• দুই লাখ পিস ইয়াবাসহ মিয়ানমারের আট নাগরিক আটক

    দুই লাখ পিস ইয়াবাসহ মিয়ানমারের আট নাগরিক আটক

  • শেখ হাসিনার নির্দেশে দলের বিভিন্ন পর্যায়ে চলছে শুদ্ধি অভিযান

    শেখ হাসিনার নির্দেশে দলের বিভিন্ন পর্যায়ে চলছে শুদ্ধি অভিযান

  • ঢাকার ক্যাসিনো সাম্রাজ্যের বিস্তার যে নেপালিদের হাত ধরে

    ঢাকার ক্যাসিনো সাম্রাজ্যের বিস্তার যে নেপালিদের হাত ধরে

  • জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের 'ইউনিট-২' এর ভর্তি পরীক্ষা শুরু

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের 'ইউনিট-২' এর ভর্তি পরীক্ষা শুরু

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক’ ইউনিটের ভর্তিযুদ্ধ শুরু

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক’ ইউনিটের ভর্তিযুদ্ধ শুরু

কক্সবাজার-টেকনাফঃ ১১৭ মাদক কারবারির অঢেল সহায়-সম্পদ যাচ্ছে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে

প্রকাশ: ০২ জুন ২০১৯

নিজস্ব প্রতিনিধি ■ বাংলাদেশ প্রেস

কক্সবাজার-টেকনাফের তালিকাভুক্ত ১১৭ মাদক কারবারির অঢেল সহায়-সম্পদ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে নেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে পুলিশ এ ধরনের একটি বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। মাদক কারবারিদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে সম্প্রতি কক্সবাজার জেলা পুলিশ পুলিশ সদর দপ্তরের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছে। যাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে আলোচিত সাবেক সাংসদ আবদুর রহমান বদির ভাই ও ভাগিনা এবং কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত সাইফুল করিমসহ ৫০ ‘মাদক ডনের’ সম্পদের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। একেক জনের ১০০ কোটি থেকে শুরু করে ১ হাজার কোটি টাকারও সম্পদ আছে বলে পুলিশের অনুসন্ধানে জানা গেছে। পুলিশের পাশাপাশি দুর্নীতি দমন কমিশনও (দুদক) এ নিয়ে কাজ করছে। কারবারিদের সম্পদ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে নিতে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকেও সবুজ সংকেত পাওয়া গেছে বলে দেশ রূপান্তরকে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।


এদিকে আদালতের নির্দেশে গতকাল শনিবার ওই ১১৭ জনের মধ্যে টেকনাফের তালিকাভুক্ত একই পরিবারের তিন ইয়াবা কারবারির বিলাসবহুল তিনটি বাড়ি নিজেদের জিম্মায় নিয়েছে পুলিশ। তালিকাভুক্ত অন্য মাদক কারবারিদের সম্পত্তি যাতে অন্য কেউ দখল বা কারও কাছে বিক্রি করতে না পারে, সে জন্য নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। টেকনাফ থানা-পুলিশের কয়েকটি টিম ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা সার্বক্ষণিক এই নজরদারি করছে।


এ প্রসঙ্গে দুদকের আইন শাখার একজন উপপরিচালক দেশ রূপান্তরকে জানান, ফৌজদারি কার্যবিধি (সিআরপিসি) অনুযায়ী সম্পদ জব্দ করতে পারবে পুলিশ। এ ছাড়া মানি লন্ডারিং আইন ও আদালতের অনুমোদন ক্রমে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ জব্দ করতে পারে তারা। এ ক্ষেত্রে পুলিশ মাদক কারবারিদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে রাষ্ট্রের কোষাগারে দিতে পারবে। সরকার মনে করলে ওই সব সম্পদ জব্দের পর যেকোনো সংস্থাই ব্যবহার করতে পারবে। অথবা নিলাম ডেকে বিক্রিও করতে পারবে।


