সম্পাদকীয়

মাননীয় প্রশাসন মনে হয় ধর্মান্ধতা মাথাচাড়া দিতে শুরু করেছে

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০১৯

মোঃ তৈমুর মল্লিক ভূঁইয়া, উপ-সম্পাদক ■ বাংলাদেশ প্রেস

ভারত তাদের ধর্মান্ধতা সমুন্নত রাখতে মুসলমানদের উপর নির্যাতন চালাচ্ছে। মানুষের হাতে মানুষ লাঞ্চিত, পদদলিত, রঞ্জিত। নিঃসন্দেহে এটা ঘৃণিত একটি কাজ। আশাকরি ভারত সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন হবে। হয়তো সেটাই হবে দীর্ঘস্থায়ী শান্তির জন্য সঠিক পদক্ষেপ।  

বাংলাদেশ ভারতের ৩ দিক দিয়ে বেষ্টিত একটি দেশ। এবং বাংলাদেশের ৯৫ শতাংশ মানুষ মুসলমান।  ভারতের অভ্যন্তরে চলমান নেতিবাচক ঘটনার বাংলাদেশে আসবে না সেটা নয়। সেটা ভাবাও হবে বোকামি।  

তবে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার, তার আইন, তার প্রশাসন,  বাংলাদেশের মানুষের সৌহার্দপূর্ণ মনোভাব, তাদের  শান্তিপ্রিয় মনোভাব অবশ্যই প্রসংসার দাবি রাখে। বাংলাদেশ পেরেছে ভারতের মুসলিম সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতনের প্রভাবের বাতাস এই দেশে পড়তে দেয় নি।  

কিন্তু ভিতরে ভিতরে যে কোথাও আগুন জ্বলছে না সেটা কিন্তু বলা যাবে না। বরং এটা অবশ্যই মনে রাখতে হবে আগুন জ্বলছে ধিকিধিকি করে। 

কোন অবস্থাতেই বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভিন্নধর্মী পালনকারীরা নিরাপত্তাহীনতায় থাকুক আমরা সেটা কখনই আশা করতে পারিনা।  কারণ ভারতের মধ্যে ঘটে যাওয়া ঘটনা প্রবাহে বাংলাদেশের ভিতরে থাকা হিন্দু সম্প্রদায় দায়ি নয়। তারা অন্য সকলের মতো স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক সেটাই আমরা সবাই বিশ্বাস করি।  

ভারত তার হিন্দুদের শেখাতে পারেনি বলে আমরা শিখব না সেটা হতে পারে না।  

কট্টরপন্থী মনোভাব বর্জন করে আমাদের উচিত আরো বেশি আন্তরিক হয়ে ভারতকে শেখানো। আমার ধারণা সেখানেই হবে আমাদের বড় জয়।  

আমরা কোন ক্রমেই ভারতের উপর বিরক্ত হয়ে নিজের দেশে আগুন জ্বালাবো না।  নিজের দেশকে অস্থিতিশীল করবো না।  কারণ আমরা বাংলাদেশি, মণবিক আচরণ আমাদের সবচেয়ে বড় সম্বল।  

মাননীয় প্রশাসন যথেষ্ট সফলতার সাথে এমন বিষয়কে মাথায় রেখেছে সেটা প্রমানিত।  তবে কেন যেন মনে হচ্ছে কোথাও যেন আগুন জ্বলে উঠতে চেষ্টা করছে। ক্লু হিসাবে সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন স্থানে কিছু প্রচারণা। 

আমরা বিশ্বাস করি প্রশাসন এমন বিষয়কেও মাথায় রেখে আমাদের সোনার দেশকে স্থিতিশীল রেখে শেখ হাসিনার চলার পথকে সুগম করবে।  সেই সাথে নিরাপদ রাখবে দেশের সকল মানুষকে।