সম্পাদকীয়

  • আত্মস্বীকৃত খুনি ও সাজা ভোগ করা  ভাই

    আত্মস্বীকৃত খুনি ও সাজা ভোগ করা ভাই

  • বাংলাদেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক দল সমূহের উৎপত্তি, তাঁদের বিশ্বাস--'চলমান গনতন্ত্র পূণ:দ্ধারের আন্দোলন'

    বাংলাদেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক দল সমূহের উৎপত্তি, তাঁদের বিশ্বাস--'চলমান গনতন্ত্র পূণ:দ্ধারের আন্দোলন'

  • ভারতের বিএনপি ও আওয়ামীলীগ

    ভারতের বিএনপি ও আওয়ামীলীগ

  • এক ভাই লোকান্তরে, লক্ষ ভাই ঘরে ঘরে" - ইহা একখানা মিথ্যা শ্লোগান

    এক ভাই লোকান্তরে, লক্ষ ভাই ঘরে ঘরে" - ইহা একখানা মিথ্যা শ্লোগান

  • মাদকবিরোধী অভিযান অব্যহত থাকুক

    মাদকবিরোধী অভিযান অব্যহত থাকুক

জাফর ইকবালের উপর হামলার নেপথ্যে

প্রকাশ: ১০ মার্চ ২০১৮     আপডেট: ১০ মার্চ ২০১৮

সায়েদুল আরেফিন

সারা দুনিয়ায় ঘৃণা থেকে জন্ম নেওয়া অপরাধ বা হেইট ক্রাইম কি বেড়ে যাচ্ছে? যারা নিজেদের উন্নত জাতি হিসেবে দাবী করেন সেই সব দেশেও চলছে এই অপরাধ। ইতিহাস থেকে জানা যায় যে, ইহুদী, খ্রিষ্টান ও মুসলিম সবার কাছেই জেরুজালেম ছিল পরিত্র স্থান। তাই তাঁরা সবাই জেরুজালেমের দখল নিতে চাইতেন। তার আর একটি কারণ হচ্ছে জেরুজালেম আশেপাশের এলাকা ব্যবসা বানিজ্য ও জ্ঞান বিজ্ঞানে উন্নত ছিল ইউরপের চেয়ে অনেক ক্ষেত্রেই, শুধু যুদ্ধাস্ত্র ছাড়া। কামানের মত তখনকার দিনের ভয়াবহ অস্ত্র ছিল ইউরপিয়ানদের হাতে। জেরুগালেম দখলের নামে (আসলে টাকা, পয়সা, ধন দৌলতের আশায়) ক্রুসেড শুরু হয়। যুদ্ধের সময় নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করতে উন্নত ভবিষ্যতের লোভ দেখিয়ে যোদ্ধা সংগ্রহ করতো, অনুন্নত, অভাবী ইউরোপিয়ানরা। পবিত্র জেরুজালেম দখলের নামে তারা আসতো পালে পালে দফায় দফায়। এর পিছনে যতনা ছিল ধর্মীয় চেতনা, তার চেয়ে অধিক পরিমাণ ছিলো, পার্থিব সুখের দূরন্ত হাতছানি। ফলে ১ম ক্রুসেড হয় ১০৯৫ সালে যা স্থায়ী হয় ১০৯৯ সাল পর্যন্ত। ২য় ক্রুসেড ১১৮৭ সালে সেখানে মুসলিম জেনারেল সালাদিন জেরুজালেম পুনর্দখল করে নেন। এর পর ১১৯৯ সালে ৩য় ক্রুসেড করতে আসে রিচারড এর নেতৃত্বে। রিচারডকে বলা হতো রিচারড, দা লায়ন হার্ট অফ ইংল্যন্ড। রিচারডের নেতৃত্বে জেরুজালেমে ঢুকতে বা দখল নিতে না পারলেও তাঁরা আশে পাশের এলাকা দখল করে প্রায় ১০০ বছর ধরে শাসন করে। তবে তাঁদের নিজেদের মধ্যে ছিল কলহ আর স্বার্থের চরম দন্দ। এসময় ইউরোপিয়ানরা আরবদের কাছে থেকে অংক থেকে শুরু করে গৃহ নির্মাণ, ইত্যাদি অনেক কিছুই শিখে নেয়। কিন্তু একই সাথে যারা এই যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাঁরা বংশপরম্পরায় মুসলমানদের চরম ঘৃণা করতেও শেখে।