কক্সবাজার জেলার পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন দেশ রূপান্তককে বলেন, কক্সবাজার ও টেকনাফকে মাদকমুক্ত করতে যা যা করা দরকার তা-ই করা হচ্ছে। মাদক কারবার করে যারা অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন, তাদের একটি তালিকা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে আমরা পুলিশ সদর দপ্তরকে অবহিত করেছি। ওই সব সম্পদ যাতে অন্য কেউ দখল বা বিক্রি করতে না পারে, সেদিকে আমাদের নজরদারি আছে। তিনি বলেন, কারবারিদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। আমরাও চাই এসব কারবারির অঢেল সম্পদ রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকুক। পুলিশের পাশাপাশি দুদকসহ অন্যান্য সংস্থাও কারবারিদের সম্পদের তদন্ত করছে।         


সংশ্লিষ্টরা জানায়, গত বছর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তালিকায় কক্সবাজার ও টেকনাফে ১ হাজার ১৫১ জন মাদক কারবারির তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। এর মধ্যে ৭৩ জন শীর্ষ মাদক কারবারি বা পৃষ্ঠপোষকের নাম আছে। তালিকায় বদিসহ তার পরিবারের ২৬ জন সদস্য রয়েছেন। তবে বদি আবেদন করে তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। তালিকায় কক্সবাজার ও টেকনাফ অঞ্চলের আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও হেফাজতে ইসলামীর নেতাদেরও নাম আছে। তালিকাভুক্ত মাদক কারবারিদের সম্পদের বিষয়টিও উঠে আসে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হন প্রত্যেক কারবারি অঢেল সম্পদের মালিক। এলাকায় আছে তাদের বড় বড় অট্টলিকা। চট্টগ্রামেও কারও কারও ফ্ল্যাট-বাড়ি আছে। কেউ কেউ আবার দুবাই, সৌদি আরব ও মিয়ানমারেও সম্পদের পাহাড় গড়েছেন।


অনুসন্ধানে জানা যায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর অভিযানে দিশেহারা হয়ে পড়েন মাদক কারবারিরা। পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেকে আত্মগোপনে চলে যান। কেউ কেউ পুলিশের হাতে ধরা পড়েন। আবার কেউ কেউ ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ নেতা ও টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর একরামুল হক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হওয়ায় দেশ-বিদেশে আলোচনার ঝড় ওঠে। ওই ঘটনার পর কিছু দিন অভিযান বন্ধ থাকে। আর এ সুযোগে ইয়াবা কারবারিরা এলাকায় ফিরে আসার চেষ্টা করেন।


টেকনাফের মৌলভীপাড়া, নাজিরপাড়া, শীলবনিয়াপাড়া, মিঠাপানিরছড়া, লম্বরিপাড়া, জালিয়াপাড়া, শাহপরীর দ্বীপসহ কয়েকটি স্থানে ইয়াবা কারবারিদের আলিশান ঘরবাড়ি রয়েছে। গত দশ বছরে ইয়াবার কারবার চালিয়ে তারা এসব সম্পদ গড়েছেন। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি টেকনাফে ১০২ জন মাদক কারবারির আত্মসমর্পণের পর তাদের সম্পদ বিক্রির পাঁয়তারা চালায় স্বজনরা। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় বিক্রি করতে পারেনি।


কক্সবাজার জেলা পুুলিশের এক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, আত্মসমর্পণকারী ১০২ জনের মধ্যে দুজনসহ ১১৭ জনের একটি তালিকা করা হয়েছে, যাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হবে। সরকাররের উচ্চমহল থেকেও আমরা সিগনাল পেয়েছি। সিআরপিসি অনুযায়ী আমরা এসব সম্পদ জব্দ করব। প্রয়োজনে আদালত থেকে অনুমতি নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘ইয়াবা ডন’ সাইফুল করিম অন্তত ১ হাজার কোটি টাকার মালিক। তার ওই সব সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হবে। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, গত ২৩ মে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ খোন্দকার হাসান মো. ফিরোজের আদালতের নির্দেশে ইয়াবা ডন ইসহাক মিয়া, নুরুল হক ভুট্টো ও নুর মোহাম্মদের সম্পদ জেলা পুলিশের হেফাজতে এসেছে। একইভাবে বাকিদের সম্পদও পুুলিশের হেফাজত বা সরকারের কোষাগারে নেওয়া হবে।


পুলিশ জানায়, ১১৭ কারবারির মধ্যে অন্তত ৫০ জন ‘ইয়াবা ডনের’ ১০০ থেকে ১ হাজার কোটি টাকার সম্পদ আছে। তাদের মধ্যে শীলবনিয়াপাড়ার হাজি সাইফুল করিম, আলিয়াবাদের সাবেক সাংসদ বদির ছোট ভাই আবদুস শুক্কর ও আমিনুর রহমান, পশ্চিম লেদারের নুরুল হুদা মেম্বার, উত্তর লেঙ্গুর বিলের দিদার মিয়া, মুন্ডারডেইলের শাহেদ রহমান নিপু, ডেইলপাড়ার আবদুল আমিন ও নুরুল আমিন, চৌধুরীপাড়ার শফিকুল ইসলাম ওরফে শফিক ও ফয়সাল রহমান, নাজিরপাড়ার এনামুল হক ওরফে এনাম মেম্বার, মৌলভীপাড়ার একরাম হোসেন, নাজিরপাড়ার সৈয়দ হোসেন, আলিরডেইলের শাহেদ কামাল, সাবরাংয়ের মৌলভী বছির আহম্মদ, পুরাতন কল্যাণপাড়ার শাহ আলম, নাজিরপাড়ার আবদুর রহমান, মধ্য জালিয়াপাড়ার মোজাম্মেল হক, দক্ষিণ জালিয়াপাড়ার জোবায়ের হোসেন, কুলালপাড়ার নুরুল বছর কাউন্সিলর ওরফে নুরসাদ, শীলবুনিয়াপাড়ার কামরুল হাসান রাসেল, গোদারবিলের আবদুর রহমান ও জিয়াউর রহমান ওরফে জিহাদ, হ্ণীলাপাড়া বাজারের মোহাম্মদ শাহ, পশ্চিম লেদারের নুরুল কবির অন্যতম। বাকিদের মধ্যে আছেন ওয়ালিবাদের মারুফ বিন খলিল, নাইটাংপাড়ার মোহাম্মদ ইউনুছ, নীলা পশ্চিমপাড়ার সৈয়দ হোসেন ওরফে ছইতু, আলীখালীর জামাল মেম্বার, জাদিমুরার হাসান আবদুল্লাহ, উত্তরপাড়ার রেজাউল করিম মেম্বার, লেদাপূর্বপাড়ার আবু তাহের, হ্লীলাফুলের ডেইলের রমজান আলী, পূর্ব লেদারের ফরিদ আলম, নীলাপশ্চিমপাড়ার মাহবুব আলম, নাজিরপাড়ার মো. আফসার, নাইটাংপাড়ার হাবিবুর রহমান, পানছড়িপাড়ার শামসুল আলম ওরফে সামসু মেম্বার, পুরাতন কল্যাণপাড়ার মোহাম্মদ ইসমাইল, মৌলভীপাড়ার আবদুল গনি, একই এলাকার মোহাম্মদ আলী, নাজিরপাড়ার জামাল হোসেন, কুচবুনিয়াপাড়ার আবদুল হামিদ, পূর্ব পানখালীর নজরুল ইসলাম, পশ্চিম শিকদারপাড়ার রশীদ আহম্মেদ, মুন্ডারডেইলের মোয়াজ্জেম হোসেন, জালিয়াপাড়ার সিরাজ, চৌধুরীপাড়ার আলম, মধ্যমডেইলপাড়ার আবদুল্লাহ, রাজারছড়ার হোসেন আলী, দক্ষিণ নয়াপাড়ার তৈয়ব, উত্তর জালিয়াপাড়ার নুরুল কবির মিঝি, উত্তর আলীখালীর শাহ আজম, আলীর ডেইলের জাফর আহম্মেদ, নাজিরপাড়ার জাফর আলম, হীলাফুলের ডেইলের রোস্তম আলী ওরফে রোস্তম, পশ্চিম লেদার হোসাইন, জালিয়াপাড়ার নুরুল আলম, উত্তর জালিয়াপাড়ার হাসেম ওরফে আংকু, জুমপাড়ার শফিউল্লাহ, ফুলের ডেইলের আবু তৈয়ব, একই এলাকার আলী নেওয়াজ, পশ্চিম দেলার জহুল আলম, পূর্ব লেদার হুসাইন, বড় হাবিরপাড়ার সিদ্দিক, পূর্ব লেদার রবিউল, মুন্ডারডেইলের মঞ্জুর আলী, দক্ষিণ লেদার হামিদ হোসেন, দক্ষিণ জালিয়াপাড়ার মো. আলম, শিলবুনিয়াপাড়ার আইয়ুব, মুন্ডারডেইলের মো. রাসেল, একই এলাকার নুরুল আমিন, পশ্চিম লেদার বোরহান উদ্দিন, মাঠপাড়ার কামাল হোসেন, দক্ষিণ জালিয়াপাড়ার ইমান হোসেন, আলীখালীর হারুন, কাটাবুনিয়ার শওকত আলম, সাবরাংয়ের হোসেন আহম্মেদ, নাইটংপাড়ার আইয়ুব, উল্টরশীলখালীর আবু সৈয়দ, নাইটংপাড়ার রহিম উল্লাহ, নাজিরপাড়ার রফিক, কল্যাণপাড়ার সেলিম, দক্ষিণ নয়াপাড়ার নূর মোহাম্মাদ, তোলাইলি নুরুল বছর ওরফে কালাভাই, চৌধুরীপাড়ার মং অং থেইন ওরফে মমচি, নাজিরপাড়ার হেলাল, কুচবুনিয়ার বদিউর রহমান, উল্টরলম্বরীর আবদুল করিম ওরফে করিম মাঝি, মনতলিয়ার জুমপাড়ার সৈয়দ আলম, হাতিয়াঘোনার মো. হাসান, জাহাজপাড়ার নুরুল আলম, রাজারছড়ার আবদুল কুদ্দুস, হাতিয়াঘোনার দিল মোহাম্মদ, ঝিনাপাড়ার আলী আহম্মেদ, মুন্ডারডেইলের সাকের মিয়া, দক্ষিণ নয়াপাড়ার আলমগীর ফয়সাল, পূর্ব লেদার জাহাঙ্গীর আলম, নাজিরপাড়ার নুরুল আলম, শাহপরীর দ্বীপের সামসুল আলম, মিঠাপানির ছড়ার ইফনুছ, পশ্চিম পানখালীর নুরুল আফসার ওরফে প্রকাশ আফসার ও ঝিলংজার শাজাহান আনসারী এবং নাজিরপাড়ার এজাহার মিয়া (৭০) ও তার দুই ছেলে নুরুল হক ভুট্টো ও নূর মোহাম্মদ ওরফে মংগ্রী।


