সম্পাদকীয়

  • বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা কোন প্রোটকলে নির্বাচন প্রচারণায় ??

    বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা কোন প্রোটকলে নির্বাচন প্রচারণায় ??

  • তারেক জিয়ার নতুন নির্বাচনী কৌশল

    তারেক জিয়ার নতুন নির্বাচনী কৌশল

  • প্রতিটি হত্যা বাংলাদেশকে নিয়ে যায় পশ্চাতে

    প্রতিটি হত্যা বাংলাদেশকে নিয়ে যায় পশ্চাতে

  • তারেক জিয়ার মরণকামড়!

    তারেক জিয়ার মরণকামড়!

  • শেখ হাসিনার সরকার কেন দরকার

    শেখ হাসিনার সরকার কেন দরকার

থাকুন ক্ষমতায়, প্রার্থীর ভীড় কমান !

প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০১৮

মানিক বৈরাগী

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন দ্রুত ঘনিয়ে আসছে। আগামী নির্বাচনকে ঘিরে বহু জল্পনা কল্পনা, পরিকল্পনা, হিসেব নিকেশ চলছে বিভিন্ন মহুলে। দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্রও উঁকি দিচ্ছে।

ক্ষমতাসীন পক্ষ আবারো ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায়। প্রতিপক্ষরাও ক্ষমতা পুণরায় ক্ষমতা ফিরে পেতে চায়।

এ নিয়ে জোট, প্রতিজোট গঠন হচ্ছে, গড়ছে, বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।

এ অবস্থায় ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতায় টিকে থাকতে হলে আরো সতর্ক সাবধান হওয়া জরুরি কাম্য !

প্রতিদিন বাড়ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ এ প্রতিটি আসনে প্রার্থীর ভিড়। এই ভিড়ে ও জটে প্রতিপক্ষ নিরবে গুছিয়ে নিচ্ছে নিজের ভোটের মাঠ।

আর আওয়ামীলীগ বাড়ছে কোলাহল, কোন্দল, উত্তেজনা, কাঁদা ছোড়াছোড়ি।

আশাবাদী ভোটাররা হচ্ছে হতাশ ও বিভ্রান্ত!

আওয়ামীলীগ এর সভা-মজলিশে উন্নয়ন প্রচার না করে চলছে একে অপরের বিরুদ্ধে বিশোদগার। হামলা, মামলা।


কেন এতো প্রার্থীর ভিড়?

গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আওয়ামীলীগ এর এক সভায় বলেছেন, “আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাকেই সংসদ সদস্য পদে মনোনয়ন দিবেন, সবাই তার পক্ষেই কাজ করবেন। আমাদের অনেক অনেক যোগ্য প্রার্থীদের ভিড়ে সকল মতামত ও যাছাই বাছাই এর ভিত্তিতে একজনকেই মনোময়ন দিব। আগামীতে আওয়ামীলীগ বিজয়ী না হলে দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হবে।“


আবার আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক এক বক্তব্যে বলেছেন, “আগামীতে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় না আসলে আওয়ামীলীগ এর অন্তত কয়েক লক্ষ লোক মারা যাবে বা হত্যার শিকার হবে। তাই আওয়ামীলীগকে অবশ্যই ক্ষমতায় আনতে হবে। আওয়ামীলীগ এর প্রতিটি নেতা কর্মী কে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।“


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা আর এক বক্তব্যে বলেছেন, “সবাইকে কিভাবে মনোয়ন দিব, মনোয়ন যাকে দিব, তার পক্ষে কাজ করবেন। আর যারা মনোনয়ন বঞ্চিত হবেন, আওয়ামীলীগ যদি পুনরায় সরকার গঠন করে, তাহলে সরকারীভাবে সরকারের মধ্যে মনোনয়ন বঞ্চিতদের সম্মান জানিয়ে সরকারীভাবে বিভিন্ন পদে পদায়ন করা হবে।“


সরকার ব্যবস্থাপনায় এমন ৬হাজার পদ রয়েছে যেখানে মনোনয়ন বঞ্চিতদের পদায়ন করে কয়েক হাজার পদে মনোনয়ন বঞ্চিতদের সন্মানজনকভাবে পদায়ন করা যায়।

  

