ত যে সমস্যা সেটিও মীমাংসা হবে যথাশীঘ্র সম্ভব। পার্বত্য শান্তি চুক্তির ফলস্বরূপ দেশি-বিদেশি পর্যটক পাহাড়ি নৈসর্গিক দৃশ্যের আস্বাদ নিতে পারছে প্রাণভরে।
-
মূলত পাহাড় অশান্ত হতে থাকে ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পট-পরিবর্তনের পর। সপরিবারে বঙ্গবন্ধু নিহত হলে রাষ্ট্রক্ষমতা দখর করে মেজর জিয়া। সেনা শাসকদের চরিত্র হলো বল প্রয়োগে সমস্যার সমাধান করা। মেজর জিয়াও ব্যতিক্রম নয়। বিবদমান পক্ষ দমনে পাকিস্তানি স্টাইলে সেনা মোতায়েন করে। তার পাকিস্তানি প্রভু আইয়ুব খান, ইয়াহিয়া খানের শিক্ষা হিতে বিপরীত ফল বয়ে আনে। ফলে দীর্ঘ মেয়াদে অশান্ত হয় পাহাড়।
-
দোষারোপ ও সম্যস্যা তৈরি করা খুবই সহজ কাজ। সমস্যার গুরুত্ব অনুধাবন করে সমাধান বের করা, সে মোতাবেক কাজ করা সহজ নয়। শেখ হাসিনা পাহাড়ি সমস্যা মানবিক দৃষ্টিতে দেখে সমাধানে ব্রতী হোন। এটি খুবই সাহসী একটি সিদ্ধান্ত ছিল। একটি মহল সব কাজে ছিদ্রান্বেষণে ব্যস্ত। যারা দীর্ঘদিন পাহাড়ে সমস্যা জিইয়ে রেখেছিল সেই অবৈধ সেনা শাকদের সমালোচনা না করে বরং এখন সমালোচনা করা হচ্ছে বর্তমান সরকারের।
-
হ্যা, পার্বত্য শান্তি চুক্তির পুরোটা বাস্তবায়ন করা যায়নি। তবে অতি সম্প্রতি সরকার যে ভূমি কমিশন করেছে, পাহাড়ে এর পুর্বে এ কাজটি কোন সরকার করেছে? আজ সন্তু লারমা যে শান্তি ও স্বস্তিতে জনসভায় বক্তৃতা-বিবৃতি দিতে পারেন, তাঁর পাহাড়ি জনপদে যে দিনরাত অস্ত্রের ঝনঝনানি শুনতে হয়না তা কার অবদান? তিনি যে পাহাড়ি সংগঠনের নেতৃত্ব দিতেন সেটি ছিল অস্ত্রধারী একটি সংগঠন, এখন এ সংগঠনের সদস্যেরা অনেকেই মর্যাদাপূর্ণ জীবনের অধিকারি, এটি কার অবদান?
-
পাহাড়ি-বাঙালী, সকলেই বাংলাদেশের নাগরিক। দেশের কোন অঞ্চল, জনপদ, কোনো বিশেষ জনগোষ্ঠীকে বঞ্চিত করে জাতীয় উন্নয়ন অসম্ভব। অশান্ত পাহাড় যে জাতীয় অগ্রগতির অন্তরায় এটি দীর্ঘ ২২ বছর কেউ অনুধাবন করেনি, ঐ শাসকদের সেই  দুরদর্শীতাই ছিল না। শেখ হাসিনা দুরদর্শী রাষ্ট্রনেতা, তিনি অনুধাবন করেছেন। পাহাড়িদের দাবির প্রতি তিনি সংবেদনশীল। ক্রমান্বয়ে পাহাড়ের সব দাবি বাস্তবায়ন হবে এটি সরকারের অঙ্গীকার।

জয়বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু


লেখকঃ উপ-সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রেস।

পড়ুনঃ 


Facebook

মন্ত্যব্য করুন