সম্পাদকীয়

  • সাবাশ মাসুদা ভাট্টি, ঐক্যফ্রন্টে জামায়াত প্রতিনিধিকে চিনিয়ে দিবার জন্য

    সাবাশ মাসুদা ভাট্টি, ঐক্যফ্রন্টে জামায়াত প্রতিনিধিকে চিনিয়ে দিবার জন্য

  • ইমামের নাম "ঐক্যজোট"!

    ইমামের নাম "ঐক্যজোট"!

  • সর্ষের ভিতরে কতগুলো ভুত থাকে?

    সর্ষের ভিতরে কতগুলো ভুত থাকে?

  • একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে আগামী তিনমাস যেসব ঘটনা-দূর্ঘটনা ঘটতে পারে !

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে আগামী তিনমাস যেসব ঘটনা-দূর্ঘটনা ঘটতে পারে !

  • বেঈমানের রক্ত এবং বর্তমান বাংলাদেশ

    বেঈমানের রক্ত এবং বর্তমান বাংলাদেশ

তারেকের মৃত্যুদন্ড হলেও তান্ডবের সম্ভাবনা ক্ষীণ, তবু থাকতে হবে সতর্কাবস্থায় !

প্রকাশ: ০৯ অক্টোবর ২০১৮

মোঃ মাহমুদ হাসান

২১শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলার রায়ে তারেক এর মৃত্যুদন্ড হবে জনগণের এমন আশাবাদের পাশাপাশি এ রায় ঘোষণার পর রাজধানী ঢাকা সহ সারা দেশে ব্যাপক তান্ডব হবে, এমন আশঙ্কাও রয়েছে ব্যাপকভাবে। কিন্তু, আমার ব্যক্তিগত ধারণা, গুলশান জঙ্গি হামলাকে বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা “ব্যর্থ অভ্যুত্থান” বলার পর যে দলটি জনমানস হতে বিদায় হয়ে মূলত: কবরে চলে গেছে, সেই দলটির পক্ষে ব্যাপকসংখ্যক কর্মী-সমর্থক রাস্তায় নামিয়ে এর আড়ালে তান্ডব চালাবে সে সামর্থ্য দলটির একেবারেই নেই, তবে, তারা যাদের উপর ভরসা করে গোঁফে তা দিচ্ছেন, রাস্তায় তান্ডব হলেই ওনারা বঙ্গভবনে গিয়ে চেয়ারে বসে পড়বেন, সে আশার সম্ভাবনা একেবারেই ক্ষীণ। তারেকের মৃত্যুদন্ডেরি রায় হলে ব্যাপকভাবে মানুষ রাস্তায় নেমে আসবে ও এর ফাঁকে অপশক্তিসমূহ তান্ডব শুরু করে দেবেন, এটা বিএনপি নেতাদের ভুল ধারণা। বরং, তারা অনেক কৌশলে নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে এগুচ্ছে, তারা অন্যের জন্য তাদের নিজস্ব শক্তিক্ষয় করতে একেবারেই রাজী নয় বলেই আমার মনে হয়। তবুও পঁচা শামুকে পা কাটতে পারে, এ আশঙ্কা মাথায় রেখে দেশপ্রেমিক মানুষেদের যেমন রাজপথ দখলে রাখা উচিৎ, তেমনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারিবাহিনীসমূহেরও সর্ব্বোচ্চ সতর্কবস্থায় প্রস্তুতি নিয়ে রাস্তায় ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহে থাকা উচিৎ বলে মনে করি।


একবিংশ শতাব্দীর গোড়াতেই বিশ্বের বুকে সবচেয়ে মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছিলো ২১শে আগষ্ট, ২০০৪; রাস্ট্রিয়ভাবে পরিকল্পনা করে এবং রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব প্রদানকারি দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে চিরতরে দুনিয়ার বুক থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেবার জন্য সর্ব্বোচ্চ পর্যায়ের নেতাদেরকে একত্রে হত্যা করে দেবার চেষ্টা; যাতে একজন শীর্ষ নেত্রী আইভি রহমান সহ ২৪ জন প্রাণ হারা! ঘটনার সাথে সাথেই পবিত্র জাতীয় সংসদ ভবনে দাঁড়িয়ে, “হাসিনা নিজেই নিজের ভ্যানিটি ব্যাগে করে বোমা এনে জনসভায় ছুড়ে দিয়ে জনগণের সহানূভুতি পেতে চাইছে”- এমন জঘন্য উপহাস করেছিলেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা; যা তার সোয়া দুইবারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সবচেয়ে জঘন্য হিংস্রতা বলে বিবেচিত হয়ে আসছে। পরবর্তীতে টোকাই শ্রেণীর এক “জজ মিয়া”কে দিয়ে “জজ মিয়া” নাটক সাজানো হয়েছিলো, যা শুধু বাংলাদেশের মানুষকেই নয়, সমগ্র বিশ্বের মানুষকেই ক্ষুব্ধ করে তুলেছিলো। এ পর্যন্ত্য মামলার কার্যক্রমের সংবাদে গণমাধ্যমসমূহে যতটুকু এসেছে, তাতে “পূর্ব পাকিস্তান পূণরুদ্ধার কমিটি” এর “বি-টিম” বিএনপির বর্তমান সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক মূল পরিকল্পনাকারি, রসদ (গ্রেনেড, অন্যান্য অস্ত্র ও অর্থ) সরবরাহকারি হিসেবে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত হয়েছে জনগণের কাছে, সেই বর্বরতম ও নৃশংষতম গণহত্যাটির মামলার রায় হবার কথা আগামীকাল ১০ই অক্টোবর, ২০১৮, যদি গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যগুলি হতে মামলার মেরিট অনুয়ায়ি তারেক সহ বেশ কয়েকজনের মৃত্যুদন্ড হবে এমন প্রত্যাশা দেশপ্রেমিক ও আইনের শাষণ প্রত্যাশী জনগণের।


হত্যার পরিকল্পনাকারি ও হত্যাকারিদের মৃত্যুদন্ড হলে তো মানুষ খুশী হবার কথা, তাহলে তান্ডবের আশঙ্কা কেন?

২০০৪ হতে ২০০৮ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ২১শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলার বিচার দাবীতে রাজপথে সোচ্চার থাকলেও ২০০৯ হতে ২০১৮ যেনো তারা ঐ নারকীয় হত্যাকান্ডটির কথা ভুলেই গেছেন বলে মনে হয়, কোন কোন নেতার শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে ঐ নৃশংষতার ঘটনাটির উচ্চারণের ভাষা যতোটা না ন্যায়-বিচার প্রাপ্তি ও আইনের শাষন নিশ্চিতকরনের আহবাণ ও আবেদন থাকে, তার চেয়ে যেনো অহেতুক রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে কথার মারপ্যাচে ঘায়েল করার চেষ্টা থাকে। তারা একদিকে বলেন, “বিএনপিকে নির্বাচনে আসতে হবে”, অন্যদিকে বলেন “সন্ত্রাসী দল”। অন্যদিকে, জেলে ঢোকার কদিন আগেও খালেদার “আরেকটি ১৫ই আগষ্ট ঘটবে” প্রকাশ্য হুমকী, রাজাকার সিনহার “পাকিস্তান ইয়ে করেছে” আদালতে বসে হুমকী, “লুঙ্গি নাটক” এর পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাধাগ্রস্ত করার খলনায়ক ডেভিড বার্গম্যান ও জনগণের ঘৃণিত দেশদ্রোহী হিসেবে চিহ্নিত ইউনূসের ন্যাক্কারজনক, ঘৃণ্য ও সক্রিয় অপরাজনৈতিক তৎপরতা, যুক্তফ্রন্ট/জাতীয় ঐক্যের নামে কিছু বাতিল মালের সার্কাসের ক্লাউনের মতো আবোল-তাবোল প্রলাপ বকে ২১শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলা মামলার খুটিনাটি বিষয় ও রায় নিয়ে প্রত্যাশামূলক আলোচনা-সমালোচনা হতে গণমাধ্যমকে বিরত রাখা ও জনগনকে বিনোদন দিয়ে ঐ মামলার কার্যক্রমের সংবাদ জানার আগ্রহটি ভুলিয়ে রাখার অপচেষ্টা চলছিলো, গত দুই-তিন মাস। কিন্তু হঠাৎ করেই গত এক সপ্তাহে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের “তারেক ফেরেশতার মতো” ও গুলশান জঙ্গি হামলায় অংশগ্রহণকারি যুবকদের “নিরীহ ছেলে” বলে জাতীয় উন্মাদ হিসেবে পরিচিতি পাওয়া জাফরুল্লাহ “নিষ্পাপ ছেলে তারেক” অভিহিত করাটা কিছুটা শঙ্কার উদ্রেক করে বৈকি!


