সম্পাদকীয়

হত্যা মামলার আসামি আদালতেই হত্যা করলো দোসরকে!

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০১৯

মোঃ তৈমুর মল্লিক ভূঁইয়া, উপ-সম্পাদক ■ বাংলাদেশ প্রেস

তাহলে সব সম্ভবের দেশ বাংলাদেশ কথাটা আরো মজবুত হলো তাইতো?  

কুমিল্লার আদালতে এক হত্যা মামলা চলার সময় দুইজন অভিযুক্ত হাজির। তাদের চারপাশে নিরাপত্তা বেষ্টনী। আদালতের বাইরে নিরাপত্তা বেষ্টনী। আদালতের মধ্যে আইনজীবী সহ উপস্থিত অনেক মানুষ। এক কথায় লোকে লোকারণ্য।  

বিচারিক আদালতে আসামী ধারালো অস্ত্র নিয়ে প্রবেশ করেছে, সেখানেই মানিনীয় বিচারক সাহেব এবং বিজ্ঞ উকিলদের আসামি দেখিয়ে দিয়েছে কি ভাবে মানুষকে হত্যা করতে হয়।  

পুলিশ বাহিনিকে দেখিয়ে দিয়েছে তারা কতটা উদাসীন। সকলের চোখের সামনেই অভিযুক্ত দুইজনের একজন অন্যজনকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হত্যা করলো।  

"এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি 

সকল দেশের রানী সে যে আমার জন্মভূমি"। 

হায়রে আমার জন্মভূমি, তুমি সব সম্ভবের দেশে পরিনত হয়ে গেছো।  

পুলিশ বলেছে, কিভাবে আসামী ধারালো অস্ত্র নিয়ে প্রবেশ করলো সেটা খতিয়ে দেখতে হবে। 

এই "খতিয়ে" দেখা শব্দটা বড় অদ্ভুত। শব্দটির একটি আভিজাত্য আছে। রাজনৈতিক বিষয় আর প্রশাসনিক উচ্চ পর্যায় ছাড়া এই শব্দটি তেমন একটা ব্যবহার হয় না।  

তাহলে চলেন যাই, সবাই মিলে খতিয়ে দেখি কিছু পাওয়া যায় কি না।  

মাননীয় বিচারক সাহেব আপনি নিরাপদ আছেনতো? সাবধানে বিচারক সিংহাসনে বসবেন, বলা যায় না কি দিয়ে কি হয়।  

আসুন আমরা সবাই মিলে খতিয়ে দেখি। চোর মালামাল নিয়ে দরজা খুলে বেরিয়ে গেছে, আমরা তখনও বলি - "দেখি চোর কি করে"।