সম্পাদকীয়

বলেছিলাম চাকমা রাজাদের কে কোথায় খোঁজ নিন

প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০১৯ |

মোঃ তৈমুর মল্লিক ভূঁইয়া, উপ-সম্পাদক ■ বাংলাদেশ প্রেস

সেনাসদস্যের মৃত্যু দিয়ে ম্যাসেজ এসেগেছে।

জাতীয় নির্বাচন পরপরেই চট্টগ্রামে নৃশংস হামলা নিয়ে লিখেছিলাম, আপনারা খোঁজ নিন চাকমা রাজাদের কে কোথায়। জানিনা সেদিন সেই আহবান কেউ শুনেছিল কি না।  

সেদিন সকল পত্রপত্রিকায় দেখেছিলাম, সকল আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বলেছে, সব কিছুই নিয়ন্ত্রণে। 

লিখেছিলাম নিয়ন্ত্রণ চাইনা, বিষাক্ত বৃক্ষের পরিসমাপ্তি চাই।  জানিনা সেটাও কেউ শুনেছিল কি না।  

দীর্ঘদিন পরে, বলাচলে দীর্ঘ বছর পরে সরাসরি সেনাবাহিনীর উপর হামলা দেখে বুঝতে পারলাম আসলেই কেউ আমাদের কথা শোনেনা। আমলও দেয় না। 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চারপাশে অনেক উপদেষ্টা, বুদ্ধিজীবী বসে আছে। হয়তো তাদের বুদ্ধি পরিকল্পনাকেই যথেষ্ট বলেই মনে করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।  

আজ বলছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উপমহাদেশ উত্তপ্ত হচ্ছে। রোহিঙ্গা এসেছে যাদের মন্ত্রনায়, বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে অংক কষে চলেছে তারা। 

ওদিকে ঘরের পাশেই কাশ্মীর উত্তপ্ত হয়ে চলেছে। একটি সঙ্গ বদ্ধ ঘূর্ণায়মান বাতাস অস্থির হয়ে আসছে। 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি পার্বত্য এলাকায় শান্তিচুক্তির মাধ্যমে শান্তি এনেছিলেন।  সেই শান্তি আনয়নের আগে বাংলাদেশের গর্বিত সেনাবাহিনীর উপর অতর্কিত হামলা ছিল শান্তিবাহিনীর নিত্তনৈমিত্তিক ব্যাপার।  

সব ঠিক চলছিল মনে হলেও আজ মনে হচ্ছে না। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উপর হামলা আর অন্য যে কোন বাহিনীর উপর হামলায় এক ম্যারিট কাজ করে না। বলাচলে অতি সাহস ও সঙ্গবদ্ধতায় এবং ইন্দোনেই এমন ঘটনার জন্ম হয়।  

কেন যেন মনে হচ্ছে, আমরা ফিরে যাচ্ছিনাতো সেই শান্তিবাহিনীর আক্রমণের যুগে?  মনে হচ্ছে না বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দৃষ্টি পার্বত্য এলাকায় সরিয়ে নিতে একটি নক্সা প্রনয়ণ হয়েছে? যদি তাই হয় তাহলে কোন অঞ্চল উম্মুক্ত করতে পার্বত্য অঞ্চলে সেনাবাহিনীর দৃষ্টি সরিয়ে নিতে পরিকল্পিত চেষ্টা? 

কোন স্থান উত্তপ্ত হবার আগে যদি ঠান্ডার ব্যবস্থা না নেয়া হয় তাহলে ভয়ংকর কিছু ঘটবে সেটাই স্বাভাবিক। কেন আমরা অতি মানবিক হচ্ছি চাকমা রাজাদের কৃতকর্মে সেটাই প্রশ্ন।  তাদের পূর্বপুরুষ সরাসরি বাংলাদেশ বিরোধী, বর্তমানে তারা বৃটিশের অতি প্রিয়ভাজন। তাহলে কেন আমরা বারবার নিয়ন্ত্রণে আছে বলে শব্দ বলি? কেন আমরা পারিনা মানবিক আচরণের গলায় ছুরি বসিয়ে এই দেশকে নিরাপদ করতে?  

আজ একজন সেনা সদস্যের মৃত্যু শুধুমাত্র সেনাসদস্যের মৃত্যু নয়। এটা সেনাবাহিনীর প্রতি মারাত্মক থ্রেট। এই দেশের প্রতি ঝুকিপূর্ণ থ্রেট।  তাই মনে হয় আর সবকিছু নিয়ন্ত্রণে আছে এটা বলার সময় চলে গেছে। 

সবকিছু গুড়িয়ে দিয়ে সব আমাদের দখলে আছে সেটা বলার সময় হয়েছে।  

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সংখ্যালঘুরা এই দেশে যতটা নিরাপদ ততোটা আর কোন দেশে নয়। এই দেশে তারা যতটা সুবিধা নিয়ে আছে অন্যকোন দেশে সেটা সম্ভব নয়। 

তবুও একটি পরিকল্পিত নক্সায় যখন তারা এগিয়ে চলে, উচিত তাদের রুখে দেয়া৷ 

আজ আবারও বলছি, খুঁজে দেখুন চাকমা রাজারা কে কোথায়।  হয়তো সকল জটিলতা সেখানেই নিবন্ধিত।