সম্পাদকীয়

  • আমাদের বুদ্ধিজীবী এবং ভুট্টোর নিম্মাঙ্গের ছবি

    আমাদের বুদ্ধিজীবী এবং ভুট্টোর নিম্মাঙ্গের ছবি

  • ভীতি ছড়িয়ে নয়--'লুটেরা, হাইব্রিড, কাওয়া' নিধনই হতে পারে আওয়ামীলীগের তৃতীয়বার সরকার গঠনে'র সোপান

    ভীতি ছড়িয়ে নয়--'লুটেরা, হাইব্রিড, কাওয়া' নিধনই হতে পারে আওয়ামীলীগের তৃতীয়বার সরকার গঠনে'র সোপান

  • আত্মস্বীকৃত খুনি ও সাজা ভোগ করা  ভাই

    আত্মস্বীকৃত খুনি ও সাজা ভোগ করা ভাই

  • বাংলাদেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক দল সমূহের উৎপত্তি, তাঁদের বিশ্বাস--'চলমান গনতন্ত্র পূণ:দ্ধারের আন্দোলন'

    বাংলাদেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক দল সমূহের উৎপত্তি, তাঁদের বিশ্বাস--'চলমান গনতন্ত্র পূণ:দ্ধারের আন্দোলন'

  • ভারতের বিএনপি ও আওয়ামীলীগ

    ভারতের বিএনপি ও আওয়ামীলীগ

জনপ্রিয়তার ব্যারোমিটার ও মহাসচিব প্রসঙ্গ

প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০১৮     আপডেট: ০১ মার্চ ২০১৮

অজয় দাশগুপ্ত

ম ওদুদ আহমেদ বলেছেন জেলে থাকায় খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা বাড়ছে। তাই যদি সত্য হয় তো তাঁকে কেন রাজপথে দেখিনা। দেখলাম বেচারা মীর্জা ফখরুল রং পানিতে নাকানি চুবানি খেয়ে  অফিসে ঢুকে যাচ্ছেন। দেখলাম আর কোন শীর্ষ নেতাদের ও। আর একটি

ছবিতে দেখলাম বিএনপির মহাসচিব একলা বসে আছেন। একুশের সকালে মন খারাপ করে ফুটপাথে বসে থাকা মির্জা ফখরুলকে দেখে মনে হলো হায়রে নিয়তি। বিএনপি তার মহাসচিবদের প্রতি কখনো সুবিচার করেনি। সালাম তালুকদারের কথা নিশ্চয় ই মনে আছে আমাদের। তখন কি রমরমা তাদের। গদীতে এসে দূ;সময়ের মহাসচিব সালাম তালুকদারকে তালাক দিলেন বেগম জিয়া। বেচারা তালুকদার একসময় হারিয়ে গেলেন এবং বিদায় নিলেন দুনিয়া থেকে। এক ই পরিণতি দেখেছি মান্নান ভূঁ ইয়ার বেলায়। মান্নান ভূঁ ইয়া বাম দল মানে ভাসানী ন্যাপের নেতা ছিলেন। স্বভাবত ই মুসলিম লীগ ও নব্য বিএনপি নেতাদের চাইতে আলাদা। রাজপথে থাকা বিএনপিকে বেগবান করা তিনিও পড়লেন ছিটকে। ওয়ান ইলেভেনের পর তাঁকে চরম অপমানের সাথে বিদায় দিয়েছিল বিএনপি। এরপর খন্দকার দেলোয়ার । ভদ্রলোক এখন মরহুম। কিন্তু বলতে হবে একমাত্র তাঁর ই একটি ভিডিও ছিলো যেখানে কথা বলতে বলতে পাতলুন খুলে যাবার দৃশ্য  ও ছিলো। জানিনা কতটা বানোয়াট আর কতটা সত্য। তবে সেই  শুরু। মুশকিল হলো মহাসচিবদের এই অপমান আর বেদনার পর ও আমাদের সুশীলদের চোখে পড়লো আওয়ামী লীগে কোনঠাসা হয়ে পড়া সচিব আবদুল জলিলকে। এক রাজাকার ঘেঁষা লেখক  যিনি আবার মুক্তিযোদ্ধাদের  নামে চাঁদা তুলে চলেন উপন্যাস লিখে ফেললেন , আবদুল জলিল যেভাবে মারা গেলেন। কেন বাবা? খন্দকার সাহেবের কিভাবে পাতলুন খুললো বা সালাম তালুকদার কিভাবে একা হলেন সেটা লিখলেন না কেন? আজ যখন মীর্জা সাহেব পথে একা বসে তখন আপনারা কি লিখবেন এ নিয়ে?

লিখবেননা।



বেগম জিয়ার এটাই দূর্ভাগ্য। তাঁর দলে সুবিধাবাদী আর সুযোগসন্ধানীদের ভীড়। কারনন বিএনপি মূলত একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। দল হবার পথে পা বাড়ালেও পারেনি। যেখানে বাম দল ভাঙতে ভাঙতে ছোট হবার পর ও ঢাকার রাজপথ লাল পতাকায় লাল করে দিতে পারে যেখানে এখনো অনেক ইস্যুতে সাধারণ মানুষের চাপে সরকার সমঝোতাব বাধ্য হয় সেকানে বিএনপি আন্দোলন দূরে থাক মাঠেই নামতে পারেনা। এই দীনতা দূর হবে লন্ডনের নেতার জোরে? যারা মনে করেন আমরা আওয়ামী লীগের হয়ে লিখি তাদের বলি, সত্য বললে যদি তা কোন দল বা মতের দিকে ঝুঁকে পড়ে আমাদের কি করার আছে? আসলে সত্য এমন ই।সে কাউকে ছেড়ে কথা বলেনা। একটা সময় ছিলো যখন খালেদা জিয়া জলে যাওয়া দূরে থাক ঐ রাস্তায় হাঁটবেন এটাও ভাবা যেতোনা। অথচ আজ এটাই সত্য।


বিএনপি এখনো টিকে আছে মিডিয়ার জোরে। তার একটা শক্ত অবস্হান মানুষের মনে থাকলেও সাংগঠনিক ভিত্তি বড় দূর্বল। যার মূল কারন তাদের আদর্শগত সমস্যা। আমি তাদের অনেক নেতাকে চিনি যাদের ব্যবহার এবং সৌজন্য আওয়ামী নেতাদের চাইতে অনেক বেশী। এরা ভদ্রলোক। কিন্তু এরা দলে ভালো জায়গায় থাকতে পারেননি। সামনের সারিতে চলে আসা বাবর গিয়াস উদ্দীন এদের দেখলেই বোঝা যাবে কোথায় চলে গিয়েছিল নেতৃত্ব। সে পাপের ফল পাচ্ছে  তারা আজ। পরিচয় সংকট বিএনপিকে কতটা দূর্বল করেছিল এখন তা তারা বুঝলেও ফেরার পথ নাই। দূর প্রবাসেও আমরা এদের নাম ভাংগানো এজেন্টদের চিনি। ওপরে মুখে বড় কথা বললেও মূলত অন্তরে জামাত। মজার ব্যাপার এই তাদের টার্গেট আওয়ামী নেতারা নন। তাদের টার্গেট  আমাদের মত লেখকেরা। যারা গান করেন কবিতা লেখেন কিংবা শিল্প চর্চা করেন তাদের পেছনে ঘেউ ঘেউ করতে থাকা নেড়ী কুকুরকে দেখলেই বুঝি বিএনপি মার্কা বুদ্ধিজীবীর দৌড় কতটুকু। এরাই সর্বনাশের মূল কারন। একবার আইনের আওতায় আনলে এরা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হবে। যে তালিকায় এখন বিদেশের অনেকেই আছে।


খালেদা জিবাকে নিয়ে ঠাটৃা মশকরা করা আওয়ামী নেতাদের যে জনপ্রিয়তা বাড়ছেনা এটা নিশ্চিত। আবার এতে বিএনপি লাভবান হচহচে বা বেগম জিয়া এতে সিংহাসনে এসে দৌড়ে বসে যেতে পারবেন এমন ওনা। এর কোনটাই আজকের রাজনীতি বুঝছেনা।  এও জানছেনা মানুষহীনতার কারনে লাগাম তাদের হাতেই নাই আদৌ। আইন ও বিচারে শ্রদ্ধা রাখা রাজনীতি যতদিন ফিরে না আসবে ততদিন এথেকে  মুক্তি নাই দেশ জনগণের। 






লেখক: সিডনি প্রবাসী, কলামিস্ট ও বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষক

আরও পড়ুন

চট্টগ্রামে পিতার সামনে সন্তান হত্যার মূল আসামী তুষার সঙ্গি সহ ভারতে আটক

চট্টগ্রামে পিতার সামনে সন্তান হত্যার মূল আসামী তুষার সঙ্গি সহ ভারতে আটক

চট্টগ্রামে ঈদের ২য় দিন নগরির চট্টেশ্বরী রোড়ের মোড়ে পিতার সামনে ...

লালমনিরহাটের চার পুলিশ কর্মকর্তা পুরস্কৃত

লালমনিরহাটের চার পুলিশ কর্মকর্তা পুরস্কৃত

আইনশৃঙ্খলার উন্নতি সাধন, আসামি তামিল, মাদক জব্দ ও সেবাদানে রংপুর ...

নড়াইলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দুর্দশা লাঘবে সরেজমিনে পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন পিপিএম

নড়াইলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দুর্দশা লাঘবে সরেজমিনে পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন পিপিএম

পত্র-পত্রিকায় বিভিন্ন সময়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর চলমান নির্যাতন ও বর্বরতার ...

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী সেনাবাহিনীর প্রধানের শেষ সাক্ষাৎ

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী সেনাবাহিনীর প্রধানের শেষ সাক্ষাৎ

রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিদায়ী সেনাবাহিনী ...

৩-০ গোলের ঘুরে দাঁড়ালো কলম্বিয়া

৩-০ গোলের ঘুরে দাঁড়ালো কলম্বিয়া

দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ালো কলম্বিয়া। দেখিয়ে দিলো ল্যাটিন আমেরিকান ফুটবলের সৌন্দর্য। ...

গাজীপুরসহ অন্যান্য সিটি নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত ঢাকা বিএনপির, লন্ডনের না

গাজীপুরসহ অন্যান্য সিটি নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত ঢাকা বিএনপির, লন্ডনের না

গাজীপুরসহ বাকি তিনটি সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে প্রকাশ্য দ্বন্দ্বে জড়িয়ে ...

কুড়িগ্রাম-৩আসনে শেষ দিনে মনোনয়নপত্র

কুড়িগ্রাম-৩আসনে শেষ দিনে মনোনয়নপত্র

কুড়িগ্রাম-৩আসনের উপ-নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে জাতীয় পার্টি ও আওয়ামীলীগের ...

নির্বাচন নিয়ে সংলাপের কোনো প্রয়োজন নেই : খাদ্যমন্ত্রী

নির্বাচন নিয়ে সংলাপের কোনো প্রয়োজন নেই : খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন যথাসময়েই অবাধ, ...