আমি কক্সবাজারের মানুষ। আওয়ামীলীগ এর কর্মী। কক্সবাজারে আওয়ামী রাজনীতিতে আওয়ামীলীগ এর জনপ্রিয়তা বাংলাদেশের অন্যান্য জেলা  থেকে বেশ পিছিয়ে। অনুন্নত, সাম্প্রদায়িকতা-আচ্ছন্ন আওয়ামী বিরোধী জোটের ভোট বেশী। তাই কক্সবাজারের চারটি আসনে কোনকালেই চারটি আসনে সব ক'টি পায়নি। হয়, মহেশখালী কুতুবদিয়া, কক্সবাজার সদর পেলে, চকরিয়া পেকুয়া, উখিয়া টেকনাফ পায়নি।


দশম সংসদে এই প্রথম তিনটি আসন পেয়েছে, তাও আবার বিএনপি নির্বাচনে না আসার কারনে। একটি আসন জোটগতভাবে জাতিয় পার্টিকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।


সেই চকরিয়া পেকুয়া আসন টি ৭৫এর পর থেকে প্রতিবার জয়ের সম্ভাবনার আশা জাগালেও অন্তর্দলীয় কোন্দল, জামাত বিএনপির জোট ও কৌশলগত ঐক্যের কারনে হেরে যায় বার বার।


এই বার চকরিয়া পেকুয়া আসন টি পুণরুদ্ধারের সুযোগ এসেছে। আগেও এসেছিল আওয়ামীলীগ নেতাদের ঈর্ষা, বিদ্ধেষ, নির্বাচন পরিচালনার ঘাটতি থাকাতে আমরা পারিনি। বর্তমানে আবারো সেই সুযোগ হাতছানি দিচ্ছে। কিন্তু ডজন ডজন প্রার্থীর ভিড়ে তৃণমুল কর্মীরা বিভ্রান্ত হচ্ছে।


এক প্রবীণ আমাকে প্রশ্ন করলো, যার ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, এমনকি ওয়ার্ড কাউন্সিলর হবার যোগ্যতা নাই, রাজনৈতিক কর্ম-অভিজ্ঞতাও নাই সেও প্রার্থী। 


তো কেন এত প্রার্থীতা ?


১ম: আওয়ামীলীগ সভাপতি ঘোষণা করেছেন, “সবাই ঐক্যবদ্ধ থেকে আওয়ামীলীগ ও আওয়ামীলীগ এর প্রার্থী নৌকার পক্ষে কাজ করুন। বাদ পড়া প্রার্থীদের কে সরকার আবারো ক্ষমতায় এলে ঐ ৬হাজার পদে তাদের কে যোগ্যতার ভিত্তিতে মুল্যায়ন ও পদায়ন করা হবে।“ সেই লোভ হতে নিজেকে প্রার্থী হিসেবে কেন্দ্রে পরিচিতি তুলে ধরা।


২য়: “আমি এমপি হতে না পারলে কাউকে হতে দিব না। ঘোষিত প্রার্থী পরাজিত হলে, সে হতাশ ও আগামীতে পদাবনতি অবারিত।“ এ জঘন্য ও হীন মানসিকতা।


৩য়: “আওয়ামীলীগে অনেক নেতা আছেন, যুারা বহুদলীয় পরিবার বা আত্মীয় পরিবেষ্টিত। আর অন্যদলের এজেন্ট বা সুবিধাপ্রাপ্ত। আর আওয়ামীলীগ হয়ে অন্যদলের প্রার্থীর পক্ষে অনুপ্রবেশকারী হিসাবে কাজ করা।“ একটি উদাহরন দিয়ে বলি, অন্যদল থেকে আসা নুন্যতম প্রভাবশালী নেতা, সে নিজেও জানে যে সে মনোনয়ন পাবেনা, না পেলেও সমস্যা নেই, জামাত বা বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী হলে তার ক্ষতি নেই,বরং তার থেকে বিভিন্ন সুবিধা নেয়া যাবে। 


গেলো সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে এক প্রভাবশালী এমন কাজ করেছেন বলে রটনা আছে-এ নিয়ে বিতর্ক চলছেই। একই ভাবে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেও এমনটি ঘটেছে বলে কক্সবাজার বসেও শুনি।


