সম্পাদকীয়

  • মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে - রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে বাঁধায় কঠোর ব্যবস্থা, কিন্তু কার বিরুদ্ধে?

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে - রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে বাঁধায় কঠোর ব্যবস্থা, কিন্তু কার বিরুদ্ধে?

  • রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন খেলা, নাকি নীল নক্সা??

    রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন খেলা, নাকি নীল নক্সা??

  • অফিশিয়াল চক্রান্তের জাল এখন দক্ষিন এশিয়ায়, নিজের অবস্থান কেন সহিংস ?

    অফিশিয়াল চক্রান্তের জাল এখন দক্ষিন এশিয়ায়, নিজের অবস্থান কেন সহিংস ?

  • বঙ্গবন্ধু হত্যার পূর্ণ বিচারে কমিশন!!

    বঙ্গবন্ধু হত্যার পূর্ণ বিচারে কমিশন!!

  • কুকর্মটা তো করেছে জিয়াউর রহমানের স্ত্রী আর পুত্র

    কুকর্মটা তো করেছে জিয়াউর রহমানের স্ত্রী আর পুত্র

মাফিয়ার কালো থাবায় বাংলাদেশ

প্রকাশ: ১০ জুন ২০১৯

সায়েদুল আরেফিন

৭৩০ টাকা দামের পাঞ্জাবি এক সপ্তাহ পর ১৩০৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে- মোহাম্মদ ইব্রাহীম হোসেন নামের এক ব্যক্তির অভিযোগ পেয়ে সোমবার দুপুরে উত্তরা আড়ংয়ে অভিযান চালায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। কটি পাঞ্জাবির দাম পাঁচ দিনের ব্যবধানে দ্বিগুন রাখায় আড়ংয়ের উত্তরা আউটলেটে সোমবার দুপুরের অভিযানে অনিয়মের প্রমাণ পেয়ে আউটলেটটিকে সাড়ে চার লাখ টাকা জরিমানার পাশাপাশি ২৪ ঘণ্টার জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই জরিমানা করার পর রাতে বদলি করা হয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সেই কর্মকর্তাকে। উপসচিব পদ মর্যাদার এই কর্মকর্তার নাম মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার। তাকে খুলনায় বদলি করা হয়। আগামী ১৩ জুনের মধ্যে তাকে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়।

সোমবার (৩ জুন) সন্ধ্যায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইটে বদলির আদেশটির প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়। বিষয়টি বিদেশে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হবার পরেই সেই আদেশ বাতিল হয়ে যায়।  

কোন ঘটনার গভীরে না গিয়ে কেন আমরা নানা ধরণের মন্তব্যের ঝড় তুলি! আমরা যদি ভেবে থাকি যে, শুধু আড়ং এ হানা দেয়ায় কারণেই মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ারকে ঢাকা থেকে খুলনায় বদলি করা হয়েছে? তাহলে বলতে হয় কারণ শুধু এটাই নয়, পিছনে আরও অনেক কিছু আছে। খুব কম জনবল নিয়ে নিরাপদ খাদ্য আন্দোলনের কর্তারা যেভাবে ভেজাল খাদ্য বিরোধী অভিযান চালিয়ে বড় বড় সুপার শপকে জরিমানা করেছে তার ফলে নাজায়েজ মুনাফালোভীদের জন্য ‘ইজ্জতের ছাওয়াল’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।        

চলুন একটু পেছনের দিকে যাই। মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার ভোক্তা অধিকারের ব্যাপারে শুরু থেকেই সততা নিয়ে স্বচ্ছতার সাথে কাজ করে আসছিলেন। অনেকটা মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন বছরের পর বছর নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে। তারপর যখন প্রধানমন্ত্রী সরাসরি নির্দেশ দিয়েছিলেন দূর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধের, তখন তিনি আর কাউকে তোয়াক্কা না করে বাংলাদেশের অনেক বড় বড় বেনিয়াদের অপরাধ এবং অপকর্মের আখড়ায় হাত দিয়ে ফেলেছিলেন। 