Oxford History Project এর প্রকাশনা থেকে জানা যায় যে, এর কাছাকাছ সময়ে সিল্ক রুট ধরে ভারতবর্ষ ও চীন থেকে সিল্ক, কাগজ, চিনি, সোনা, সিলভার, সুতি কাপড়, চীনামাটির সামগ্রী, মশলা, জুয়েল, চা, ইত্যাদি নানান সামগ্রী ইউরোপে নিয়ে যেত ইউরোপিয়ানরা। এই রুটটি তুরস্কের মধ্য দিয়ে গিয়েছিল। তুর্কীরা সে সময় এই রুটের মালামাল পরিবহণের উপর ব্যাপক চাঁদাবাজি শুরু করে ফলে ইউরোপিয়ানরা বাধ্য হয়েই এই রুটে মালামাল নেওয়া বন্ধ করে সমুদ্র পথে মালামাল নেওয়ার পথ খুঁজতে থাকে। তাঁদের টার্গেট ছিল কীভাবে চীন বা ভারতে আসা যায় সমুদ্রপথে। এর ফলে পর্তুগীজ নাবিক Bartholomew Diaz ১৪৮৭ সালে, ক্রিস্টোফার কলোম্বাস তাঁর ২০ মিটার দীর্ঘ জাহাজ নিয়ে ১৪৯২ সালে ভারতে আসেন। ভাস্ক দা গামা ১৪৯৮ সালে আর Ferdind Magellan ১৫১৯ সালে জাহাজ নিয়ে ভারতের উদ্দেশ্যে রয়ানা হন। সেক্রেটারী অফ Magellan এর সেক্রেটারী পিগেফিতা তাঁর নটবুকে এই সব ভয়েজারের কিছু বর্ণনা লিখে রাখেন যা থেকে সমুদ্র পথের যাত্রার নানা কাহিনী জানা যায়। যা ছিল খুবি ভয়াবহ। এই ভয়বহ অবস্থার জন্য তুরস্কের সিল্ক রুট বন্ধকে দায়ী করা হয় যা, ইউরপিয়ান ব্যবসায়ীদের মাঝে চরম ঘৃণার জন্ম দেয় মুসলমানদের উপর, যা চলে বংশপরম্পরায়।


১৯৬৭ সালে ইসরাইলী সেনারা সিরিয়ার গোলান, মিশরের সানাই উপতক্যা ও গাজা, আর জর্ডানের পশ্চিম উপকূল দখল করে ইহুদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সূচনা করে এবং পরবর্তীতে ঐসব এলাকায় ব্যাপক হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। ফলে ইহুদী ও ইহুদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সহায়তাকারীদের উপর চরম ঘৃণার জন্ম হয় ঐ এলাকা তথা সারা দুনিয়ার মুসলমানদের মধ্যে। যা ছড়িয়ে পড়ে সারা দুনিয়ায়। এছাড়া ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে ভারত বিভাগের সময় ধর্মকে ভিত্তি করে দেশ ভাগ হয়। ফলে এক পর্যায়ে শুরু হয় হিন্দু-মুসলমান ধর্মীয় দাঙ্গা। এই দাঙ্গার ফলশ্রুতিতে বংশপরম্পরায় ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দু বা মুসলিমরা একে অপরকে চরম ঘৃণা করা শুরু করে যা পরবর্তীতে হয়ে দাঁড়ায় তাঁদের পারিবারিক সংস্কৃতি। যেমন, ও মুসলমান ওকে ঘৃণা করো, পারলে ওর ক্ষতি করো। ও হিন্দু ওর ক্ষতি করো, হিন্দুরা দেশ বিভাগের সময় আমাদের সচ্ছল পরিবারকে ভিখেরী বানিয়েছে। ইহুদী আমাদের বাস্তভিটে থেকে উচ্ছেদ করেছে, আমার বাবা- ভাইকে হত্যা করেছে। যেখানে ইহুদী পাও তার উপর বদলা নাও। ক্রুসেডের নামে আমাদের উপর অত্যাচার করেছে তাই সুযোগ পেলে মুসলমান নিধন করো। মুসলমান বলছে, সুযোগ পেলে খ্রিষ্টান নিধন করো, ইত্যাদি, ইত্যাদি। এ সবই থেকেই জন্ম নিয়েছে হেইট ক্রাইম।


