সম্পাদকীয়

সজাগ থাকবে বাংলাদেশ!

প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০১৯     আপডেট: ২০ জুলাই ২০১৯

মোঃ তৈমুর মল্লিক ভূঁইয়া, উপ-সম্পাদক ■ বাংলাদেশ প্রেস

আজ আমি বাংলাদেশের সকল মানুষকে সজাগ থাকার জন্য চিৎকার দিলাম। বাংলাদেশকে কোন ভাবেই দাঙ্গা ফেসাদে জড়াতে দেবেন না।  

আক্রমণ চলছে একের পর এক।  একপাশে ভারত যারা সনাতন ধর্মাবলম্বী, একপাশে বঙ্গপোসাগর, তার পাশে চীন যারা বৌদ্ধ ধর্মালম্বী, একপাশে মিয়ানমার যারা বৌদ্ধ ধর্মালম্বী, চীনের পাশে রাশিয়া যারা বৌদ্ধ ধর্মালম্বী। একা পাশে সিঙ্গাপুর যারা বৌদ্ধ ধর্মালম্বী। একপাশে  পাকিস্তান যারা মুসলমান হওয়া সত্ত্বেও সম্পূর্ণ বিপরীত পন্থি। 

কি আছে আপনার? কে আছে আপনার? আপনার শুধুমাত্র আপনি আছেন। এই বিষয় আর কেউ না বুঝুক বুঝেছিলেন বাঙালি জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আর তাই তিনি সেই দেশ তৈরি করলেন বাঙালি জাতিকে সাথে নিয়ে যেখানে সকল ধর্মের মানুষ বসবাস করবে শান্তিপ্রিয় ভাবে। তাই তিনি তৈরি করেছিলেন তেমন একটি সংবিধান।  সেই সংবিধান হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন তারই যোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা। দুনিয়ার সকলেই স্বিকার করে শেখ হাসিনা অনন্য এক দেশনেত্রী জিনি বাংলাদেশকে সকলকে সাথে নিয়ে এগিয়ে চলেছেন। যারা স্বিকার করেন না তারা কোন দিন বাংলাদেশকেই স্বিকার করে নি, আগামিতেও করবে না।  যারা বিদেশি এজেন্ট হয়ে এই দেশের বিপক্ষে ক্রমাগত কাজ করে যাচ্ছে।  

বিচ্ছিন্ন ঘটনা নেই সেটা নয়, বিচ্ছন্ন ঘটনা ঘটবে না সেটাও বলা যায় না। কিন্তু সেই বিষয় দমন করতে আমার দেশে প্রশাসন আছে, আইন আছে, সরকার আছে। আছে শান্তিপ্রিয় মানুষ।  

আমার দেশের এই সকল ধাপে সমস্যা নেই সেটা নয়। ছোট খাটো সমস্যা থাকতেই পারে কিন্তু সেই বিষয়কেও সমাধানের দায় আমাদের। আপ্যায়ন করে কোন বিদেশি শক্তি নিয়ে এসে আমাদের ছোটখাটো সমস্যা সমাধানের চেষ্টা মানেই দেশের প্রতি অনাস্থা নিয়ে আসা, দেশের প্রতি দ্রোহী হওয়া, রাষ্ট্রদ্রোহিতায় নাম লেখানো।  

আমাদের পুলিশের মর্যাদায় আঘাত হানার কোন অধিকার কারো নেই, আমাদের দেশের আইনকে ছোট করার কোন অধিকার কারো নেই, আমাদের দেশের প্রশাসনকে ছোট করার অধিকার কারো নেই, আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর অধিকার কারো নেই। 

বিদেশি এজেন্টরা তাদের নিজেদের স্বার্থে জেগে উঠেছে।  বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জাতিগত দাঙ্গা ফেসাদ জাগিয়ে তুলতে চক্রান্ত শুরু করেছে। 

কোন ছাড় নেই, আমাদের দেশের আভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ভেঙে দিতে যারাই চেষ্টা করবে তাদের বিরুদ্ধে সাথে সাথেই সোচ্চার হতে হবে।  শেখ হাসিনাকে কোন ভাবেই থামতে দেয়া যাবে না। তার নিরাপত্তা, তার গতি, তার সুস্থতা যে কোন মূল্যে আমাদের বজায় রাখতেই হবে।  

বাংলাদেশকে বাংলাদেশ দেখতে গেলে শেখ হাসিনার চিন্তাশক্তিকে সমুন্নত রাখতেই হবে। 

বিদেশি চক্রান্তকারী, বিদেশি এজেন্ট সকলের একটাই চেষ্টা শেখ হাসিনাকে থামিয়ে দেয়া। তারজন্য সকল রাস্তায় পদচারণা তাদের রয়েছে।  আমাদের যার যার অবস্থান থেকে আমাদের পুলিশ, আমাদের আইন, আমাদের বিচার, আমাদের প্রশাসন, আমাদের প্রধানমন্ত্রীর পাশে অবশ্যই দাড়াতে হবে। 

যা কিছু সমস্যা সব সমাধান আমরাই করতে চাই, যা কিছু অনিয়ম আমরাই দূর করতে চাই।  আর সেটা হবেও ইনশাআল্লাহ।  

সবার শেষে এটাই বলতে চাই - "আমার সোনার বাঙলা আমি তোমায় ভালোবাসি "। আর তাই আধুনিক বাংলাদেশের রুপকার শেখ হাসিনার জন্য আমাদের সজাগ থাকতেই হবে।