কিন্তু সমস্যা হলো যাদের আখড়ায় ভদ্রলোক হাত দিয়েছিলেন তারা সবাই বাংলাদেশের এক একজন অঘোষিত মাফিয়া। এরা যখন যে রাজনৈতিক দলের সরকার ক্ষমতায় আসে তখন সে দলে কোটি কোটি টাকা ডোনেট করে। অঢেল টাকার উপহার সামগ্রীর বিনিময়ে কিনে ফেলে হোমরাচোমরারা নেতাদেরকে। আর সচিবালয়ের সব দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তারাও খুব সহজেই চলে আসে এই বিকিকিনির হাটে। এর আগেও ভেজাল বিরোধী আন্দোলনে শাড়াশি অভিযান পরিচালনাকারী ম্যাজিস্ট্রেট রোকনউদ্দৌলাকে চরম অপমান সহ্য করে চাকরি বাঁচাতে হয়েছিলো। পরিবেশ নিয়ে কাজ করা সরকারী কর্মকর্তা মুনির চৌধুরীকে কত বঞ্চনার শিকার হতে হয়েছে তা বর্ণনাতীত। মেধাবী অফিসার হয়েও তিনি যুগ্ম সচিব হয়ে অবসরে যান, যার সচিব হবার কথা ছিল। সততা আর দেশপ্রেম তাঁকে রাঘব বোয়ালদের কোপানলে ফেলে এই অবস্থায় এনেছিল।   

একজন ভুক্তভগী লিখেছেন, ‘১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত আড়ং এবং প্রতিষ্ঠাতা বাবার দায়িত্ব যে কন্যা তামারা আরো শক্ত হাতে পরিচালনা করছে তার ফল তো কয়েক বছর থেকে আরো নোংরা ভাবেই দেখে আসছি ১৭০ টাকার বিছানার চাদরের গায়ে কারখানার প্রাইস ট্যাগ না উঠিয়ে তার উপরে নতুন করে আড়ং এর ২৫০০ টাকার প্রাইস ট্যাগ লাগিয়ে বিক্রির প্রতিবাদ দুবছর আগেই তো দেখেছিলাম। তারপরেও কি আড়ংয়ের কেউ কিছু করতে পেরেছিলো! পারেনি তো, আর পারবেইবা কেন ১৯৭৮ সালে জিয়ার প্রিয়ভাজন হয়ে সে আমলেই যখন খুটি গেড়েছিল, হাওয়া ভবনের আশিরবাদ পেয়েছিলো, সে কি আর এমনি এমনি! নতুন নতুন টাকা চোখে দেখা লোক জনেরা পণ্য নয় শুধু ব্রান্ডনেম কিনে নিজেদের এলিট সাজাতে ছুটে যায় আড়ংএ। কারণ ওদের টাকা তো আর আমাদের মতো কষ্টার্জিত সৎ পথের নয় তাই পণ্যের মান অনুযায়ী দাম নির্ধারণে তারা কোন কেয়ার করে না’।  

বাংলাদেশের প্রতিটি ইঞ্চিকে যারা প্রতিনিয়ত বিষাক্ত করে তুলছে। বাচ্চাদের খাবার, পানি,  ওষুধ,  দুধ,  ফল,  মাছ, সবজিসহ সকল কিছুতে যখন ভেজাল মিশিয়ে মানুষের জন্য মৃত্যুকূপ তৈরী করে কোটি কোটি টাকার পাহাড় বানানো ব্যাবসায়ী মাফিয়াদের কমবেশি আমরা সবাই চিনি এবং চিনে ফেলেছিললেন মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার নিজেও। তাই সেই চেনা মাফিয়াদের ডেরায় যখন একের পর এক হাত দিয়ে যাচ্ছিলেন, তাহলে তারা ছাড়বে কেন? মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ারকে শুধু তো ট্রান্সফার করিয়েছে ঢাকা থেকে খুলনায়, পৃথিবী থেকেই ট্রান্সফার করে দেয়নি সেটাই বড় ভাগ্য তাঁর!     

