সম্পাদকীয়

  • মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সড়কে মৃত্যু এবং অন্যান্য ঝুঁকির দিক পরিবর্তন করছে!

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সড়কে মৃত্যু এবং অন্যান্য ঝুঁকির দিক পরিবর্তন করছে!

  • সড়ককে নিরাপদ চাই দাবিটি ব্লাকহোলে আবর্তিত

    সড়ককে নিরাপদ চাই দাবিটি ব্লাকহোলে আবর্তিত

  • শেখ হাসিনার জেলখানায় প্রনীত দর্শন বাস্তবায়নে শতভাগ সফল

    শেখ হাসিনার জেলখানায় প্রনীত দর্শন বাস্তবায়নে শতভাগ সফল

  • ডাকসুর বিতর্কিত নেতারা

    ডাকসুর বিতর্কিত নেতারা

  • পার্বত্য এলাকায় সন্ত্রাসী গডফাদার কে !!

    পার্বত্য এলাকায় সন্ত্রাসী গডফাদার কে !!

জনপ্রিয়তার ব্যারোমিটার ও মহাসচিব প্রসঙ্গ

প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০১৮     আপডেট: ০২ মার্চ ২০১৮

অজয় দাশগুপ্ত

ম ওদুদ আহমেদ বলেছেন জেলে থাকায় খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা বাড়ছে। তাই যদি সত্য হয় তো তাঁকে কেন রাজপথে দেখিনা। দেখলাম বেচারা মীর্জা ফখরুল রং পানিতে নাকানি চুবানি খেয়ে  অফিসে ঢুকে যাচ্ছেন। দেখলাম আর কোন শীর্ষ নেতাদের ও। আর একটি

ছবিতে দেখলাম বিএনপির মহাসচিব একলা বসে আছেন। একুশের সকালে মন খারাপ করে ফুটপাথে বসে থাকা মির্জা ফখরুলকে দেখে মনে হলো হায়রে নিয়তি। বিএনপি তার মহাসচিবদের প্রতি কখনো সুবিচার করেনি। সালাম তালুকদারের কথা নিশ্চয় ই মনে আছে আমাদের। তখন কি রমরমা তাদের। গদীতে এসে দূ;সময়ের মহাসচিব সালাম তালুকদারকে তালাক দিলেন বেগম জিয়া। বেচারা তালুকদার একসময় হারিয়ে গেলেন এবং বিদায় নিলেন দুনিয়া থেকে। এক ই পরিণতি দেখেছি মান্নান ভূঁ ইয়ার বেলায়। মান্নান ভূঁ ইয়া বাম দল মানে ভাসানী ন্যাপের নেতা ছিলেন। স্বভাবত ই মুসলিম লীগ ও নব্য বিএনপি নেতাদের চাইতে আলাদা। রাজপথে থাকা বিএনপিকে বেগবান করা তিনিও পড়লেন ছিটকে। ওয়ান ইলেভেনের পর তাঁকে চরম অপমানের সাথে বিদায় দিয়েছিল বিএনপি। এরপর খন্দকার দেলোয়ার । ভদ্রলোক এখন মরহুম। কিন্তু বলতে হবে একমাত্র তাঁর ই একটি ভিডিও ছিলো যেখানে কথা বলতে বলতে পাতলুন খুলে যাবার দৃশ্য  ও ছিলো। জানিনা কতটা বানোয়াট আর কতটা সত্য। তবে সেই  শুরু। মুশকিল হলো মহাসচিবদের এই অপমান আর বেদনার পর ও আমাদের সুশীলদের চোখে পড়লো আওয়ামী লীগে কোনঠাসা হয়ে পড়া সচিব আবদুল জলিলকে। এক রাজাকার ঘেঁষা লেখক  যিনি আবার মুক্তিযোদ্ধাদের  নামে চাঁদা তুলে চলেন উপন্যাস লিখে ফেললেন , আবদুল জলিল যেভাবে মারা গেলেন। কেন বাবা? খন্দকার সাহেবের কিভাবে পাতলুন খুললো বা সালাম তালুকদার কিভাবে একা হলেন সেটা লিখলেন না কেন? আজ যখন মীর্জা সাহেব পথে একা বসে তখন আপনারা কি লিখবেন এ নিয়ে?

লিখবেননা।



বেগম জিয়ার এটাই দূর্ভাগ্য। তাঁর দলে সুবিধাবাদী আর সুযোগসন্ধানীদের ভীড়। কারনন বিএনপি মূলত একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। দল হবার পথে পা বাড়ালেও পারেনি। যেখানে বাম দল ভাঙতে ভাঙতে ছোট হবার পর ও ঢাকার রাজপথ লাল পতাকায় লাল করে দিতে পারে যেখানে এখনো অনেক ইস্যুতে সাধারণ মানুষের চাপে সরকার সমঝোতাব বাধ্য হয় সেকানে বিএনপি আন্দোলন দূরে থাক মাঠেই নামতে পারেনা। এই দীনতা দূর হবে লন্ডনের নেতার জোরে? যারা মনে করেন আমরা আওয়ামী লীগের হয়ে লিখি তাদের বলি, সত্য বললে যদি তা কোন দল বা মতের দিকে ঝুঁকে পড়ে আমাদের কি করার আছে? আসলে সত্য এমন ই।সে কাউকে ছেড়ে কথা বলেনা। একটা সময় ছিলো যখন খালেদা জিয়া জলে যাওয়া দূরে থাক ঐ রাস্তায় হাঁটবেন এটাও ভাবা যেতোনা। অথচ আজ এটাই সত্য।


বিএনপি এখনো টিকে আছে মিডিয়ার জোরে। তার একটা শক্ত অবস্হান মানুষের মনে থাকলেও সাংগঠনিক ভিত্তি বড় দূর্বল। যার মূল কারন তাদের আদর্শগত সমস্যা। আমি তাদের অনেক নেতাকে চিনি যাদের ব্যবহার এবং সৌজন্য আওয়ামী নেতাদের চাইতে অনেক বেশী। এরা ভদ্রলোক। কিন্তু এরা দলে ভালো জায়গায় থাকতে পারেননি। সামনের সারিতে চলে আসা বাবর গিয়াস উদ্দীন এদের দেখলেই বোঝা যাবে কোথায় চলে গিয়েছিল নেতৃত্ব। সে পাপের ফল পাচ্ছে  তারা আজ। পরিচয় সংকট বিএনপিকে কতটা দূর্বল করেছিল এখন তা তারা বুঝলেও ফেরার পথ নাই। দূর প্রবাসেও আমরা এদের নাম ভাংগানো এজেন্টদের চিনি। ওপরে মুখে বড় কথা বললেও মূলত অন্তরে জামাত। মজার ব্যাপার এই তাদের টার্গেট আওয়ামী নেতারা নন। তাদের টার্গেট  আমাদের মত লেখকেরা। যারা গান করেন কবিতা লেখেন কিংবা শিল্প চর্চা করেন তাদের পেছনে ঘেউ ঘেউ করতে থাকা নেড়ী কুকুরকে দেখলেই বুঝি বিএনপি মার্কা বুদ্ধিজীবীর দৌড় কতটুকু। এরাই সর্বনাশের মূল কারন। একবার আইনের আওতায় আনলে এরা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হবে। যে তালিকায় এখন বিদেশের অনেকেই আছে।


খালেদা জিবাকে নিয়ে ঠাটৃা মশকরা করা আওয়ামী নেতাদের যে জনপ্রিয়তা বাড়ছেনা এটা নিশ্চিত। আবার এতে বিএনপি লাভবান হচহচে বা বেগম জিয়া এতে সিংহাসনে এসে দৌড়ে বসে যেতে পারবেন এমন ওনা। এর কোনটাই আজকের রাজনীতি বুঝছেনা।  এও জানছেনা মানুষহীনতার কারনে লাগাম তাদের হাতেই নাই আদৌ। আইন ও বিচারে শ্রদ্ধা রাখা রাজনীতি যতদিন ফিরে না আসবে ততদিন এথেকে  মুক্তি নাই দেশ জনগণের। 






লেখক: সিডনি প্রবাসী, কলামিস্ট ও বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষক

পরবর্তী খবর পড়ুন : সিরিয়ায় বাড়ছে লাশের মিছিল! ১০ দিনে মৃত ৬০০!


আরও পড়ুন

প্রকল্প বাস্তবায়ন শেষে সরকারি গাড়ি ও সরঞ্জাম যায় কোথায়?

প্রকল্প বাস্তবায়ন শেষে সরকারি গাড়ি ও সরঞ্জাম যায় কোথায়?

সরকারি যে কোনও প্রকল্প শেষে ওই প্রকল্পের কাজে ব্যবহৃত কম্পিউটার, ...

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সড়কে মৃত্যু এবং অন্যান্য ঝুঁকির দিক পরিবর্তন করছে!

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সড়কে মৃত্যু এবং অন্যান্য ঝুঁকির দিক পরিবর্তন করছে!

সড়ক দুর্ঘটনা বাংলাদেশের জন্য একটি বিষফোঁড়া হিসাবে চিহ্নিত ছিলো এতোদিন। ...

লালবাগে কাগজের গুদামে ভয়াবহ আগুন

লালবাগে কাগজের গুদামে ভয়াবহ আগুন

রাজধানীর পুরান ঢাকার শহীদ নগর এলাকার ৬ নাম্বার গলিতে আগুন ...

'৭১-এর ২৩ মার্চ : ফিরে দেখা

'৭১-এর ২৩ মার্চ : ফিরে দেখা

এটা ছিল আমাদের জীবনের এক স্মরণীয় দিন, রাজনীতির বিবেচনায় ঐতিহাসিক। ...

বাংলাদেশে সড়ক নিরাপদ করতে কমিটির শতাধিক সুপারিশ

বাংলাদেশে সড়ক নিরাপদ করতে কমিটির শতাধিক সুপারিশ

বাংলাদেশে সড়কপথে বিশৃঙ্খলা বা নৈরাজ্য বন্ধের জন্য সুপারিশ আর প্রতিশ্রুতির ...

জয়পুরহাটে জামাতার লাঠির আঘাতে শাশুড়ির মৃত্যু!

জয়পুরহাটে জামাতার লাঠির আঘাতে শাশুড়ির মৃত্যু!

জয়পুরহাট সদর উপজেলার পশ্চিম পারুলিয়া গ্রামে মেয়ে জামাইয়ের লাঠির আঘাতে ...

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ১৪ দফা দাবি দিলো গণফোরাম

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ১৪ দফা দাবি দিলো গণফোরাম

বাংলাদেশের সড়কে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা ফেরাতে ১৪ দফা দাবি জানিয়েছে ...

যে কারণে জি এম কাদেরকে সরালেন এরশাদ

যে কারণে জি এম কাদেরকে সরালেন এরশাদ

গত ২০ মার্চ ছিল জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি ...