মিথ্যাঃস্যানিটারি ন্যাপকিনের ওপর মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট আরোপ

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০১৯

নিজস্ব প্রতিনিধি ■ বাংলাদেশ প্রেস

স্যানিটারি ন্যাপকিনের ওপর মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট আরোপের অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে প্রচারণা চালানো হচ্ছে তা মিথ্যা ও বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী প্রতারণা বলে দাবি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

বুধবার এনবিআরের সিনিয়র তথ্য অফিসার সৈয়দ মুমেন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে স্যানিটারি ন্যাপকিনের ওপর মূল্য সংযোজন কর আরোপের ফলে মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে মর্মে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং কিছু ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রচারিত হচ্ছে। কিন্তু বর্তমান সরকার নারীর সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে ক্ষমতায়নের পাশাপাশি স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে।

সম্প্রতি জাতীয় জাদুঘরের সামনে সিক্সথ সেন্স নামে একটি সংগঠন কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে ন্যাপকিনের ওপর ৪০ শতাংশ মূসক আরোপের প্রতিবাদ জানায়। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে প্রচারণা চালানো হয়। তবে এগুলো সর্বৈব মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাজেটে প্রজ্ঞাপন এস আর ও নং-২৪০-আইন/২০১৯/৭৬-মূসক, তারিখ ৩০ জুন ২০১৯, এর মাধ্যমে দেশীয় স্যানিটারি ন্যাপকিন উৎপানকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আমদানিকৃত উপকরণের ওপর প্রযোজ্য ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এতে দেশে উৎপাদিত স্যানিটারি ন্যাপকিনের দাম কমবে এবং কম দামে নারীরা এটি ব্যবহার করতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, স্যানিটারি ন্যাপকিন বা সমজাতীয় কোনও পণ্যের ওপর ভ্যাট আরোপ করা তো দূরের কথা; বরং স্যানিটারি ন্যাপকিন উপকরণের ওপর আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক অব্যাহতি দিয়েছে সরকার। তা সত্ত্বেও কতিপয় ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। তাই সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।