সম্পাদকীয়

  • "মানচিত্র যখন দাবার ঘর"!

    "মানচিত্র যখন দাবার ঘর"!

  • শেখ হাসিনার প্রাণান্ত চেষ্টা স্থিতিশীল দেশ

    শেখ হাসিনার প্রাণান্ত চেষ্টা স্থিতিশীল দেশ

  • যাদের মেধা তারাই সরকারি চাকরিতে দায়িত্ব পাবে

    যাদের মেধা তারাই সরকারি চাকরিতে দায়িত্ব পাবে

  • আকাশজুড়ে মেঘ-রোদ্দুর খেলা

    আকাশজুড়ে মেঘ-রোদ্দুর খেলা

  • সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী'তে দেয়া পয্যবেক্ষন--''ষোড়শ সংশোধনী ও কোটা সংরক্ষনে' দেয়া পয্যবেক্ষন এক নয়"

    সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী'তে দেয়া পয্যবেক্ষন--''ষোড়শ সংশোধনী ও কোটা সংরক্ষনে' দেয়া পয্যবেক্ষন এক নয়"

বালি মাটি সোনার চেয়ে খাঁটি!!

প্রকাশ: ০৮ এপ্রিল ২০১৮

সায়েদুল আরেফিন

আর্থিক উন্নতির সাথে আত্মিক উন্নতির যোগসূত্র আছে, টাকা বা আর্থিক সচ্ছলতা মানুষকে সভ্য করে তুলতে সাহায্য করে। কথাটা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কতটুকু যৌক্তিক? তা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক হতেই পারে। গঠনমূলক বিতর্কে বা সমালোচনায় (ভালো আর মন্দের সমান আলোচনা) আসে মুক্তির পথ। নেগেটিভ কথা বলতে বলতে অনেক শব্দের মত সমালোচনা এখন নিন্দা অর্থে ব্যবহৃত হতে শুরু করেছে। শব্দের অপপ্রয়োগ শব্দের মূল অর্থ নষ্ট করে দেয়। খারাপ খারাপ শুনতে শুনতে মানুষ নিজেও খারাপ হতে থাকে। তবুও আশাবাদী মানুষেরা অনেক খারাপের মাঝে আলোর সন্ধান খুঁজে ফেরে। অনেকে ঠাট্টা করে বলেন, ’ট্যানেলের ওপাশে হাল্কা আলোর রেখা’ দেখা মানুষ এরা। আমি মনে হয় ঐ দলের মানুষ। আমি কল্পনা করতে, স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসি। অনেকের মতো আমিও বিশ্বাস করি যে, ভালো কিছুর কল্পনা করা না জানলে ভালো কিছু করা যায় না।   

 

মানুষের যখন অর্থ না থাকে তখন মানুষ তাঁর শেষ সম্বল খুইয়েও বড় হবার স্বপ্ন দেখে, কেউ কেউ বড় হয়, কেউ হয়না। ‘সম্বল তাঁর কম্বলখানি বেচিয়া তাহার করে, অর্ধেক দাম দিলেন রাসুল খানা কিনিবার তরে। বাকী টাকা দিয়ে কিনিয়া কূঠার বলিলেন যাও, কাঠ কেটে খাও...’ এমন একটা কবিতার লাইন আমরা আগে পড়েছি। তাই আমিও আমাদের এই গরীব দেশের কী কী সম্বল আছে তার খোঁজ করি বা চিহ্নত করে তার সুষ্ঠু ব্যবহার করে উন্নতি করার স্বপ্ন দেখি, নিজের, পরিবারের, সমাজের আর প্রিয় বাংদেশের। 

         

