ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মী ফাও খেয়েও স্টার হোটেলের কর্মচারীকে মারধর

প্রকাশ: ১৭ এপ্রিল ২০১৯     আপডেট: ১৭ এপ্রিল ২০১৯ |

নোমান আব্দুল্লাহ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ■ বাংলাদেশ প্রেস

ঢাকার জনসন রোডে অবস্থিত স্টার হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে ফাও খেয়ে পরবর্তিতে হোটেল কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে জবি ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মীর বিরুদ্ধে।

১৬ ই এপ্রিল মঙ্গলবার রাত ১১ টা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

হোটেল কর্তৃপক্ষ সুত্রে জানা যায়, জবি ছাত্রলীগের বিভিন্ন নেতার নাম করে প্রতিদিন ফাও খেয়ে চলেছে ছাত্রলীগ নামধারী কিছু কর্মী। কতৃপক্ষ জানায়,খাবার শেষ করে টাকা না দিয়ে দ্রুত কেটে পড়েন এই সব কর্মীরা। মাঝে মধ্যে কাউকে থামিয়ে টাকা চাইলেও পরে দিব বা অমুক ভাইয়ের নামে লিখে রাখেন বলে কেটে পড়েন তারা কিংবা পাঁচ দশজন মিলে খেয়ে কয়েক হাজার টাকা বিল করে কয়েশ টাকা দিয়ে বের হয়ে যান। প্রতিদিনকার মতো মঙ্গলবার রাতেও টাকা না দিয়ে বের হয়ে গেলে স্থানীয় একব্যক্তি জবি ছাত্রলীগের এক কর্মীকে ধরে হোটেলের সামনে নিয়ে আসে,তার কাছে ফ্রিতে খাওয়ার কারণ জানতে চান। এই খবর জানতে পেরে ছাত্রলীগ কর্মীরা রাস্তার পাশ থেকে রড,কাঠ নিয়ে এসে হোটেলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এক কর্মচারীকে এলোপাথাড়ি পিঠাতে থাকে।পরে হোটেলের ডিউটিরত ম্যানেজারের সাথে ধস্তাধস্তি করে এবং হোটেলে ভাঙচুর চালায়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৭ এপ্রিল বৃহ:বার এই ধরণের ঘটনার প্রতিকার চেয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড.মিজানুর রহমানের সাথে দেখা করে স্টার হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট কতৃপক্ষ।  পরে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রক্টরিয়াল বডিকে সুষ্টু বিচারের নির্দেশ দেন। 

এই বিষয়ে জবির সহকারী প্রোক্টর ড.মোস্তফা কামাল বাংলাদেশ প্রেসকে বলেন, 'আমরা হামলার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছি। ভিডিও ফুটেজ দেখে জড়িত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধের দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।'

ভিডিও ফুটেজ থেকে হামলাকারী কয়েকজন এর নাম জানা গেছে। তারা হলেন জবি হিসাববিজ্ঞান বিভাগের ১২ তম ব্যাচের ফারুক হোসেন এবং আরিয়ান আলভি(বর্তমানে রিএড), মেহেদী হাসান (১২ তম ব্যাচ,দর্শন বিভাগ), কিবরিয়া খান (১২ তম ব্যাচ)। এই বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রলীগ কর্মী আরিয়ান আলভি বলে, 'আমি বন্ধুদের সাথে খেতে গিয়েছিলাম।কিন্তু কোনো ধরণের হামলায় অংশ নেয় নি।'