‘হস্তশিল্পের বৃহৎ বাজার’ খ্যাত যশোর শহরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সড়কের ব্যবসায়ীরা ইদানিং হতাশায় দিনাতিপাত করছেন। শুধু যশোরের অন্তত হাজার দশেক নারী হাতের তৈরি নকশি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাঁরা বাড়িতে বসে সুচ-সুতার মাধ্যমে শাড়ি, থ্রি-পিস, পাঞ্জাবি, কাঁথা ও বিছানার চাদরে নকশা তোলেন, যা ঐতিহ্যবাহী যশোর স্টিচ নামে পরিচিত এবং দেশে বিক্রির পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি হয়। কিছু কিছু ফড়িয়া সেগুলোকে ঢাকার আড়ংসহ এধরণের বিভিন্ন হ্যান্ডিক্রাফট বিক্রির দোকানে সরবরাহ করে। কিন্তু দিন দিন কারুশিল্পীদের মজুরী এতোই কমে যাচ্ছে যা, তা দিয়ে আর সংসারের অভাব মেটানোর দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু তাঁদের তৈরী পণ্যই ঢাকায় এসে ৪০০ বা ৫০০ গুণেরও বেশি দামে ঢাকায় এসে বিক্রি হয়।       

যশোর অঞ্চলের নক্সী কাঁথার ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়, ৫০০/৭০০ বছর আগে থেকেই যশোরের বিভিন্ন জনপদের মানুষ শীত নিবারণের জন্য নক্সী কাঁথা গায়ে জড়িয়ে থাকতো। গৃহবধুদের হাতে তৈরী এই নক্সী কাঁথার কদর ছিল বিদেশেও। সতীশচন্দ্র মিত্র তার ‘যশোর-খুলনার ইতিহাস’ গ্রন্থে লিখেছেন, পাঠান আমলেই যশোর বস্ত্র শিল্পে সমৃদ্ধ ছিল। উৎকৃষ্ট তুলা উৎপাদনের কারণে এই সমৃদ্ধি অর্জন করা সহজ হয়। এই কথা দেশে বিদেশে ছড়িয়ে পড়লে ১৯৭৫ পরবর্তী সময়ে জাইকা ভলান্টিয়ারদের সেখানে পোস্টিং দেওয়া হয় শাড়ি, থ্রি-পিস, পাঞ্জাবি, কাঁথা ও বিছানার চাদরে নকশা আধুনিকায়নে। উৎপাদিত পণ্যে বিক্রি করতে গিয়েই তারা এই মাফিয়াদের সন্ধান পান। যারা প্রায় বিনামূল্যে গ্রামীণ গরীব মহিলাদের হাতের কাজ কিনে নিয়ে অনেক বেশি মূল্যে তা দেশি বিদেশীদের কাছে বিক্রি করে। গরীব মহিলাদের ন্যুন্যতম ন্যায্য পারিশ্রমিক নিশ্চিত করতে সরকারের সহায়তায় কারওয়ান বাজারের বিআরডিবি হেড অফিসের নীচ তলায় জাইকার অর্থ সাহায্যে কারুপল্লী নামে একটা সেলস সেন্টার খোলে। এটা খুলতে যে কত বেগ পেতে হয় তার হিসেব দেওয়া কঠিণ। এছাড়া সেলস সেন্টারের জায়গা নির্ধারণেও হয় চরম তেলেসমাতি। ফলে কারুপল্লীতে বিক্রি আশানারুপ হয় না। যদিও ডিজানের ক্ষেত্রে প্রতি বছর কারুপল্লী অনেকগুলো পুরস্কার তা ঝুলিতে তুলতে সক্ষম হয়। পরে সেই সব ডিজাইন কপি হয়ে অন্য সব হ্যান্ডিক্রাফট শপে বিক্রি হতে থাকে। ফলে গারমের গরীব কারুশিল্পীদের চাপে ফেলে একধরণের মধ্যসত্ত্বভোগীর জন্ম নেয়। যারা কমদামে কারুশিল্পীদের কাছে থেকে কিনে আড়ংয়ের মত হ্যান্ডিক্রাফট শপে বিক্রি করে নাযায়েজ ফায়দা নিতে থাকে।          