সারা দুনিয়ায় নানা ধরণের হেইট ক্রাইমের দেখা মিললেও জাতিগত বা ধর্মীয় হেইট ক্রাইমের প্রাধান্য সব থেকে বেশী। তাই অন্য ধরণের হেইট ক্রাইমের কথা নাই বলি এখানে। আইএস সারা দুনিয়ায় যে ঘটনা ঘটাচ্ছে, তাদের পিছনে কোন শক্তি কী কাজ করছে তাও সবার জানা। কম দামে তেল কেনা আর বেশী দামে অস্ত্র বিক্রি; মানে অর্থনৈতিক স্বার্থই এর মূল কারণ তা বুঝতে আজ আর কারো বাকী নেই। ২০১৬ সালে বাংলাদেশে নিরীহ ইটালিয়ান বা হলি আরটিজানে জাপানিজসহ অনেক নিরীহ বিদেশী হত্যার মূলেও কোন কোন দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ জড়িত তাও এখন ওপেন সিক্রেট। ফলে মুসলমানদের ঘৃণা করতে শুরু করেছে অনেকে। তাবৎ দুনিয়ার উদার মুসলমানরা খুবি বিব্রত এসব ঘটনায়।


গত ৩০ জানুয়ারি ২০১৮ সকালে নিউ ইয়র্ক সিটির সেন্ট জোন্স হাসপাতালে হেইট ক্রাইমের শিকার হয়ে মারা গেলেন বাংলাদেশি মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলম। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সন্ধ্যায় নিজ বাসায় ফেরার পথে নিউ ইয়র্কের জ্যামাইকার রাস্তায় হেইট ক্রাইমের শিকার হন ৭২ বছর বয়সী শাহ আলম। এর কয়েকদিন আগেই কুষ্টিয়ার সাংবাদিক মিঠু চৌধুরীর ইউটিউবে দেওয়া এক খবরে প্রথমে আমি এটা জানতে পারি। পরে তাঁর শরীরের খবর নেওয়ার চেষ্টা করতে করতে এক সময় এলো চির বিদায়ের খবর।


কুষ্টিয়ার জেলার দৌলতপুর উপজেলার নজিবপুরের সন্তান শাহ আলম। তাঁকে গেরিলা শাহ আলম বলতেন এলাকায়, কারণ শাহ আলম নামটি অত্র এলাকায় খুব কমন, তাই। ৮ই ডিসেম্বর কুষ্টিয়ার মিরপুর, ভেড়ামারা ও দৌলতপুর থানা পাকিস্তানী হানাদারমুক্ত হলে মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলমকে দৌলতপুর থানার ওসির দায়িত্ব দেওয়া হয়।বাবরী চুল আর দাড়িওয়ালা শাহ আলম ১৯৭১ সালের পরে আর কোন দিন শেভ করেছেন বলে মনে পড়ে না। অনেকটাই মুক্তচিন্তার মানুষ শাহ আলামের মুখের দাড়ি তাঁকে মুসলমান হিসেবে হেইট ক্রাইমের শিকার হতে হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশেই রাষ্ট্রীয় মর্যাদার অংশ হিসেবে নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশের কন্সাল জেনারেল মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলমের কফিন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকায় মুড়িয়ে রাষ্ট্রীয় খরচে লাশ বাংলাদেশে পাঠান।


সম্প্রতি শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জাফর ইকবাল এই হেইট ক্রাইমের স্বীকার হয়েছেন, যিনি একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, বাংলাদেশের খুব জনপ্রিয় সাহিত্যিক। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনা নিয়ে অনেকে উল্লাস করছে। এই বাংলায় যারা উল্লাস করেছে তাদের অধিকাংশই দেশ ভাগের সময় ওপার বাংলা থেকে আসা মুসলমান। আবার এপার বাংলা থেকে অপার বাংলায় যাওয়া হিন্দু, যারা সেই সময় অর্থনৈতিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিলো তারাও সেই দেশে নিরাপরাধ মুসলমানদের উপর অত্যাচার হলে উল্লাস করে। পাকিস্তানেও একই চেহারা দেখা যায়। মধ্যপ্রাচ্যে, বাংলাদেশে, ভারতে বা পাকিস্তানের সীমান্ত এলাকায় কিংবা আফগানিস্তানে এধরণের যে সব অপরাধ দেখা যায় তাদের সবার মূল কিন্তু অর্থনৈতিক কারণ কিন্তু তারা ধর্ম বা জাতিগত বিভেদকে পুঁজি করে এই অপরাধ করলেও তাদের মধ্যে কোন অনুশোচনার লেশ মাত্র দেখা যায় না। কারণ তাদের পারিবারিক সংস্কৃতিক পরিমণ্ডলটাই এমন। তারা ছোটবেলা থেকেই শিখেছে যে, ইহুদী, নাসারা, খ্রিষ্টান, মুসলমান, হিন্দু মারলে বা তাঁদের উপর অত্যাচার করলে পাপ নেই। যারা উদার ধার্মিক, তারাও তাদের ভাষায় বিধর্মীদের সহায়ক শক্তি, তাঁদের মেরে ফেলা বা অত্যাচার করা অন্যায় না।