ওয়ান ইলেভেনের পর কক্সবাজার সদর আসনের প্রার্থীকে পরাজিত করা, বিরোধী প্রার্থীর কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা আদায় ও অন্যান সুবিধা পাওয়ার জন্য দু’জন আগত আওয়ামীলীগ নেতা শেষ জনসভার বক্তৃতার উদাহারন দিতে পারি। এক বক্তা তার বক্তব্যে বলেন, আমাদের নৌকার প্রার্থী আমার ছোট ভাই, আপনারা সবাই বিজয়ী করার জন্য নৌকা মার্কায় ভোট দিবেন। আপনাদের কাছে আমার এই প্রত্যাশা। কিন্তু তাকে ভোট দিতে না চাইলে রামুর বাইরের প্রার্থীকে ভোট দিবেন না। ২য় বক্তা বলেন, ভাই সব রামুর একটি ঐতিয্য আছে। এই রামু মুক্তিযোদ্ধার ঘাটি। আমি আশা করি আপনাদের ভোট নৌকা মার্কায় ভোট দিবেন। আমার এই ছোট ভাইকে আপনাদের যদি ভোট দিতে না চান, তারপরও রাজাকারের পোলাকে ভোট দিবেন না।


চকরিয়া পেকুয়া আসনের নৌকার প্রার্থীকে পরাজিত করার জন্য অন্য এক মনোনয়ন বঞ্চিত এক নেতা প্রায় ভোট কেন্দ্রে গিয়ে গিয়ে লাইনে দাঁড়ানো ভোটারের কাছে জিজ্ঞাসা করতেছে, "ইতে ভোট ক্যান পার, ভোট দিয়ে দে ইতারা কি হর, এমপি অইব বলি মনে অরনে"! এই কথা উচ্চারণের সাথে নৌকার পক্ষে ভোট দেয়ার জন্য লাইনে দাঁড়ানো ভোটার মুহুর্তেই তার মত পরিবর্তন করতে দু সেকেন্ড লাগেনি। বিজয়ী হয় বিএনপি।


একই পরিস্থিতি মহেশখালীতেও ঘটেছে।


তো এমন পরিস্থিতি যে সামনেও হবেনা কে বলবে?


তাই পরহিংসুক, খন্দকারি চরিত্রের কারনে প্রার্থীর ভিড়।


আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি যখন বাধ্য হয়ে ভোটে আসবে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য আওয়ামীলীগ প্রার্থীরও জেতা কঠিন হবে।


আওয়ামীলীগ একটানা ক্ষমতায় থাকায় দলে বিভাজন বেড়েছে বহুগুনে। প্রতিটি আসনে আওয়ামীলীগ ও এমপি লীগ, অন্যদিকে অবহেলিত বঞ্চিতরা এখন পরস্পর মুখোমুখি।


এই পরিস্থিতিতে আওয়ামীলীগ সভানেত্রী ও আওয়ামীলীগ এর মনোনয়ন বোর্ড দলীয় প্রার্থী মনোনয়নে খুব সজাগ থাকতে হবে।


নিয়মিত মনিটরিং ও দুর্দিনের নেতা কর্মীদেরকে মাঠে নামাতে হবে। তাদের কে মুল্যায়ন ও নিপীড়িত, নির্যাতিত কর্মীদের মনো-হতাশা দুরীকরণের দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে খুব নীরবে গণেশ উলটে যেতে পারে।


আর উচ্চ পর্যায় থেকে দ্রুত টিম পাঠিয়ে নির্বাচনী মাঠে বিভ্রান্তি, কোন্দল পাকানো উদ্যেশ্যপ্রণোদিত, বিতর্কিত মনোনয়ন প্রত্যাশী বলে প্রচারণা চালানো অইদ্দা চইদ্দাদের দ্রুত থামিয়ে দেয়া নৈতিক মনে করি।


না হয় প্রতিটি বিএনপি জামাত জোটের একক প্রার্থী বিপরীতে আওয়ামীলীগ ডজন খানেক প্রার্থীর মিড়িয়ায় ক্যু প্রচারণা ও নির্বাচনী মাঠে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। এই কু-প্রচারণা ও খবরবাজিতে আওয়ামীলীগ সমর্থিত সাংবাদিকেরা অগ্রগামী।


এদের খবরের হেডলাইন দেখলে মনে হয়, আমরা আবার তাহের উদ্দিন ঠাকুরের জামানায় বিরাজ করছি। এটিও একটি অশনি সংকেত। জামাত কর্মী অপকর্মে ধরা খেয়ে রেহাই পেতে পুলিশ, র্যা ব ও অন্যান্য বাহিনীকে আওয়ামী লীগ পরিচয় দেয়ার সাথে সাথেই বাচ-বিচার না করে, পুলিশের বরাত নাম দিয়ে বিশাল হেডিং দিয়ে মিথ্যা খবর প্রচার ও রটায়। পরে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, সে আওয়ামীলীগ এর কেউ নয়, বরং সে বিএনপি জামাতের লোক। এ জাতীয় খবের জন্য পত্রিকাওয়ালারা মিথ্যা পরিচয়ের সংবাদ সংশোধনও করেনা পরে। তাহলে নির্বাচনী প্রচারে বিরোধী পক্ষের কাছে আওয়ামীলীগকে ঠেকানোর জন্য ডকুমেন্ট সহ অস্ত্র তুলে দিচ্ছি না?

এ ক্ষেত্রে আওয়ামীলীগ মিড়িয়া উইং খুবই দুর্বল। আর যারা এই উইংগুলোতে দায়িত্বরত তারাও আবার বিভিন্নভাবে বিতর্কিত।


আগামীতে আওয়ামীলীগকে বিজয়ী হতে হলে এসব ক্ষেত্রেও নজর দেয়া দরকার।


পরিশেষে, আওয়ামীলীগ আবারো ক্ষমতায় যেতে হলে দ্রুত প্রার্থী-ভিড় কমাতে হবে।


সাথে আওয়ামীলীগ এর প্রচার সেল এর শক্তি বাড়ানো ও বিতর্কিত সাংবাদিক নেতাদের সাময়িক অবসরে দেয়া দরকার মনে করি।


লেখক - সাবেক নির্যাতিত ছাত্রনেতা ,১১অক্টোবর ২০১৮


পরবর্তী খবর পড়ুন : ফের সিঙ্গাপুর গেলেন এরশাদ


আরও পড়ুন

বগুড়ায় মির্জা ফখরুলের পক্ষে প্রচারণা শুরু

বগুড়ায় মির্জা ফখরুলের পক্ষে প্রচারণা শুরু

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে ...

চার নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থাকে চায় না আওয়ামী লীগ

চার নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থাকে চায় না আওয়ামী লীগ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে চার দেশীয় পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন ...

ভোট দিয়ে সরকার পতন করবে জনগণ : মির্জা ফখরুল

ভোট দিয়ে সরকার পতন করবে জনগণ : মির্জা ফখরুল

আওয়ামী লীগ ভোট চুরি করার চেষ্টা করতে পারে, তাই সকলকে ...

‘ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা মনোনয়ন বাণিজ্যের বহিঃপ্রকাশ’

‘ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা মনোনয়ন বাণিজ্যের বহিঃপ্রকাশ’

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়ি বহরে হামলার ঘটনা মনোনয়ন বাণিজ্যের ...

নৌকার বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না : নাসিম

নৌকার বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না : নাসিম

স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, এবারের নির্বাচনে নৌকার বিজয় কেউ ঠেকাতে ...

ময়মনসিংহ-৭; মাদানীকে সমর্থন দিলেন রওশন এরশাদ

ময়মনসিংহ-৭; মাদানীকে সমর্থন দিলেন রওশন এরশাদ

ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী রুহুল আমীন মাদানীকে সমর্থন ...

দেশের ১৮ কোটি মানুষকে সোচ্চার হতে হবে: ড. কামাল

দেশের ১৮ কোটি মানুষকে সোচ্চার হতে হবে: ড. কামাল

দেশের মালিকানা জনগণের কাছে ফিরিয়ে আনতে ঐক্যফ্রন্টকে বিজয়ী করতে হবে ...

‘সরকার বদলের অস্থিরতা থাকলে উন্নয়ন হয় না’

‘সরকার বদলের অস্থিরতা থাকলে উন্নয়ন হয় না’

সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেছেন,‘ধর্মের নামে মানুষকে বিভ্রান্ত করা একজন ধার্মিকের ...