আড়ংদের মূল সংগঠনের মত যতগুল সংগঠন আছে তাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে গরীব দরদী সেজে গরীব শোষণ। আমরা যদি বিকাশের কথা ধরি তবে কী দেখি? নিয়ম অনুযায়ী বিকাশে টাকা পাঠানোর কমিশন হিসেবে প্রতি হাজারে ১৮ টাকা ৫০ পয়সা কেটে নেবেন এজেন্ট। কিন্তু বাস্তবে নেয় ২০ টাকা। বিকাশে টাকা পাঠায় সাধারণত গরীব আর নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষেরা। এই মাফিয়াদের প্রভাবে উলটাপালটা তথ্য দিয়ে বাংলাদেশের মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি (এমআরএ)র মাধ্যমে দেশের সকল ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমে সর্বোচ্চ সুদের হার নির্ধারণ করেছে ২৭% কিন্তু বাস্তবে আরও বেশি। কিন্তু বড়লোকেরা ব্যাংকে কত হারে সুদ দেন? তাদের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে আনার জন্য চলছে প্রাণান্ত চেষ্টা। কিন্তু গরীব্দের বেলায় কোন কথা নেই।   

এসব ব্যবসায়ী নামক মাফিয়াদের মূল শক্তি হচ্ছে কর ফাঁকি দেওয়া ব্লাক মানি বা কালোটাকা আর গরীব শোষণের মাধ্যমে অর্জিত টাকা। গরীবের রক্ত শোষণ করার টাকা। শক্তির উৎস ঐ কালো টাকা দিয়েই এরা রাজনীতি ও প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করে। তাই সেখানে যখন পর পর এতোবার এতো জন বাধাগ্রস্ত হয়েছে তবে কি জাতি এভাবে দেখতেই থাকবে মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ারদের বিরত্বগাথা! নাকি সুদিন আসবে সামনে!   


© সায়েদুল আরেফিন

পরবর্তী খবর পড়ুন : নারায়নগঞ্জে দ্বিতীয় জাতীয় পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা অবহিতকরন কর্মশালা অনুষ্ঠিত


আরও পড়ুন

‘কাশ্মীর এখন কবরখানার মতো নীরব’

‘কাশ্মীর এখন কবরখানার মতো নীরব’

ভারতীয় মানবাধিকার আইনজীবী ভ্রিন্ডা গ্রোভার বলেছেন, কাশ্মীর এখন কবরখানার মতো ...

মুম্বাইয়ে ভেঙে পড়ল বহুতল ভবন; নিহত ২, নিখোঁজ অন্তত ১৫

মুম্বাইয়ে ভেঙে পড়ল বহুতল ভবন; নিহত ২, নিখোঁজ অন্তত ১৫

ভারতের মুম্বাই শহরতলির ভিওয়ান্ডিতে ভেঙে পড়েছে একটি বহুতল ভবন। শনিবার ...

জয়া এবার ভূত

জয়া এবার ভূত

ওপার বাংলার ছবিতে নানা ধরনের চরিত্র করেছেন জয়া আহসান। প্রসেনজিতের ...

টেকনাফে ওমর ফারুককে হত্যার পর রোহিঙ্গাবিরোধী বিক্ষোভ, ভাঙচুর

টেকনাফে ওমর ফারুককে হত্যার পর রোহিঙ্গাবিরোধী বিক্ষোভ, ভাঙচুর

রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা গত বৃহস্পতিবার রাতে টেকনাফে যুবলীগের এক নেতাকে নির্মমভাবে ...

ফিফায় বাংলাদেশের প্রথম দুই নারী রেফারি

ফিফায় বাংলাদেশের প্রথম দুই নারী রেফারি

বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে ফিফার রেফারি হলেন দুই সাবেক নারী ...

অধ্যাপক মোজাফফরের দাফন রবিবার কুমিল্লায়

অধ্যাপক মোজাফফরের দাফন রবিবার কুমিল্লায়

মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) ...

টেকনাফে যুবলীগ নেতা হত্যায় সন্দেহভাজন ২ রোহিঙ্গা ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

টেকনাফে যুবলীগ নেতা হত্যায় সন্দেহভাজন ২ রোহিঙ্গা ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

কক্সবাজারের টেকনাফে  যুবলীগ সভাপতি ওমর ফারুক হত্যায় অভিযুক্ত দুই রোহিঙ্গা ...

গ্রেনেড হামলার মূলপরিকল্পনাকারীরা সর্বোচ্চ শাস্তি পাবে: কাদের

গ্রেনেড হামলার মূলপরিকল্পনাকারীরা সর্বোচ্চ শাস্তি পাবে: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল ...