সম্পাদকীয়

  • বিএনপি ধ্বংস করে এখন আওয়ামী লীগ বিধ্বস্ত্বের চেষ্টায় জামায়াত, পাশে মোসাদ-সিআইএ!

    বিএনপি ধ্বংস করে এখন আওয়ামী লীগ বিধ্বস্ত্বের চেষ্টায় জামায়াত, পাশে মোসাদ-সিআইএ!

  • চরিত্রহীনের 'স্বপ্নভঙ্গ' (Broken Dream)

    চরিত্রহীনের 'স্বপ্নভঙ্গ' (Broken Dream)

  • জামায়াতঃ বিএনপির জন্য বিষের বটিকা

    জামায়াতঃ বিএনপির জন্য বিষের বটিকা

  • সিনহা বাবুর লেখা ‘ব্রোকেন ড্রিম’ উপন্যাস

    সিনহা বাবুর লেখা ‘ব্রোকেন ড্রিম’ উপন্যাস

  • নির্বাচন নিয়ে কাউকে সাধাসাধি নয়

    নির্বাচন নিয়ে কাউকে সাধাসাধি নয়

আমেরিকার পাকিস্তান ত্যাগ এবং নওয়াজ শরীফের অনুশোচনা শেখ হাসিনা'র বিশ্ব নেতৃত্ব গ্রহনের সূফল

প্রকাশ: ১৪ জানুয়ারী ২০১৮

রুহুল আমিন মজুমদার,উপ-সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রেস

দুর্নীতি'র কারনে উচ্চ আদালত কতৃক বহি:স্কৃত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী "নওয়াজ শরিফ" এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন--"বাংলাদেশকে আমরাই ছেড়ে যেতে বাধ্য করেছি"। উক্তিটি পত্রিকায় দেখার পর শত্রুদেশের সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী'র সহজ সরল স্বীকারোক্তিতে আমার মনে কেন জানি আবেগজনীত প্রতিক্রিয়া হয়নি, উল্লসীতও হইনি। তার বদলে আমার মনের মধ্যে প্রচন্ড ক্ষোভের বহ্নিশিখা দাউ দাউ করে জ্বলে উঠেছে। উল্লেখিত উক্তিটি এই মহুর্তে তিনি কেন প্রকাশ করতে গেলেন? নিশ্চয়ই কোন না কোন কারন তো অবশ্যই আছে। তিন তিনবার পাকিস্তানের ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থেকে যে কথাটি বলেননি--সে কথাটি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বলতে গেলেন কেন? যে দিকে'ই তাকা'ই ঘুরে ফিরে ৩টি কারন আমি খুঁজে পাই।


    (১) কনফেডারেশনের স্বপ্ন ভঙ্গ।

    (২) অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে অনুশোচনা।

    (৩) শেখ হাসিনা'র বিশ্ব নেতৃত্ব করায়াত্ব এবং বৃহৎশক্তি'র পিছুটান:--


    (১)কনফেডারেশনের স্বপ্ন ভঙ্গ:-- 

    

  ইতিমধ্যে সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকা পাকিস্তানকে অকৃতজ্ঞ, বেঈমান, জঙ্গির দেশ ইত্যাদি নেতিবাচক বিশেষনে আখ্যায়িত করে সরকারী পয্যায় বক্তৃতা বিবৃতি দিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তানও বলছে শক্তিধর আমেরিকার সাথে থেকে পাকিস্তানের কোন লাভ হয়নি। এখানে' একটি প্রশ্ন এসে যায়-পাকিস্তান কি লাভ চেয়েছিল শক্তিধর রাষ্ট্র  আমেরিকার কাছে? একটা লাভ অবশ্য আছে---কি লাভের আশায় সাবেক পুর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ)কে ব্যার্থরাষ্ট্র বানাবার ষড়যন্ত্রের কোন অন্ত ছিল না?

'৭১ ইং সালের ১৬ই ডিসেম্বর বিশ্বমানচিত্রে বাংলাদেশের অভ্যুদ্বয়ের পর পাকিস্তানী নেতা জুলফিকার আলী (ভূট্টু) ১০ই জানুয়ারী ১৯৭২ ইং সালে বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু 'শেখ মজিবুর রহমান'কে কারামূক্তি দিয়ে প্রস্তাব রেখেছিলেন--"পাকিস্তানের সঙ্গে যেন নন্যুতম "কনফেডারেশনে"র মাধ্যমে হলেও এক দেশ থাকার বিষয়টি যেন বঙ্গবন্ধু ভেবে দেখেন।" জবাবে বঙ্গবন্ধু শুধু বলেছিলেন-- "আমি আমার জনগনের সাথে কথা বলে দেখবো"।

বঙ্গবন্ধু'র সেদিনের জবাব পরবর্তীকালে তাঁর সম্পূর্ণ পরিবারের রক্ত দিয়ে পরিশোধ করতে হয়েছে।ভূট্টু এতই ক্ষুব্দ হয়েছিলেন যে-তিনি রাষ্ট্রীয় অর্থ ছাড়াও নিজস্ব তহবিলের অর্থ "বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে খরছ করেছিলেন এবং বঙ্গবন্ধু'কে স্ব পরিবারে হত্যা করে'ই ছেড়েছেন।  সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকার ষড়যন্ত্রে কিভাবে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগীতায় ১৯৭৫ ইং সালের ১৫ই আগষ্ট বঙ্গবন্ধু'কে স্বপরিবারে  হত্যা করেছিল। সেই ইতিহাস কমবেশী বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিকের জানা আছে।আমি অদ্য সেদিকে যাব না,লেখার বহর বাড়াবো না।

বঙ্গবন্ধু'কে কোনভাবে'ই নিয়ন্ত্রন করতে না পেরে--পরবর্তিতে "পুর্ব পাকিস্তান পূর্ণ:রোদ্ধার কমিটি'র প্রধান নেতা 'গোলাম আযমে'র ইচ্ছায় পাকিস্তান  ত্রিদেশীয়  সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করে।  পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা (আই,এস) আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা (সি,আই,এ) বাংলাদেশের পক্ষে গোলাম আযমের মধ্যে উক্ত চুক্তিটি সাক্ষরিত হয়। পরবর্তিতে ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা 'মোসাদ'ও আমেরিকার ইচ্ছায় যুক্ত হয় পাকিস্তানী গোয়েন্দা সংস্থার সংঙ্গে। দীর্ঘকাল দেশী-বিদেশী পত্রপত্রিকায় এ সংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হতে থাকলেও বাংলাদেশের জনগনের মধ্যে কেউ কেউ বিশ্বাস করেছে, অনেকে'ই করেনি।


চুক্তির মূল বিষয়টি ছিল বাংলাদেশকে যে কোন মূল্যে আবারো পাকিস্তানের সঙ্গে একিভূত করা। এক্ষেত্রে যা কিছু করণীয় তা পাকিস্তানের 'আই এস' এর মাধ্যমে আমেরিকার সরকার ও গোয়েন্দা সংস্থা'র সহযোগীতায় করা হবে। এতকাল করেছেনও তাই--কোন পক্ষই পিছুটান দেয়নি,অলসতা দেখায়নি। প্রায় পঞ্চাশ বছরের কাছাকাছি সময়ে এসে দেখা যায়--দুই পক্ষই চুক্তির শর্ত লঙন করার পথ খুঁজছে।প্রথম পক্ষ বিশ্ব নিয়ন্ত্রক আমেরিকা, দ্বিতীয় পক্ষ স্বার্থদার পাকিস্তান।তৃতীয় পক্ষ এদেশীয় দোষর এখনও নিশ্চুপ। তবে তাঁদের রক্ষক প্রেতাত্বা বিএনপি তাঁদের দলের অস্তিত্ব বিপন্ন করে চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন বলেই এখন পয্যন্ত অনুমেয়।

তাঁদের স্বপ্ন পূরণে সর্ববৃহৎ বাঁধা ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান। তাঁকে প্রথমে'ই স্বপরিবারে হত্যা করা হয়। পরবর্তি সময়ে ঘাতক'দের বাংলাদেশ বেতারে (বাংলাদেশ রেডিও) তে  বিভ্রান্তিমূলক ঘোষনায় তখনই ব্যাপারটি উপলব্দি করা গিয়েছিল। ঘাতকদের উদ্দেশ্য, আদর্শ, চাওয়া পাওয়া কি এবং কেন তাঁরা জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু'কে স্বপরিবারে হত্যা করেছে। বিশ্ববাসীও ব্যাপারটি উপলব্দি করে তাঁদের তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় বিষয়টি ব্যাক্ত করতে দ্বিধা করেনি। 


সদ্য স্বাধীন দেশের রক্তস্নাত মাটিতে 'মুক্তি পাগল কোটি কোটি জনতা, সদ্য মুক্তিযুদ্ধ ফেরৎ অসংখ্য যুবকের উপস্থীতি এবং চতুর্দিকে ঘোমট পরিবেশের বিবেচনায় ঘাতকের দল ভীত হয়ে পড়ে এবং তড়িঘড়ি দেশত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়ে পালিয়ে যায়।


প্রথম ধাক্কায় চক্রান্ত ব্যর্থ হওয়ার পর নতুন  আঙ্গিকে দীর্ঘমেয়াদী  চক সাজায় আমেরিকা এবং পাকিস্তান।তাঁরা ঘাতদের শিরোমনি মোস্তাককে ক্ষমতার দৃশ্যপট থেকে সরিয়ে, মুক্তিযুদ্ধকালিন তাঁদের বিশ্বস্ত চর 'মেজর জিয়াকে ক্ষমতার দৃশ্যপটে নিয়ে আসে।যেহেতু জিয়ার গায়ে তখন পয্যন্ত মুক্তিযোদ্ধার আলখেল্লা পরিহিত ছিল এবং তাঁর পাকিস্তানী আলখেল্লা কেউ টের করতে পারেনি।যিনি টের পেয়েছিলেন তাঁকে তাঁরা অনেক আগে'ই কৌশলে বঙ্গবন্ধু'র কাছ থেকে অনেক দূরে সরিয়ে নিয়ে গেছেন।

তাঁদের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার খেসারৎ বাঙ্গালী জাতী  ত্রিশ বছরের অধিক সময় দিতে দিতে ফতু'র জাতীতে উপনীত হয়েছে। সর্বশেষ পরিকল্পনার অংশ ছিল বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করা'। সর্বশেষ জিয়ার বিএনপি দলের নেতৃত্বে গঠিত জোট সরকারের শেষ শাসনকালে পরপর চারবার শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় নাম তুলে তাঁরও ষোলকলা পূর্ণ করা হয়েছিল।এই সেদিন পয্যন্ত বিএনপি জোট ক্ষমতায় না থেকেও বাংলাদেশ'কে আমেরিকার কংগ্রেসের দরবারে বিপদজনক রাষ্ট্রগুলী'র মধ্যে অন্যতম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের নামটি রাখতে পেরেছিল।তাঁদের ২০১৫ সালের ৫ই জানুয়ারী নির্বাচনের আগে ঘোষিত অবরোধ কর্মসূচি অদ্য পয্যন্ত প্রত্যাহার না করে সুচারুভাবে আমেরিকার হাতে বিপদজনক দেশের অপমানজনক অস্ত্রটি বিএনপি নেত্রী তুলে রেখেছেন।


মুক্তিযুদ্ধের পক্ষশক্তি'র 'অসংখ্য-অগনীত' নেতাকর্মী হত্যা এবং জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু কন্যার উপর বারবার হত্যা প্রচেষ্টা উক্ত ষড়যন্ত্রেরই অংশ।যেখান থেকে বাঁধা আসার সম্ভাবনা সেখানকার খুটি উপড়ে ফেলার সিদ্ধান্তই ছিল বারবার বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা'কে হত্যা পরিকল্পনার ষড়যন্ত্র।

সর্বশেষ পাকিস্তান সরকারী পয্যায় বাংলাদেশ সম্পর্কে তাঁদের অবস্থান এবং সরকারি দল বিরুধীদলের একজোটে বিশোদগারের বিষয়টি লক্ষ করলে সবার নিকট ব্যাপারটি স্পষ্ট হবে। বাংলাদেশে'র ১৯৭১ ইং সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে মানবতা বিরুধী অপরাধের বিচারের লক্ষে গঠিত ''আন্তজাতিক মানবতা বিরুধী অপরাধ বিচার ট্রাইবুনালের" প্রত্যেকটি রায়ের পর পাকিস্তান সরকার এবং বিরুধীদল আন্তজাতিক শিষ্টাচার বহির্ভূতভাবে উষ্মা প্রকাশ করতে দেখা গেছে।এবং কি প্রত্যাকটি রায়ের পর সাজাপ্রাপ্ত ব্যাক্তি'কে তাঁদের পরমবন্ধু হিসেবে আখ্যায়িত করে শোক উৎযাপন করেছে। তাঁদের এদেশীয় দোষর,তাঁবেদার 'বিএনপি-জামায়াত'ও ঠিক তাঁদের অনুসরনে হরতাল সহ বিভিন্ন  কর্মসুচি পালন করতে দেখা গেছে। এবং কি মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন মিমাংসীত বিষয়ে-'খালেদা জিয়া এবং বিএনপি নেতাগন বিতর্ক উত্থাপনের ব্যর্থ চেষ্টায় লিপ্ত থেকেছে।শুধু তাই নয়--এদেশের রাজনৈতিক দলের সমর্থনের সুযোগে পাকিস্তান সরকার আমেরিকার প্রত্যক্ষ সমর্থনে বাংলাদেশের মানবতা বিরুধী অপরাধ বিচার ট্রাইবুনাল বাতিলের প্রস্তাব একাধিকবার জাতিসংঘে উত্থাপন করার সাহষ দেখিয়েছে। 


উল্লেখ্য প্রথমবস্থায় আমেরিকা এবং আমেরিকা সরকারের চাপে জাতিসংঘ উক্ত বিচার অনুষ্ঠানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলেও পরবর্তিতে বিচারের স্বচ্ছতা ও সরকারের দৃডতার কাছে তাঁরা পরাজিত হয়েছে। তাছাড়াও বঙ্গবন্ধুকন্যার আন্তজাতিক গ্রহনযোগ্যাতা,বিশ্বনেতৃত্বে সমাসীনের বিপদ ইত্যাদি পারিপাশ্বিক চিন্তায় পুর্বের অবস্থান পরিবর্তন করে বিচারের পক্ষে অবস্থান গ্রহন করতে বাধ্য হয়েছে।

    

  (২)সম্প্রতি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নতি:--


'৭০বছর বয়সের পাকিস্তানের জম্মকাল থেকে টকবকে যৌবনকাল পয্যন্ত ২৩ বছরে পুর্ব পাকিস্তান লুটপাটের অবৈধ অর্থে তিনবার পশ্চিম পাকিস্তানের রাজধানী পরিবর্তন করে, তিনটি শহরের শোভাবর্ধন করেছিল।  যৌবনকাল শেষ করে প্রায় অর্ধশত বছর পেরিয়ে গেলেও বাকি একটি শহরের শোভাবর্ধন করতে বর্তমান রাজধানী পরিবর্তনের আর সাহষ করতে পারেনি। অর্ধশত বছরই সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকার 'মৌসাহেবি' করতে সময় কেটেছে পাকিস্তান পূণ:রোদ্ধারে নিয়ন্তর সমর্থন পাওয়ার আশায়।  আমেরিকাও বেঈমানী করেনি- খেয়েপড়ে বেঁচে থাকার প্রয়োজনে যতটুকু সম্ভব ততটুকুই সাহায্য দিয়েছে। তাছাড়া বিশ্বব্যাংক সহ আমেরিকা নিয়ন্ত্রিত আন্তজাতিক অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানের ঋনের টাকায় দেশের অর্থনীতি'র চাকা কোনরকম সচল রাখার ব্যাবস্থা করে দিয়েছিল। তারপরও স্বচ্ছতা, গনতন্ত্র, মানবাধিকারের শুন্যতায় বিগত অর্ধশত বছরেও দেশটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করতে পারেনি।

বাংলাদেশে ইতিমধ্যে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষশক্তি একটানা নয় বছর দেশ শাষনের সুযোগ পেয়ে সর্বক্ষেত্রে হৃত গৌরব ফিরিয়ে এনেছে। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অতীতের সকল জঞ্জাল পরিস্কার,পরিচ্ছন্ন করে, সর্বদিক গুছিয়ে, দক্ষিন এশিয়ার মধ্যে "নিম্নমধ্যম আয়ের" দেশ হিসেবে স্বিকৃতি পেয়েছে। দক্ষিন পুর্ব এশিয়ায় অর্থনৈতিক বাঘ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিগনিত হচ্ছে। চলতি বছরের মার্চে'ই স্বিকৃতি পেতে যাচ্ছে মধ্যম আয়ের বাংলাদেশ হিসেবে।আগামী "২০০৪১ সালের আগে'ই বাংলাদেশ উচ্চভিত্তের দেশে উন্নিত হবে এমনটি আশা করছেন আন্তিজাতিক মহল।

সবচেয়ে বড় গৌরব এবং অহংকারের বিষয়টি হচ্ছে-একদা পরনির্ভর অর্থনীতির বাংলাদেশ চলতি অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটে ৯০%অর্থ নিজস্ব দেশীয় যোগান থেকে সরবরাহ করেছে এবং মাত্র ১০% ঋনের উপর নির্ভর ছিল। বিদেশী সাহায্য  বা ভুর্তকি বাংলাদেশের উন্নয়ন বাজেটকে স্পর্ষ করতে পারেনি।আগামী অর্থবছরের বাজেটে ১০%ঋনের উপর হয়তো বাজেট প্রনীত নাও হতে পারে-এমনি আশা করছেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় অর্থমন্ত্রী। আরও একটি গৌরবের বিষয় লোকচক্ষুর অন্তরালে ঘটে চলেছে--এতকাল বাংলাদেশের ছেলেমেয়েরা কাজের সন্ধানে পাকিস্তান অভিমূখি থাকতে দেখা গেলেও এখন পাকিস্তানের ছেলে মেয়েরা কাজের সন্ধানে বাংলাদেশ অভিমূখে স্রোতের মত'ই আসা শুরু হয়েছে।

    

এমত:বস্থায় পাকিস্তানের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ক্রমশ: পশ্চাদপদতায় জনমনে অতীতের শৌয্য, বিয্যের অহংকার স্মরণে এসে অনুশোচনায় দগ্ধ হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। জনমনের পুঞ্জিভুত অনুভূতি প্রকাশে, নিজেদের ব্যার্থতার কথাটা প্রকাশ করেছেন মাত্র সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ।

    

    (৩)শেখ হাসিনার বিশ্বনেতৃত্ব করায়ত্ব এবং বৃহৎশক্তি'র পিছুটান:-

    


বর্তমানে বিশ্ব রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত একটি নাম বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের নেত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ  হাসিনা।বর্তমানে আন্তিজাতিক সংস্থা সমূহের মধ্যে একটি সংস্থাও খুঁজে পাওয়া যাবেনা--যে সংস্থা'র নেতৃত্ব বা প্রতিনীধিত্ব বাংলাদেশ করেনা। জাতী সংঘের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান প্রায় সবগুলির নেতৃত্ব বাংলাদেশের হাতে। এবং কি বাংলাদেশ বর্তমানে জাতীসংঘ তহবিলে অর্থদাতাদের মধ্যে অন্যতম দেশ বটে। বাংলাদেশ তাঁর দেশের মানুষের প্রাকৃতিক বিপয্যয় কাটিয়ে আন্তজাতিক অঙ্গনেও বিভিন্ন দেশের প্রকৃতিক বিপয্যয়ে গুটিকয়েক সাহায্যদাতা দেশের তালিকার মধ্যে বাংলাদেশের নাম  মুদ্রিত করতে পেরেছে (নেপাল,ভূটানে সাহায্যপ্রেরণ)।

    

অঞ্চলভিত্তিক গড়ে উঠা বিভিন্ন সহযোগীতামুলক সংস্থা সমূহের নেতৃত্ব বাংলাদেশের করায়ত্বে। বহু আঞ্চলিক সংস্থার বার্ষিক সভা বাংলাদেশের ইচ্ছা অনিচ্ছার উপর অনুষ্ঠিত হওয়া না হওয়া নির্ভশীল হয়ে পড়েছে (সার্ক)। তাছাড়া জাতীসংঘ বা আঞ্চলিক সংস্থার বাইরেও বিভিন্ন আঞ্চলিক জোটের সংস্থা ও দেশ সমূহের সংঙ্গে এবং তাঁদের অভ্যন্তরীন সংস্থা সমুহের সংঙ্গেও বাংলাদেশের উন্নত বুঝা পড়া রয়েছে।

    

এমত:বস্থায় সাম্রাজ্যবাদী বা সম্প্রসারনবাদী দেশ সমূহ বাংলাদেশ বিষয় খুববেশী মাথা ঘামানোর সুযোগ আছে বলে এখন আর মনে করেনা। শেখ হাসিনার সরকার বার কয়েক বিশ্ব মোড়ল আমেরিকার 'প্রেসিডেন্ট এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী'কে বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শন করে তাঁর প্রমান রাখতেও সক্ষম হয়েছেন। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নতি, অগ্রগতি এবং শেখ হাসিনা বিশ্ব নেতৃত্বে আসীন হওয়াতে বিশ্ব রাজনীতি'র পটপরিবর্তন ঘটছে বলে আন্তজাতিক রাজনীতি বিশারদদের অভিমত। ইতিমধ্যে তাঁর নমুনাও ফুটে উঠেছে-- শতবছরের অকৃত্তিম বন্ধুত্বের বন্ধন পাকিস্তানের বুকে সজোরে লাথি দিয়ে চিহ্ন করেছে শক্তিধর রাষ্ট্র আমেরিকা।

আরও পড়ুন

'বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য' টিকবে না : ওবায়দুল কাদের

'বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য' টিকবে না : ওবায়দুল কাদের

ড. কামাল হোসেন ও ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর ...

মাগুরায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

মাগুরায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

মাগুরায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। নিহতদের নাম ...

মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী প্রার্থীর জয়

মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী প্রার্থীর জয়

মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আবদুল্লাহ ইয়েমেনকে হারিয়ে বিরোধী দলীয় প্রার্থী ইব্রাহিম ...

মিরপুরে র‍্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী নিহত

মিরপুরে র‍্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী নিহত

মিরপুরে র‍্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে আসাদুল নামে এক যুবক নিহত ...

নিউ ইয়র্কে পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী

নিউ ইয়র্কে পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের ৭৩তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে লন্ডন হয়ে যুক্তরাষ্ট্র পৌঁছেছেন ...

মুস্তাফিজ নৈপুণ্যে বাংলাদেশের শ্বাসরুদ্ধকর জয়

মুস্তাফিজ নৈপুণ্যে বাংলাদেশের শ্বাসরুদ্ধকর জয়

মুস্তাফিজ নৈপুণ্যে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৩ রানের শ্বাসরুদ্ধকর জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।বিস্তারিত ...

মংলা ও বুড়িমারী বন্দরে শতভাগ দুর্নীতি হয়: টিআইবি

মংলা ও বুড়িমারী বন্দরে শতভাগ দুর্নীতি হয়: টিআইবি

মংলা ও বুড়িমারী বন্দরে সেবা দিতে সবক্ষেত্রে শতভাগ দুর্নীতি হয় ...

সিআরবি এলাকায় বাসের চাপায় মোটরবাইক আরোহী নিহত : বাস আটক, চালক পলাতক

সিআরবি এলাকায় বাসের চাপায় মোটরবাইক আরোহী নিহত : বাস আটক, চালক পলাতক

নগরির কোতোয়ালী থানাধীন সিআরবি এলাকায় বেপরোয়া বাসের চাপায় এক মোটরসাইকেল ...