বিএনপির আশাবাদ ও জনমনে শঙ্কাটি জঙ্গি-জামাত-শিবির চক্রকে নিয়ে, কিন্তু তারা কেন তান্ডব করবে?

যে কোন শুভকর্ম অথবা অপকর্মের একটা প্রাপ্তি অথবা আত্মতু্ষ্টির বিষয় থাকে। পাকিস্তান আমলে, মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করতে গিয়ে ও স্বাধীন বাংলাদেশে জঙ্গি-জামাত-শিবির চক্রের তান্ডব প্রতিটিই তারা ঘটিয়েছে, তাদের নিজেদের স্বার্থে। তারেকের মৃত্যুদন্ড হলে তো জঙ্গি-জামাত-শিবির চক্রের লাভ; তারা তো গোপনে মুচকি হাসবে। তারা কেন তারেকের মৃত্যুদন্ড হলে রাস্তায় নেমে তান্ডব করবে? বরং, তারা অ্যান্টি আওয়ামী লীগ ভোট ব্যাঙ্ককে পূঁজি করে ভোটের ময়দানে নামবে স্বতন্ত্র প্রার্থী দিয়ে ও ছোট ছোট দলগুলি হতে মনোনয়ন নিয়ে; যে হিসেবটি বিএনপি ও আওয়ামী লীগের নেতাদের কাছে নেই।


জঙ্গি-জামাত-শিবির না করলে তারেকের পক্ষ হয়ে অন্য কোন অপশক্তি কি তান্ডব করতে পারে?

পঁচা শামুকে পা কাটার মতো আশঙ্কাটি আছে। জাতির পিতাকে সপরিবারে নৃশংষভাবে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারি ও আইএসআই-সিআইএ-মোসাদের ভাড়াটিয়া জিয়া সহ অন্যান্য খুনীদের সাথে আওয়ামী লীগেরই শীর্ষ নেতৃত্বের অংশবিশেষের যোগাযোগটি প্রকাশ্যই ছিলো, তৎকালীন সময়ে গণমাধ্যম এতো শক্তিশালী ছিলো না, যার কারনে সেসব যোগাযোগের খবরগুলি প্রচারিত হয়নি; কিন্তু দেশী-বিদেশী বহু বন্ধু জাতির পিতাকে সেসব ষড়যন্ত্রের বিষয় অবহিত করলেও তিনি সেসব বিশ্বাসই করেননি। বর্তমান ২০১৮ সালে গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও তথ্যপ্রযুক্তি এতো উন্নত হলেও ঘরের ভিতরের সাপদের বিষয়ে সবাই উদাসীন। ২০১৭ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রাণনাশের মাধ্যমে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের উপর আঘাতের যে অপচেষ্টাগুলি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারিবাহিনীসমূহ নস্যাৎ করতে পেরেছে, সেসব ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে কোন কোন রাঘববোয়াল সেদিকে তদন্ত করানোর কারোরই আগ্রহ নেই। আমরা টেলিভিশনে মধ্যযুগের বিভিন্ন রাজকীয় ষড়যন্ত্রের দৃশ্য দেখে তাৎক্ষণিক পুলকিত ও শঙ্কিত হই; কিন্তু এ থেকে কোন শিক্ষা নেই না। আমরা এখনো চেষ্টায় থাকি, জাতির পিতার আত্মস্বীকৃত খুনীদের আত্মীয়-স্বজনদের সামাজিকভাবে পূণর্বাসনের, এমনকি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সামনে তাদের হাজির করানোর মতো ঘৃণ্য অপচেষ্টাটি করি; কিন্তু এর পেছনে শুধু কয়েকটি টাকা নগদপ্রাপ্তিই কাজ করে, নাকি সূদুরপ্রসারি কোন নীলনকশা কাজ করে, সেটি ভাবতেও রাজী নই। আমরা জনপ্রিয় আওয়ামী লীগ নেতাদের চরিত্র হননে যতোটা আত্মতৃপ্তি পাই ও পুলকিত হই, প্রকৃত সত্য বেরিয়ে এলে তার চেয়ে বহুগুণ বেশি অন্ধ, কালা ও বধির হয়ে যাই; নারায়নগঞ্জের শামীম ওসমান ও সুনামগঞ্জের মানিক সাহেব এর প্রমান- যে দুজনকে আমরা দীর্ঘদিন দোষারোপ করলাম খালেদার মতোই ভাষায়, প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হলে আমরা নীরব হয়ে গেলাম। কিন্তু, যারা জঙ্গি-জামাত-শিবিরকে প্রশ্রয় দেয়, যারা এখনো জাতির পিতার আত্মস্বীকৃত খুনীদের নিকটাত্মীয়দের সাথে যোগাযোগ রাখে, যারা শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের সাথে যোগাযোগ রাখে তাদের বিষয়ে আমাদের মুখে কুলুপ আটা থাকে, চোখে ঠুলি ও কানে তুলো দেয়া থাকে।


বিমানের নাটবল্টু ঢিলা করার জঘন্য ঘটনাসমূহের তদন্তের ফাইলটি বেমালুম হাওয়া গেলো, অথচ ২০১৮ সালের জাতিসংঘ সাধারন অধিবেশনে যোগদান ও অধিবেশন শেষে ফেরৎ আসা দুইবারেই আবারো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিমানে বিপত্তি ঘটানোর অপচেষ্টা হলো, আমরা সবাই নীরব হয়েই রইলাম।


যদি রাস্তায় বিএনপির কিছু কর্মী নেমে আসে, তাহলে ২০১৭ সালের মতো বিমানের নাটবল্টু ঢিলা, পাইলট সাব্বিরের বিমান হামলায় গণভবন উড়িয়ে দেয়া, মিরপুর মাজার রোডের কবুতর বাড়ির ফ্রিজ বোমা সংরক্ষণ করে রাখার মতো ২০১৮ সালেও কোন নাশকতার ষড়যন্ত্র ও প্রস্তুতি যে হচ্ছে না, তার গ্যারান্টি কে দিতে পারে? বাইরের বিশাল সমর্থন ও সহায়তা নিয়ে উন্মাদ তারেকের ইচ্ছায় এসব দেশী উন্মাদদের কেউ যে এ ধরনের কোন অপচেষ্টা করবে না, তার নিশ্চয়তাই বা কে দিতে পারে? যারা এসব নিয়ে ভাবার, তারা তো আছে পুরনো দিনের কবি গানের মতো ও সার্কাসের ক্লাউনের মতো একে অপরকে পাল্টাপাল্টি ব্যঙ্গ করে স্ব স্ব কর্মীদের বিনোদন দিয়ে ব্যস্ত রাখছেন। এই বিনোদন প্রদানের আড়ালে কে যে নয়া খোন্দকার মোশতাক হতে চান আর কেই বা নয়া বাংলাভাই হতে চান, এসব কি গভীরভাবে অনুসন্ধান না করতে দিলে বেরিয়ে আসবে?


বাংলাদেশে বর্তমানে বহু বিদেশী ব্যবসার ছলে বসবাস করছেন, তারা ইতিমধ্যে জাল টাকার কারখানা, মাদক ব্যবসা, অবৈধ অস্ত্রের ব্যবসা, বিভিন্ন ধরনের সাইবার ক্রাইম করতে গিয়ে ধরাও পাড়েছেন, আমরা কি কখনোই আগ্রহী ছিলাম এসবের নেপথ্যে বাংলাদেশের কোন কোন ব্যক্তি জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে? যারা অন্য দেশে এসে এসব অপরাধ করতে পারে, তারা কি আরো কোন বড় অপরাধের জন্য ভাড়া খাটতে পারে না?


অনেকেই বক্তৃতায় বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে সাব-জেলে স্লো-পয়জনিংয়ে হত্যার চেষ্টা হয়েছিলো। দীর্ঘ এগারো বছরেও কি এর রহস্য উদঘাটন করে বিচারের মুখোমুখি করা গেছে? নাকি এর কুশীলব ইতরটাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা গেছে? সেই কুশীলবটি কি মার্শা-ডেভিড-ইউনূসের ষড়যন্ত্রে প্রকাশ্যেই মিলিত হচ্ছে না। আমরা কি ওয়ান ইলেভেনের নেপথ্যের মাঠ পর্যায়ের কুশীলবটিকে যে “মারো মারো, ওদেরকে বৃষ্টির মতো গুলি করে মারো” বলে লাইভ টিভিতে বলছিলো, তাকে চিহ্নিত করার কথা কখনো ভেবেছি? দায়টি তো এখনো গণ-মাধ্যমে লগি-বৈঠার উপরই চাপানো হয়; বাস্তবতা তো ভিন্ন ছিলো। 

সালসা নির্বাচনের লতিফুরের সাথে মতি-মাহফুজ-শিল্পপতি লতিফুরের সম্পর্কটি কি আদৌ আমরা উদঘাটন করার কথা ভেবেছি? 

এমন বহু অপশক্তি সুযোগ পেলেই যে কোন চান্স নিতে পারে। এ শঙ্কাটি বিবেচনায় রেখেই আগামীকাল যে কোন তান্ডব মোকাবেলায় দেশপ্রেমিক জনগণকে যেমন রাস্তায় থাকতে হবে, তেমনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীসমূহকেও সর্ব্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে বলে সচেতন মহল মনে করে।


যার যার অবস্থান হতে বোধোদয় হোক !

বাংলাদেশ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ১৭কোটি মানুষ নিরাপদ থাকুক।


মোঃ মাহমুদ হাসান, সমাজ গবেষণা কর্মী ও বস্তিবাসী ফেসবুকার (১৯৮২-৯০ এর সামরিক-স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে রাজপথের সৈনিক, ভূতপূর্ব কলেজ অধ্যক্ষ), ঢাকা, তারিখ-০৯.১০.২০১৮, সময়-সকাল ১০টা ৩০ মিনিট।

আরও পড়ুন

পিষে দিল ট্রেন, অমৃতসরে মৃত অন্তত ৫০

পিষে দিল ট্রেন, অমৃতসরে মৃত অন্তত ৫০

রেল লাইনের উপর এবং পাশে দাঁড়িয়ে দশেরার রাবণ পোড়ানো দেখছিলেন ...

জননেত্রী বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলছেন: মতিয়র রহমান খান

জননেত্রী বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলছেন: মতিয়র রহমান খান

বর্তমান সরকারের সাফল্য, অর্জন ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ভাবনা জনগণের মাঝে ...

পবিত্র ওমরাহ পালন করলেন প্রধানমন্ত্রী

পবিত্র ওমরাহ পালন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার রাতে সৌদি আরবের মক্কায় পবিত্র ওমরাহ ...

চ্যানেল আই প্রাঙ্গনে আইয়ুব বাচ্চুর দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন

চ্যানেল আই প্রাঙ্গনে আইয়ুব বাচ্চুর দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন

শুক্রবার বাদ আছর চ্যানেল আই প্রাঙ্গনে আইয়ুব বাচ্চুর দ্বিতীয় জানাজা ...

আইয়ুব বাচ্চুর জানাজা সম্পন্ন

আইয়ুব বাচ্চুর জানাজা সম্পন্ন

শুক্রবার বাদ জুমআ জাতীয় ঈদগাহ মাঠে আইয়ুব বাচ্চুর জানাজা অনুষ্ঠিত ...

আইয়ুব বাচ্চু ছিলেন সংগীত যোদ্ধা : ওবায়দুল কাদের

আইয়ুব বাচ্চু ছিলেন সংগীত যোদ্ধা : ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল ...

বিকল্পধারা থেকে বি চৌধুরী ও মাহী বহিষ্কার

বিকল্পধারা থেকে বি চৌধুরী ও মাহী বহিষ্কার

শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি ডা. এ কিউ এম ...

দুর্গাপূজায় সিরিজ বোমা হামলার পরিকল্পনা জেএমবি’র

দুর্গাপূজায় সিরিজ বোমা হামলার পরিকল্পনা জেএমবি’র

শারদীয় দূর্গোৎসবের সময় পূজামণ্ডপে রিমোট বোমা হামলার পরিকল্পনা করেছে জঙ্গি ...