নানা অনাচার আর অবিচারে ভরা আমাদের এই সমাজ। অন্যায় অপরাধ নেই কোথায় তার তালিকা মনে হয় খুব সংক্ষিপ্ত হবে। তার মানে এই নয় যে দেশে ভালো মানুষ নেই, ভালো কিছু নেই। একটা ভালো ঘটনা বা একটা ভালো কাজের ব্যাপক প্রচারের ফলে একটা মানুষ, একটা পরিবার, একটা সমাজ বা একটা দেশ ভালর দিকে বদলে যেতে পারে। উন্নত হয়ে যেতে বড় ভূলিকা রাখতে পারে। ইংরেজীতে একটা কথা আছে ‘Appreciative Inquiry’। এটার মাধ্যমে একটা মানুষের, পরিবারের তথা সমাজের ভালো গুনের প্রশংসা করে সেই মানুষ, পরিবার, সমাজ তথা দেশের ব্যাপক উন্নতি করা সম্ভব। কারণ সবার মধ্যেই থাকে অপার সম্ভাবনা। ‘Appreciative Inquiry’র মাধ্যমে সেই সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে দিতে পারলেই অনেক বড় কিছু করা হয়ে যায়, করা যায়। আমাদের সমাজে মানুষ খারাপ কাজ করে। কেন করে? একটা প্রব্লেম ট্রি তৈরী করে দেখলে বুঝা যাবে যে, অধিকাংশের কারণ আর্থিক। কিছুটা মানসিক। তাই আর্থিক সচ্ছলতার সুযোগের সন্ধান দিতে পারলে ক্রমে ক্রমেই মানুষ ভালো হয়ে ওঠে। কারণ মানুষ জন্মগতভাবেই সৎ। প্রায় সব মানুষ সৎ জীবন যাপন করতে চান। না পেরে আস্তে আস্তে অন্যায়ের দিকে ধাবিত হতে হতে এক সময় অপরাধী হয়ে যায়। কেউ অপরাধী হয়ে জন্মায় না। এটা খারাপ জেনেও সেটাই হয়ে ওঠে তার পেশা, বাঁচার ও টিকে থাকার জন্য।       

  

তাত্ত্বিক কথা বাদ দিয়ে এবার আসি উন্নয়নের সম্ভাবনার কথায়। বাংলাদেশে নদীর সংখ্যা কত? একটা হিসেবে দেখা যায় ছোট বড় মিলিয়ে বাংলাদেশে নদীর সংখ্যা প্রায় ৮০০। মূল নদি ও তার শাখা-প্রশাখা মিলিয়ে এর দৈর্ঘ্য প্রায় ২৪,১৪০ কিলমিটার (Answers.com®)। পাহাড়ী উজান থেকে আসা নুড়িপাথর আর বালিতে আমাদের নদীগুলো শুধু ভরাটই হচ্ছে না, সাথে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়ে জান, মাল ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করছে প্রতি বছর। এই পলিমাটি আর বালিকে কী আমরা কাজে লাগাতে পারি না? নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি করে সেচের মাধ্যমে কী আমরা শুকনা মৌসুমে আমাদের ক্ষেতে বেশী ফসল ফলাতে পারি না? দেখি না কী করা যায়। অন্যরা কী করে এটা দিয়ে।