পুলিশ সদর দপ্তরের এক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, প্রাথমিকভাবে ১১৭ জনের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। জেলা পুলিশের পাশাপাশি সিআইডি ও দুদক তদন্ত করছে। স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আদালতে আবেদন করা হবে; যাতে ওই সব কারবারির সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা যায়। তা ছাড়া পুলিশ সিআরপিসির মাধ্যমে পুলিশ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে পারে এবং করবে।


টেকনাফে ৩ ইয়াবা কারবারির বাড়ি পুলিশের জিম্মায়, আদালতের নির্দেশে টেকনাফে ইয়াবা ব্যবসার টাকায় গড়ে ওঠা প্রায় ৩০ কোটি টাকার বিলাসবহুল তিনটি বাড়ি গতকাল জিম্মায় নিয়েছে পুলিশ। যাদের বাড়ি নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয় তারা হলেন নাজিরপাড়ার এজাহার মিয়া ও তার দুই ছেলে নুরুল হক ভুট্টো ও নূর মোহাম্মদ ওরফে মংগ্রী। দুই মাস আগে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নূর মোহাম্মদ নিহত হন।


সরেজমিন দেখা গেছে, গতকাল সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাসের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল রাজপ্রাসাদের মতো ওই সব বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় বাড়িতে থাকা লোকজনকে বের করে দিয়ে বাড়িগুলো পুলিশ নিজেদের জিম্মায় নিয়ে নেয়। এক বাড়িতে থাকা এক নারী কান্না করে বলেন, ‘আমার এখন কেউ নেই। বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে, আমি কোথায় যাব? আমার পরিবারের সদস্যরা ইয়াবার সঙ্গে জড়িত নয়।’


টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ দাস বলেন, এই প্রথম আদালতের নির্দেশে তিন ইয়াবা ডনের বাড়ি পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হলো। আদালতের নির্দেশে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যে বাড়িগুলো ক্রোক করা হয়েছে, সেগুলোর মালিক একসময় রিকশা ও ভ্যানচালক ছিলেন। এখন তারা সবাই কোটি টাকার মালিক। তিনি বলেন, সীমান্তে লবণচাষি, দিনমজুর, রিকশা ও ভ্যানচালকরা মরণনেশা ইয়াবা বেচাকেনা করে টেকনাফে আলিশান সব বাড়ি বানিয়েছেন। সারা দেশে মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হলে এসব বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন তালিকাভুক্ত বাবারা (ইয়াবা ব্যবসায়ীরা)। আবার অনেকে গ্রেপ্তার ও বন্দুকযদ্ধে নিহত হয়েছেন। ইয়াবার টাকায় যারা অবৈধ সম্পদের মালিক বনে গেছেন, পর্যায়ক্রমে তাদেরও একই পরিণতি হবে।

পরবর্তী খবর পড়ুন : জেরুজালেমে দূতাবাস স্থাপনকারীদের বয়কটের আহ্বান ওআইসির


আরও পড়ুন

হোয়াইট হাউজের কাছে গোলাগুলিতে একজন নিহত, আহত ৫

হোয়াইট হাউজের কাছে গোলাগুলিতে একজন নিহত, আহত ৫

এবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির দপ্তর ও বাসভবন হোয়াইট হাউজের কাছে ...

দুই লাখ পিস ইয়াবাসহ মিয়ানমারের আট নাগরিক আটক

দুই লাখ পিস ইয়াবাসহ মিয়ানমারের আট নাগরিক আটক

কক্সবাজারের টেকনাফের অদূরে সেন্ট মার্টিন্সের গভীর সমুদ্রে দুই লাখ পিস ...

শেখ হাসিনার নির্দেশে দলের বিভিন্ন পর্যায়ে চলছে শুদ্ধি অভিযান

শেখ হাসিনার নির্দেশে দলের বিভিন্ন পর্যায়ে চলছে শুদ্ধি অভিযান

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশে দলের বিভিন্ন পর্যায়ে চলছে ...

ফেসবুক ভেঙে দিতে ট্রাম্পের প্রস্তাবে জাকারবার্গের জবাব

ফেসবুক ভেঙে দিতে ট্রাম্পের প্রস্তাবে জাকারবার্গের জবাব

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কংগ্রেসের কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ ...

নয়নের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক-বিয়ে সবই স্বীকার মিন্নির

নয়নের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক-বিয়ে সবই স্বীকার মিন্নির

বরগুনায় আলোচিত রিফাত হত্যায় মামলায় তার স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে ...

ঢাকার ক্যাসিনো সাম্রাজ্যের বিস্তার যে নেপালিদের হাত ধরে

ঢাকার ক্যাসিনো সাম্রাজ্যের বিস্তার যে নেপালিদের হাত ধরে

ঝকঝকে আলোকচ্ছটায় রমরমা জুয়ার আড্ডায় প্রতিদিন উড়ত কোটি কোটি টাকা। ...

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের 'ইউনিট-২' এর ভর্তি পরীক্ষা শুরু

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের 'ইউনিট-২' এর ভর্তি পরীক্ষা শুরু

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের চার বছর মেয়াদি স্নাতক (সম্মান) ...

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক’ ইউনিটের ভর্তিযুদ্ধ শুরু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক’ ইউনিটের ভর্তিযুদ্ধ শুরু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের (বিজ্ঞান অনুষদ) ...