ঘুষের টাকা ফেরত দিলো পল্লী বিদ্যুত

প্রকাশ: ২৫ জুন ২০১৯ |

নিজস্ব প্রতিবেদক ■ বাংলাদেশ প্রেস

‘ঠ্যালার নাম বাবাজি’ কথাটা আবার প্রমান হল। জনতার চাপের মুখে অবশেষে ঘুসের টাকা ফেরত দিলেন পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তাগণ। গটনাটি ঘটেছে ঝিনাইদহে।  লাইনে দাঁড় করিয়ে ঘুষের টাকা ফেরত দিয়েছেন পল্লী বিদ্যুতের এক কর্মকর্তা। এই ছবি ও তার খবর এখন এলাকায় চরম আলড়ন সৃষ্টি করেছে, মানুষের মুখে মুখে এই কথা আর এর জন্য প্রশংসা হচ্ছে। বলা হচ্ছে সরকার আর মানুষ চাইলে অসত কিছু আমলা ভালো। 

ঝিনাইদহ পল্লীবিদ্যুত সমিতির শৈলকুাপা উপজেলার এলাকা-৭ এর পরিচালক নুরুজ্জামান বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার কথা বলে ১২৬ পরিবারের কাছ থেকে ঘুষ নিয়েছিলেন। বিষয়টি পল্লীবিদ্যুত সমিতির অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়। অবশেষে গ্রাহকদের চাপের মুখে ঘুষের ১ লাখ ৩৮ হাজার ১০০ টাকা তিনি ফেরত দিতে বাধ্য হন।

গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে শৈলকুপা উপজেলার হাকিমপুর ইউনিয়নের খুলুমবাড়িয়া গ্রামের পৃথক দু’টি স্থানে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘুষের টাকা ফেরত দেয়া হয়। সারিবদ্ধভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে গ্রাহকগণ তাঁদের দেওয়া ঘুষের টাকা বুঝে নেন।

এ সময় ঝিনাইদহ পল্লীবিদ্যুত সমিতির জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মো. আলতাফ হোসেন, শৈলকুপা উপজেলা পল্লীবিদ্যুত সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার কামরুজ্জামান, সমিতি বোর্ডের সভাপতি হাফিজুর রহমান, সহকারী প্রকৌশলী মোতাহার হোসেন ও সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (সদস্য সেবা) মো. রেজাউল করিম রাজিব উপস্থিত ছিলেন।

জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মো. আলতাফ হোসেন এ নিয়ে বলেন, শৈলকুপা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বিদ্যুত লাইন সম্প্রসারণের কাজ চলছে। সুযোগে বুঝে ওই এলাকার দালাল চক্রের মাধ্যমে ঘুষ নেন পরিচালক নুরুজ্জামান। ঘুষ গ্রহণের বিষয়টি ব্যাপকভাবে জানাজানি হলে গোপন অনুসন্ধানকালে খবরের সত্যতা পান জেনারেল ম্যানেজার। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের মধ্যে ঝিনাইদহ পল্লীবিদ্যুত সমিতির শৈলকুপা ৭ নং এলাকা পরিচালক নুরুজ্জামানের নাম বেরিয়ে আসে। পরবর্তীতে এই টাকা গ্রাহকদের ফেরত দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়। তারি ফলে লাইনে দাঁড় করিয়ে ঘুষের টাকা ফেরত দেয় পল্লীবিদ্যুত সমিতি।