এবার আসি বর্তমান জনবহুল বাংলাদেশে। শিল্প প্রতিষ্ঠা, মাটির ইট পোড়ানো আর নদী ভাঙ্গনে চলে যাচ্ছে আমাদের দেশের বিরাট অংশের আবাদযোগ্য জমি। বঙ্গবন্ধু কন্যা ভাবলেন কী করা যায়। তাই তিনি নতুন শিল্পাঞ্চলের ধারণায় বিশ্বব্যাংক আর জাইকার সহায়তায় স্পেশাল ইকনমিক জোন (এসইজেড) এর কনসেপ্ট দিলেন। প্রায় ১০০ টারও বেশী এসইজেডএর স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে সারা দেশের চরাঞ্চলে, আবাদযোগ্য জমি যেন নষ্ট না হয় সেটা ভেবে। ২য় কথা হচ্ছে ইট পোড়ানো বন্ধ করা। জাইকার সহায়তায় সরকার বালি আর পলিমাটি দিয়ে আগুন ছাড়াই ইট তৈরী করার গবেষনা কাজ হাতে নিয়েছে, যা এক বা দুই বছর পরেই সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া যাবে। পরিবেশবান্ধব এই প্রযক্তি ইউরোপে আছে অনেকদিন থেকেই, তাই সেখানে মাটির ইট পড়ানো নিষিদ্ধ। চীন, জাপানেও এই প্রযুক্তির ব্যবহার চালু আছে। সরকারের হাউজ বিল্ডিং রিসার্চ ইন্সটিটিউট (এইচবিআরআই) জাইকার সহায়তায় এটা নিয়ে কাজ করছে, করবে। বালি আর পলিমাটি দিয়ে তৈরী এই ইটের খরচ পড়বে মাটির ইটের চেয়ে কম, কিন্তু বেশী টেকসই, উন্নত হবে। এই ইট শুধু শহরে না, গ্রামীণ শহর তৈরিতেও ব্যবহার করা হবে মাটির ইটের ১০০% বিকল্প হিসেবে। এটা সহজলভ্য হবে খুব দ্রুত, কারণ এ ধরণের ইটের কারখানাগুলো তৈরী হবে নদীর তীরবর্তী এলাকায় সারা দেশজুড়ে।  


বালি আর পলিমাটি দিয়ে আগুন ছাড়াই ইট তৈরী করা হলে কী নদী ভাঙ্গন কমবে? আগুন ছাড়াই ইট তৈরী করার জন্য বালি আর পলিমাটি সংগ্রহে প্রস্তাবিত ইটের কারখানাগুলো সরকারের লোকের তদারকীতে নদী ড্রেসিং করবে। ফলে নদীর নাব্যতাও বৃদ্ধি পাবে, অনেক এলাকায় নদী ভাঙ্গন অনেকটা কমবে বলে অনুমান করা অন্যায় হবে না। যে সব এলাকায় ইটের কারখানা থাকবে না সেখানে সরকারী উদ্যোগে ড্রেজিং হবে। ফলে এই পলিমাটি আর বালি সমস্যা না হয়ে সম্পদে পরিণত হবে। ইউরোপে এই ইটের রপ্তানী সুযোগ অনেক বেশী। ফলে এটা হবে আরেকটি গার্মেন্টস শিল্পের মত।  


সরকারী বিভিন্ন দপ্তরের বিভিন্ন সুত্রে জানা যায়, বাংলাদেশের প্রায় ১৭ কোটি মানুষের চাষযোগ্য জমি ৮০ লাখ ৩০ হাজার হেক্টর। বাংলাদেশের মোট ভূমির পরিমাণ ৩ কোটি ৫৭ লাখ ৬৩ হাজার একর। বিভিন্ন গবেষণায় জানা গেছে যে, বছরে বাংলাদেশে বাড়ছে প্রায় ২৫ লাখ মানুষ। প্রতি বছর নদীর্গভে বিলীন হচ্ছে ৮৭০০ (আট হাজার সাত শত) হেক্টর জমি। নির্মাণ কাজের কারণে বছরে বিলীন হচ্ছে ৩০০০ (তিন হাজার) হেক্টর জমি। গত ৩৭ বছরে শুধু ঘরবাড়ি নির্মাণ হয়েছে প্রায় ৬৫ হাজার একর জমিতে। পরবিশে অধিদফতরের তথ্যে দেশে মোট ইট ভাঁটার সংখ্যা ৪ হাজার ৫১০ উল্লেখ থাকলেও বাংলাদেশ ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির হিসাবে ইট ভাটার সংখ্যা ৬ হাজারের অধিক। মৃত্তিকা গবেষক ও কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে প্রায় ৫০ হাজার একর আবাদি জমি এই ইট ভাটাগুলোর দখলে রয়েছে। প্রতিটি ইট ভাঁটায় বছরে গড়ে ৭৫ হাজার করে ইট প্রস্তুত হলে এবং ইট প্রতি গড়ে সাড়ে তিন কেজি করে মাটি ধরলে এতে প্রায় ১৫ কোটি মেট্রকি টন মাটি লাগে। এর ফলে প্রায় ১৩,৫০০(সাড়ে তেরো হাজোর) হেক্টর জমির ফসল উৎপাদন ব্যহত হয়। উন্নয়নের ধাক্কায় শামিল হতে বাড়ছে রাস্তাঘাট, ব্রীজ কালভারট, দালান কোটা। সে সব ক্ষেত্রেও শাবল /কোদাল চালানো হচ্ছে কৃষি জমির ওপর। গত পাঁচ বছরেও আলোর মুখ দেখেনি ‘জাতীয় ভূমি ব্যবহার নীতি ২০১০’ এবং কৃষিজমি সুরক্ষা ও ভূমি জোনিং আইন-২০১০। তাহ’লে নিকট ভবিষ্যতে কী হবে আমাদের! একটু হিসাব ক’রে দেখা যাক।   


উপরের হিসাব মতে বাংলাদেশে চাষযোগ্য জমির পরিমাণ ৮০ লাখ ৩০ হাজার হেক্টর। আবার প্রতিবছর বাড়ি ঘর তৈরির জন্য ৩০০০ হেক্টর আর ইটভাটার কারণে আবাদযোগ্য জমি নষ্ট হয় ১৩৫০০ হাজার হেক্টর। তাহ’লে দেখা যাচ্ছে ১৬৫০০ হেক্টর জমি প্রতিবছর অনাবাদী হয়ে যাচ্ছে। এর সাথে আছে প্রতিবছর বাংলাদেশে গড়ে প্রায় ৮৭০০ হেক্টর জমি নদী র্গভে বিলীন হওয়া৷ কিছু হিসেবের ফ্যাকড়া বাদ দিলে, কম করে হলওে প্রতি বছর ২৫২০০ হেক্টর একর জমি নাই হয়ে যাচ্ছে  আমাদের আবাদী জমি থেকে। যদিও অভিজ্ঞরা বলে প্রতি বছর ১% হারে আবাদী জমি হারাচ্ছি আমরা। হয়তো সেখানে ইট ভাটার জমিতে কিছু পুকুর তৈরী হয়ে মাছ চাষ হচ্ছে। কিছু চরের জমিও ভাঙ্গছে নদীতে। যার র্অথ দাঁড়ায় দেশের বর্তমান উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকলে শিল্প কারখানা, রাস্তা, শহর গড়ে ওঠা, নদী ভাঙ্গন আর বসবাসের জন্য বাড়ি ঘর তৈরী করতে আবাদযোগ্য কৃষি জমি ব্যবহারের এই হার আরো বাড়বে। আবার আবাদযোগ্য জমি হারানোর হার বছরে ১% ধরলে ১০০ বছর পরে বাংলাদেশে আর কোন আবাদযোগ্য জমি থাকার কথা না। থাকবে চর এলাকার জমি যেটা সব ধরণরে ফসলের উপযোগী না। কিছু নদীতে বা সমুদ্রতটে চর জাগবে তাও কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে আবাদযোগ্য হবে না, অন্য কাজে লাগবে। 


এমন হ’লে আমরা কী করবো? আবাদযোগ্য জমি কীভাবে রক্ষা করবো আমরা! মাটি তৈরী হ’তে সময় লাগে কয়েক হাজার বছর। সেই মাটি পুড়িয়ে ইট তৈরী শুধু মাটি নষ্ট করে না পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করে। ঢাকার শহরের পাশের ইট ভাটাগুলো ঢাকা শহরের পরিবেশ দূষনের অন্যতম প্রধান কারণ। সরকারী হিসেবে বায়ূ দূষণজনিত অসুখের ফলে দেশে প্রতি বছর কম করে হলেও ১,২০,০০০ মানুষ মারা যায় বলে পরিবেশ অধিদপ্তরে ২০১৭ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে (পৃষ্ঠা ৪২)দাবী করা হয়েছে।        


এক গার্মেন্টস শিল্পই কয়েক দশকে আমাদের দেশের তথা সমাজের চেহারা অনেকটাই পালটে দিয়েছে। আগুন ছাড়া বালি ও পলিমাটি দিয়ে তৈরী ইট আমাদের ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ তথা সেশের চেহারা আরেকটু বদলে দিতে পারে কী না চেষ্টা করতে দোষের কী! গার্মেন্টস শিল্পের মত নদীর মোহনায় মোহনায় ইটের কারখানা তৈরী হলে হবে ব্যাপক কর্মসংস্থান। নগরীতে ধেয়ে আসা মানুষের চাপ কমবে, বাড়বে সেচ, ক্ষেতের ফসল, আর্থিকভাবে সচ্ছল মানুষ হবে অনেকটাই অপরাধ মুক্ত। বালি ও পলিমাটি সোনার চেয়ে খাঁটি; এটার আরেকদফা আমাদের ভাগ্য বদলাবে। গার্মেন্টস শিল্পের মত অনেক ব্যাকওয়ার্ড ও ফরওয়ার্ড লিংকেজ ইন্ডাস্ট্রি তৈরী হবে। দেশের উন্নতিতে যোগ হবে নতুন মাত্রা। আগামীতে সুযোগ পেলে এই সোনার বাংলার আরো একটা নতুন সম্ভাবনার বিষয় নিয়ে আসবো আমার পরের লেখায়।      

 

বাংলাদেশে কেন গণতন্ত্র নেই-১



© সায়েদুল আরেফিন 

উন্নয়ন কর্মী ও কলামিস্ট 

E-mail: arefinbhai59@gmail.com

পরবর্তী খবর পড়ুন : হাসপাতাল ছাড়লেন শাহরিন আহমেদ


আরও পড়ুন

শিক্ষিত জাতি গড়ে তোলার বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষিত জাতি গড়ে তোলার বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী

দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করতে হলে শিক্ষিত জাতি গড়ে তোলার কোনো বিকল্প ...

নির্বাচনের আগে ছাড়া পাচ্ছেন না নওয়াজ শরীফ

নির্বাচনের আগে ছাড়া পাচ্ছেন না নওয়াজ শরীফ

সামনের সপ্তাহেই ভোট পাকিস্তানে। প্রচারের ব্যস্ততা এখন তুঙ্গে। আর সেই ...

'অন্ধকার গুহায় ১০ দিন আমরা শুধু পানি খেয়েছি'

'অন্ধকার গুহায় ১০ দিন আমরা শুধু পানি খেয়েছি'

থাইল্যান্ডের থাম লুয়াং গুহা থেকে উদ্ধার করা সেই ১২ খুদে ...

জোসনার আসল মানুষটাইতো নেই ..

জোসনার আসল মানুষটাইতো নেই ..

বড় ভাই হুমায়ূন আহমেদ তখন আমেরিকায় পিএইচডি করতে গেছে। আমার ...

"মানচিত্র যখন দাবার ঘর"!

"মানচিত্র যখন দাবার ঘর"!

২০০৮ সালের জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহ। আমি তখন দৈনিক সমকালের ...

একদিনে দুই ভাইয়ের লাশের ভার বইতে হল প্রতিমন্ত্রী পলকে !

একদিনে দুই ভাইয়ের লাশের ভার বইতে হল প্রতিমন্ত্রী পলকে !

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের খালাতো দুই ভাই ...

যেভাবে জানা যাবে এইচএসসির ফল

যেভাবে জানা যাবে এইচএসসির ফল

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল আজ বৃহস্পতিবার প্রকাশ হবে। শিক্ষামন্ত্রী ...

ম্যাজিস্ট্রেটের এক হাতে গোলাপ থাকবে, অন্য হাতে থাকবে হাতকড়া !

ম্যাজিস্ট্রেটের এক হাতে গোলাপ থাকবে, অন্য হাতে থাকবে হাতকড়া !

এক হাতে গোলাপ আর অন্য হাতে হাতকড়া থাকবে ভ্রাম্যমান আদালত ...