বাংলায় একটা কথা প্রচলিত আছে যে, এক মণ দুধ নষ্ট করতে এক ফোঁটা গো- চনাই যথেষ্ট। খারাপ কাজ করার জন্য গুটি কয়েক লোকই দেশ, ধর্ম বা জাতির বদনামের জন্য যথেষ্ট। এর মানে এই যে, সব মুসলমান, হিন্দু, খ্রিষ্টান, ইহুদী খারাপ না। যারা ক্রুসেডে, সিল্ক রুটের ব্যবসায়, ইহুদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা, সিরিয়ার বর্তমান হতাযজ্ঞ বা ইরাক, লিবিয়া, আফগানিস্তান যুদ্ধে/দখলে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্থ বা লাভবান হন নি বা জড়িত নন তাঁদের মাঝে এসব ঘটনা একটা বিব্রতকর পরিস্থিতি ছাড়া আর কিছু না। তাঁরা এসব অমানবিক ঘটনার প্রতিবাদ করবেন, সেটাই স্বাভাবিক। প্রতিবাদ থেকে সচেতনতা – আর তা থেকেই বন্ধ হবে কি এই হেইট ক্রাইম!



© সায়েদুল আরেফিন 

উন্নয়ন কর্মী ও কলামিস্ট 

E-mail: arefinbhai59@gmail.com

পরবর্তী খবর পড়ুন : গোদাগাড়ীতে গাঁজাসহ এক যুবক আটক


নাটোরে তাবলীগের একাংশের ওপর হামলার অভিযোগ

নাটোরে তাবলীগের একাংশের ওপর হামলার অভিযোগ

নাটোরের মারকাজ মসজিদে তাবলীগের পরামর্শ সভা চলাকালে সন্ত্রাসী হামলায় দুইজন ...

নাটোরে গৃহবধূকে হত্যার দায়ে স্বামী ও তার সহযোগীর মৃত্যুদন্ডাদেশ

নাটোরে গৃহবধূকে হত্যার দায়ে স্বামী ও তার সহযোগীর মৃত্যুদন্ডাদেশ

নাটোরের সিংড়ায় গৃহবধু রেজেনা পারভীন রুপালীকে হত্যার দায়ে স্বামী শাহমীম ...

ফুটবল কন্যারা বিশ্বকাপ ফুটবল উন্মাদনা থেকে বঞ্চিত, বাফুফে কি জবাব দিবে

ফুটবল কন্যারা বিশ্বকাপ ফুটবল উন্মাদনা থেকে বঞ্চিত, বাফুফে কি জবাব দিবে

সারাদেশে বিশ্বকাপ ফুটবল উন্মাদনায় ভাসলেও সামর্থ্যের অভাবে ডিশ সংযোগ নিতে ...

'সেনা মোতায়েন হবে না' গাজীপুরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষজনক

'সেনা মোতায়েন হবে না' গাজীপুরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষজনক

জেলা প্রশাসকের ভাওয়াল সম্মেলন কক্ষে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সমন্বয় কমিটির ...

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯,রক্ষা পেল শিশু গৃহকর্মী

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯,রক্ষা পেল শিশু গৃহকর্মী

রাজধানীর রমনায় ১২ বছরের শাওন নামের এক শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতনের ...

ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষের পর একটি বাস খাদে পড়ে পাঁচ যাত্রী নিহত

ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষের পর একটি বাস খাদে পড়ে পাঁচ যাত্রী নিহত

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষের পর একটি বাস খাদে ...

ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশি বেষ্টনির ভিতরে বিএনপি’র বিক্ষোভ

ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশি বেষ্টনির ভিতরে বিএনপি’র বিক্ষোভ

বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও কারামুক্তির দাবিতে ...

ভোলায় ট্রলি-আটোবোরাক মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত-২, আহত-৮

ভোলায় ট্রলি-আটোবোরাক মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত-২, আহত-৮

ভোলার চরফ্যাশনে ট্রলি আটোবোরাক মুখোমুখী সংঘর্ষে শিশুসহ আটোবোরাকের ২ যাত্রী ...